Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

ওয়ার্ম আপ ম্যাচে ভারতের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল বাংলাদেশ

এই ম্যাচের স্মৃতি বহুদিন দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করবে পদ্মা নদীর দেশকে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০১৭, ১৬:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩০, ২০১৭, ১৬:০১

options
link
ওয়ার্ম আপ ম্যাচে ভারতের সামনে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল বাংলাদেশ zoom

ভারত- ৩২৪ (কার্তিক ৯৪, পাণ্ডিয়া ৮০, রুবেল হোসেন ৩/৫০)

বাংলাদেশ- ৮৪ (মেহেদি হাসান মিরাজ ২৪, ভুবনেশ্বর কুমার ৩/১৩)

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ভারত ২৪০ রানে জয়ী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হোক না গা ঘামানোর ম্যাচ। কিন্তু তাই বলে তো শত্রুপক্ষকে জমি ছাড়া যায় না। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ঢাকে কাঠে পড়ার আগে ওয়ার্ম ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ। তারুণ্যে ভরা, প্রাণবন্ত বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম। কিন্তু এই ম্যাচের স্মৃতি বহুদিন দুঃস্বপ্নের মতো তাড়া করবে পদ্মা নদীর দেশকে। চরম লজ্জা বললেও কম। ভারতের বিশাল ৩২৪ রানের জবাবে ২৩.৫ ওভারে মাত্র ৮৪ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশের ইনিংস। বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করলেন উমেশ যাদব, ভুবনেশ্বর কুমাররা। এই খেলা দেখে বাংলাদেশি ভক্তদের মনেও প্রশ্ন জাগতে পারে, না জানি টুর্নামেন্ট শুরু হলে কপালে কী দুঃখ আছে।

[জানেন, নিজের বায়োপিকের জন্য কত টাকা নিয়েছেন শচীন?]

টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশ। ওভালের এমন মেঘলা, স্যাঁতস্যাতে আবহাওয়ায় বল দুর্দান্ত সুইং করছিল। রুবেল, মুস্তাফিজুর, তাসকিনদের সুইংয়ে ধাওয়ান, রোহিতরা ডরাবে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু বাস্তবে হয়েছে তার উল্টো। রোহিত ১ রানে ফিরে গেলেও চালিয়ে খেলেছেন ধাওয়ানরা। সবচেয়ে বেশি রান করেছেন দীনেশ কার্তিক। আহত হয়ে মাঠ ছেড়ে ৬ রানের জন্য শতরান মিস করেছেন। হার্দিক পাণ্ডিয়া ৮০ এবং ধাওয়ান ৬০ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেছেন। রুবেল ছাড়া বাংলাদেশের কোনও বোলার ভারতের ইনিংসে দাঁত ফোটাতে পারেননি। তিনি নেন ৩ উইকেট। ৩২৪ রানের বিশাল রান বাংলাদেশের সামনে রাখে ভারত।

[ভারতে নিজেকে বেশি নিরাপদ মনে হয়, জানালেন পাকিস্তানি ফ্যান ‘চাচা শিকাগো’]

রান তাড়া করতে নেমে ব্যাপক বিপর্যয় হয় বাংলাদেশের ইনিংসে। একমাত্র তিনজন দুই অঙ্কের রান করতে পেরেছেন। একটা সময় ২২ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় বাংলাদেশের। শেষদিকে মেহেদি হাসান ও সুনজামুল ইসলাম চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু সেই লড়াই বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। সমুদ্রের ঢেউয়ের সামনে বালির প্রাসাদের মতো ভেঙে পড়ে বাংলাদেশি ব্যাটিং লাইন আপ। ভুবনেশ্বর ও উমেশ দুজনেই তিনটি করে উইকেট নেন। শামি, বুমরাহ, পাণ্ডিয়া ও অশ্বিন একটি করে। আরও লজ্জার হাত থেকে বাংলাদেশ কে বাঁচান মেহেদি। ২৪ রান আসে তাঁর ব্যাট থেকে। ৪ জুন পাকিস্তানের মুখোমুখি হওয়ার আগে বাংলাদেশকে ধরাশায়ী করে বাড়তি মনোবল পেয়ে গেলেন বিরাটরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.