Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬

বাইশ গজে কামাল ধাওয়ান-ভুবির, টি-২০ ম্যাচেও অপ্রতিরোধ্য ভারত

২৪ রান দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা ভুবনেশ্বর কুমার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৮, ১০:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৮, ১০:০৫

options
link
বাইশ গজে কামাল ধাওয়ান-ভুবির, টি-২০ ম্যাচেও অপ্রতিরোধ্য ভারত zoom

ভারত- ২০৩/৫ (শিখর ৭২, জুনিয়র ডালা ২/৪৭)

দক্ষিণ আফ্রিকা- ১৭৫/৯ (হেনড্রিক্স ৭০, ভুবনেশ্বর কুমার ৫/২৪)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারত ২৮ রানে জয়ী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বুকে ওয়ানডে সিরিজ আত্মবিশ্বাস ছিলই। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে তাদেরকেই টি-২০তে হারানো বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ ছিল বিরাটদের কাছে। কিন্তু সেই পরীক্ষাতেও সসম্মানে উত্তীর্ণ মেন ইন ব্লু। ধাওয়ানের চওড়া ব্যাটে ভর করে জোহানেসবার্গে টি-২০ সিরিজের প্রথম ম্যাচে জয়ের সরণিতে ভারত। ভারতের ২০৩ রানের জবাবে প্রোটিয়াদের ইনিংস শেষ হল রানে। ব্যাটে ধাওয়ান হলে বলে কামাল দেখালেন ভুবনেশ্বর কুমার। ২৪ রান দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচের সেরা তিনি।

DWVEJ9UXUAAvd9K

এদিন টসে জিতে ভারতকে আগে ব্যাট করতে পাঠান প্রোটিয়া অধিনায়ক জেপি ডুমিনি। দুর্দান্ত শুরু করেন দুই ওপেনার রোহিত ও শিখর। প্রথম ওভারেই ১৮ রান ওঠে। ৯ বলে ২১ রান করে আউট হন রোহিত। তারপর ক্রিজে আসেন সুরেশ রায়না। বহুদিন বাদে নীল জার্সিতে প্রত্যাবর্তন। তাই একটু স্পেশ্যাল পারফরম্যান্স আশা করছিলেন ভারতীয় সমর্থকরা। কিন্তু কোথায় কী? ১৫ রানেই শেষ হয় তাঁর ক্যামিও ইনিংস। তিনি প্যাভিলিয়নে ফিরতেই ক্যাপ্টেন কোহলি আর ধাওয়ান ইনিংসের হাল ধরেন। তবে কোহলিও (২৬) তাড়াতাড়ি ফিরে যান। এরপর মণীশ পাণ্ডে (২৯) এবং ধাওয়ান ভাল পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন। ধাওয়ান ৩৯ বলে ৭২ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে ড্রেসিংরুমে ফেরেন। ২০ ওভার শেষে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় ২০৩/৫।

জয়ের জন্য বিরাট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে মাঠে নামে দক্ষিণ আফ্রিকা। কিন্তু শুরুতেই স্মাটসকে আউট করে আঘাত হানেন ভুবি। তারপর ক্যাপ্টেন ডুমিনিও ফেরেন তাঁর বলে। ইনিংসের হাল ধরেন হেনড্রিক্স ও বেহারডিন। একটা সময় চাহাল, পাণ্ডিয়াদের নিয়ে ছেলেখেলা করছিলেন এই দুজনে। তবে চাহালের বলেই বেহারডিন (৩৯) প্যাভিলিয়নে ফিরতে পতন শুরু হয় প্রোটিয়াদের ইনিংসে। নাছোড় লড়াই দেন একা হেনড্রিক্স। করেন ৭০ রানের ভদ্রস্থ স্কোর। কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না ভুবনেশ্বর কুমারের আগুনে বোলিংকে প্রতিহত করার জন্য। ক্রিজের উলটোদিকে তখন ড্রেসিংরুমের দিকে একের পর এক ব্যাটসম্যান হাঁটা লাগিয়েছেন। জয় দেখতে পাচ্ছিলেন বিরাট। তাই আটসাঁট ফিল্ডিং সাজিয়ে আরও চাপে ফেলে দেন প্রোটিয়াদের। ফলাফল, চাপের মুখে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে লোয়ার মিডল ওর্ডার ব্যাটিং। ২০ ওভারে ১৭৫/৯ স্কোর শেষ হয় তাদের ইনিংস। কুড়ি-বিশের ক্রিকেটে ভারতীয়দের মধ্যে চাহালের পর এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়া দ্বিতীয় বোলার ভুবি। এই ফর্ম্যাটে এটাই তাঁর সেরা পারফরম্যান্স। এই সিরিজেও ভারতীয়দের অপ্রতিরোধ্যই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। টি-২০ সিরিজের শুরুতে বিরাটদের পারফরম্যান্সই সেই কথা বলে দিচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.