Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

৩৩ মাস পর ডার্বিতে শাপমুক্তি ইস্টবেঙ্গলের

জোড়া গোল রালতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮, ১৯:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৬, ২০১৮, ১৯:০৯

options
link
৩৩ মাস পর ডার্বিতে শাপমুক্তি ইস্টবেঙ্গলের zoom

ইস্টবেঙ্গল ৩ (লালডেনমাওয়াইয়া রালতে ২, জাস্টিন)

মোহনবাগান ২ (আজহার, ডিকা)

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ৩৩ মাস পরে ডার্বিতে শাপমুক্তি ইস্টবেঙ্গলের। ৭ টি ডার্বির পর অবশেষে জয়ের মুখ দেখল লাল হলুদ শিবির। দুর্বল রক্ষণ আর ভুরি ভুরি মিস পাসের খেসারত দিতে হল মোহনবাগানকে। তাছাড়া কিংসলের ক্ষণিকের ভুলেরও মূল্য দিতে হয়েছে সবুজ-মেরুন শিবিরকে। দলের অধিনায়ক লাল কার্ড দেখে বেরিয়ে যাওয়ার পর প্রায় আধঘণ্টা ১০ জনে খেলতে হল মোহনবাগানকে। জমজমাট যুবভারতীতে টানটান উত্তেজনার ম্যাচে লাল হলুদ জিতল ৩-২ গোলের ব্যবধানে।

[আগামী বছর কলকাতা লিগে খেলবে অরূপ, ববিদের দল]

ডার্বিতে নামার আগে পয়েন্ট টেবিলে দুই প্রধানের কেউই খুব একটা সন্তোষজনক জায়গায় ছিল না। ইস্টবেঙ্গল ছিল সপ্তম স্থানে অন্যদিকে মোহনবাগান ছিল অষ্টম স্থানে। তাই এই ম্যাচে জয় পাওয়াটা জরুরি ছিল দুই দলের জন্যই। ম্যাচের শুরুটা দেখে মনেও হচ্ছিল জয়ের জন্যই ঝাঁপাতে চলেছেন দুই কোচ। ম্যাচের প্রথম গোলটিও আসে তাড়াতাড়ি। ১৩ মিনিটে ওমরের দুর্দান্ত ক্রস থেকে গোল করে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন আজহারউদ্দিন। কিন্তু মোহনবাগানের সেই লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। মিনিট চারেকের মধ্যেই সমতা ফেরান লালডেনমাওয়াইয়া রালতে। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে জবি জাস্টিনের একটি বিশ্বমানের বাই সাইকেল কিকের সৌজন্যে ২-১ গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে মোহনবাগান যখন গোল শোধ করার জন্য ঝাঁপাচ্ছিল তখনই লালকার্ড দেখেন কিংসলে। তারপরই ফ্রি কিক থেকে আসা ভাসানো বলে গোল করে ইস্টবেঙ্গলের ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন রালতে।

[বেঙ্গালুরুর কাছে হেরে প্লে অফের অঙ্ক কঠিন করে ফেলল এটিকে]

রালতের প্রথম গোলটি কি অফসাইড ছিল, প্রথমার্ধে একের বিরুদ্ধে এক সিচুয়েশনে হেনরিকে কি ফাউল করা হয়েছিল, কিংসলেকে দেখানো প্রথম হলুদ কার্ডটি কি রেফারির বড় ম্যাচের অনভিজ্ঞতার ফল, আই লিগের প্রথম ডার্বির শেষে রেফারিকে যদি এই প্রশ্নগুলির সম্মুখীন হতে হয়, তাহলে অনেকগুলি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে মোহনবাগান কোচ শংকরলাল চক্রবর্তীকেও। মোহনবাগানের মতো ক্লাবের যে জমাটি রক্ষণের প্রয়োজন হয় তা কি আদৌ দেখাতে পারলেন সবুজ মেরুন ফুটবলাররা। ফুটবলারদের আদৌ বড় ম্যাচ খেলার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন তো? প্রথমার্ধে অন্তত সেই প্রস্তুতির ছাপ দেখা যায়নি। তাছাড়া কোচের স্ট্র্যাটেজি নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। বড় ম্যাচে শুধু লং বলের স্ট্র্যাটেজি কতটা কার্যকর তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.