ভারত: ২০২/৩ (ধাওয়ান-৮০, রোহিত-৮০)
নিউজিল্যান্ড: ১৪৯/৮ (লাথাম-৩৯)
৫৩ রানে জয়ী ভারত
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “বিশ্বের স্মার্ট ক্রিকেটারদের মধ্যে তিনি অন্যতম।” বিদায়ী ম্যাচে নামার আগে আশিস নেহরা নিয়ে অধিনায়ক বিরাট কোহলির প্রতিক্রিয়া ছিল এমনটাই। সেই ছোট বয়স থেকে তাঁর খেলা দেখেছেন। কিশোর বয়সে তাঁর হাত থেকে ট্রফিও নিয়েছেন। দীর্ঘ ১৯ বছরের কেরিয়ারকে শেষমেশ বিদায় জানালেন নেহরা। এমন দিনে দলের সদস্যদের মন ভারী। কিন্তু ডিডিসিএ? বিসিসিআই? এমন স্মরণীয় দিনে তাদের অস্তিত্বই তো বোঝা গেল না। গোটা দল যেদিন নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে নেহরাকে সম্মান জানাল, সেদিন হতাশ করল ক্রিকেটের কর্মকর্তারা।
ঘরের মাঠে শেষ ম্যাচ খেলেই অবসর নেওয়ার স্বপ্ন দেখেন ক্রিকেটাররা। শচীন তেণ্ডুলকরও তাঁর ব্যাটিংয়ের শেষ ছাপ রেখে গিয়েছিলেন ওয়াংখেড়ের উইকেটেই। বুধবার সে সুযোগ পেয়েছিলেন নেহরা। ফিরোজ শাহ কোটলাতে খেলেই অবসর নেবেন ঠিক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর মাঠ যে তাঁর থেকে এভাবে মুখ ফিরিয়ে থাকবে তা ক্রিকেটপ্রেমীদেরও আশাতীত ছিল। যে পেসার দলের একাধিক ট্রফি জয়ের কাণ্ডারি, যে পেসার বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য, যে পেসার ৩৮ বছরেও তরুণদের ডাগআউটে বসিয়ে দলে সুযোগ করে নিতে পারেন, যে পেসার চোটের কাছে কখনও হার মানেননি, সেই নেহরাকে সংবর্ধনা জানানোর কোনও নামই করল না দিল্লি ক্রিকেট সংস্থা। আর ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড? সোশ্যাল মিডিয়ায় কেবল জানান দিল, বিরাট কোহলিরা নেহরাকে কীভাবে সম্মান জানাচ্ছেন। তাঁদের তরফে ফেয়ারওয়েলের জন্য কোনও বিশেষ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা হয়নি।

তবে টিম ইন্ডিয়ার সতীর্থ এবং গ্যালারিতে উপস্থিত উৎসাহী দর্শকদের থেকে তিনি যা সম্মান আর ভালবাসা পেলেন, তাতেই খুশি নেহরা। ম্যাচ শুরুর আগে ধোনি ও বিরাট একটি স্মারক তুলে দেন নেহরার হাতে। আর ম্যাচে শেষে নেহরাকে নিজেদের কাঁধে নিয়ে ঘুরলেন কোহলি-ধাওয়ানরা। ঠিক যেভাবে ২০১১ বিশ্বকাপ জিতে মাস্টার ব্লাস্টারকে তুলেছিলেন। সতীর্থ এবং সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়ে মাঠ ছাড়লেন নেহরা। তবে শেষ ম্যাচে উইকেটের খাতা আর খোলা হল না নেহরার। কিন্তু নেহরার জন্য ট্রফি জিততে এদিন বিশেষ কসরত করতে হল না ভারতীয়দের। একপেশে ম্যাচই জিতে নিলেন ধোনিরা।
[ভয়ংকর জোকার সেজে হ্যালোউইন উৎসবে মাতলেন নেইমার]
বিশ্বের এক নম্বর টি-টোয়েন্টি দল বলে কথা! কিন্তু ব্যাটে-বলে এদিনের পারফরম্যান্স বেশ নিস্তেজই ছিল উইলিয়ামসনদের। টস জিতে তাঁদের বোলিংয়ের সিদ্ধান্তটাও ফলপ্রসূ হল না। বোল্ট, সাউদিদের ধুয়ে মুছে সাফ করে দিলেন দুই ভারতীয় ওপেনার শিখর ধাওয়ান ও রোহিত শর্মা। মারকাটারি ইনিংস খেলে দুজনই ৮০ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ক্যাপ্টেন কোহলি ২৬ রানে নট-আউট থাকায় স্কোরবোর্ডে ২০০ রানের গণ্ডি পেরতে অসুবিধা হয়নি। আর কোটলার শিশির ভেজা মাঠে টি-টোয়েন্টিতে ২০২ রান তাড়া করা কিউয়িদের পক্ষে খুব একটা সহজ ছিল না। ফলে যা হওয়ার তাই হল। ম্যাচ শেষ হওয়ার অনেক আগেই জিতে বসেছিল টিম ইন্ডিয়া। দিনটা যেন শুরু থেকে শেষ ভারতীয় দলেরই ছিল। ছিল নেহরাকে বিদায় জানানোর। নিউজিল্যান্ড শুধুই ভারতের ক্রিকেট উৎসবের সাক্ষী থাকতে এসেছিল। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে কিউয়িদের হোয়াইটওয়াশের পথে একধাপ এগোল ভারত।
[কলম্বো থেকে কোটলার দৌড়, ঝলকে নেহরার নানা কীর্তি]
সর্বশেষ খবর
-
চাকরির টোপে টাকা! অনুব্রত, জীবনকৃষ্ণর বিরুদ্ধে রিপোর্ট তলব সিউড়ি আদালতের
-
ই-রিকশা হ্যাকে ৩ বছরের জেল, ৫ লক্ষ জরিমানা! চিনা অ্যাপের কারসাজি রুখতে কড়া কেন্দ্র
-
‘ভালোবাসা কখনও…’, আমিরকে বিয়ের শুভেচ্ছা জানিয়ে সলমনের জন্য মন কেমন ‘প্রাক্তন’ সোমির!
-
চার্জে বসানো পাওয়ার ব্যাঙ্ক ফেটে পুড়ল ইউটিউবারের ঘর, জেনে নিন কীভাবে সাবধান হবেন
-
সিনেমা ও ওটিটি’র কনটেন্ট চুরি! কেন্দ্রের রোষে টেলিগ্রাম, ১৫ দিনের মধ্যে জবাব তলব