BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ঝুঁকি না নিয়ে সেফ ফুটবল খেলল জার্মানি ও পোল্যান্ড

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 17, 2016 10:19 am|    Updated: June 17, 2016 10:23 am

An Images

জার্মানি – ০

পোল্যান্ড – ০

মনোরঞ্জন ভট্টাচার্য: কাঁটাতারের দু’দিকে দু’টো দেশের অবস্থান৷ স্বাভাবিকভাবে রয়েছে রেষারেষিও৷ একে অন্যের সম্পর্কে খুঁটিনাটি যাবতীয় তথ্য জানা জার্মানি ও পোল্যান্ডের৷ ফুটবল মাঠে কিন্তু প্রতিবেশির থেকে কয়েক যোজন এগিয়ে জার্মানরা৷ এদিন ম্যুলারদের কাছে এই সত্যিটা প্রতিষ্ঠা করার লড়াই ছিল৷ দিনের শেষে ওরা সেটা করতে পারল না৷

পোল্যান্ড কোচ অ্যাডাম নাওয়ালকা যে নিজের ট্যাব বা ল্যাপটপে অনেক ডেটা খরচ করেই এসেছেন, তার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে প্রথম মিনিট থেকেইmanaranjan_web৷ গ্রুপ সি-তে জার্মানিই সবথেকে শক্তিশালী দল৷ তাছাড়া দুই দলই প্রথম ম্যাচ জিতে আছে৷ তাই এই ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট এলেই পরের রাউন্ডে যাওয়া অনেক সহজ হয়ে যেত৷ আর তাই লিওয়ানডস্কিকে একা উপরে রেখে পোল্যান্ডের বাকি ন’জন মিলে ডিফেন্স করে গেল৷ পাখি পড়ানোর মতো অ্যাডাম নিশ্চয়ই বারবার বলে দিয়েছিল কোনওভাবেই ডিফেন্স আলগা করা যাবে না৷ সবথেকে বেশি জোর ও দিয়েছিল গোলের জন্য জার্মানির সাপ্লাই লাইনটা কেটে দিতে৷ গোয়েৎজে, ম্যুলারদের জন্য ফাইনাল পাস বাড়ায় মূলত ক্রুস আর ওজিল৷ ওদের দু’জনকে কখনওই ফাঁকা জায়গা দেয়নি পোল্যান্ড৷ আশ্চর্যজনকভাবে জোয়াকিম লো-ও যেন এদিন ওই অঙ্ক কষেই নেমেছিল৷ এদিন ড্র করায় দুই দলের কাছেই পরের রাউন্ড প্রায় পাকা হয়ে গেল৷

যত দিন যাচ্ছে, ততই যেন ফিলিপ লামের অভাব এই জার্মানি দলটায় স্পষ্ট হয়ে উঠছে৷ স্ট্রাইকাররা গোলের জন্য বলই পাচ্ছে না সেভাবে৷ প্রথমার্ধে তাও দু’বার গোলের অনেকটা কাছে চলে যায় জার্মানি৷ আসলে এটাই বড় দলের এক্স ফ্যাক্টর৷ যতই ওদের সামনে পায়ের জটলা তৈরি হোক, ঠিক গোলের রাস্তা তৈরি করে নেয়৷ চুপচাপ ছিল না পোল্যান্ডও৷ ফাঁক পেলেই কাউন্টার অ্যাটাকে আসছিল ওরা৷ বেশ কয়েকবার ন্যুয়ারকে অস্বস্তিতে ফেলে গেল লিওয়ানডস্কিরা৷

germany_web

একটা সময় পোল্যান্ডের ট্যাকটিক্যাল গেম বেশ ভালই লাগছিল৷ কিন্তু লাভের লাভ হচ্ছিল না কারণ, বেশিরভাগ সময়ই লিওয়ানডস্কি একা হয়ে যাচ্ছিল৷ তার মাঝেও চেষ্টার ত্রুটি রাখেনি ও৷ আর অন্য সময় ওর সতীর্থরা বড় আসরের অভিজ্ঞতার অভাবে অহেতুক তাড়াহুড়ো করে ফেলছিল৷ লিওয়ানডস্কির অবশ্য আরও দু’টো সমস্যা ছিল৷ এক, জার্মানির বেশিরভাগ ফুটবলারই বায়ার্নে ওর সতীর্থ৷ তাই ওর শক্তিশালী দিকগুলো ওরা খুব ভাল করে জানে৷ তাছাড়া বায়ার্নে ও পিছন থেকে যাদের সাপোর্ট পায়, এখানে তা পায়নি৷

ফুটবলমহলে একটা মিথ বহুল প্রচারিত৷ জার্মানরা শেষ মিনিটের আগে হারে না৷ ভেবেছিলাম এদিনও সেটাই দেখব৷ দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের রোলার চালাবে লো৷ কিন্তু বিরতির পর জার্মানি সুযোগই তৈরি করতে পারল না৷ বরং পোল্যান্ড বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল৷

পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেভাবে নজর কাড়তে না পারলেও পরের রাউন্ডে অন্য জার্মানিকে পাব বলেই আমার বিশ্বাস৷ নক আউটে যে ড্র বলে কিছু থাকবে না৷ তাছাড়া হয়তো নক আউট পর্যায়ের জন্যই নিজের আস্তিনের সব তাস খুলছে না লো৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement