Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

ভাঙাচোরা রাজস্থানের বিরুদ্ধে আজ ফেভরিট কেকেআরই

ফর্ম এবং শক্তির বিচারেও রাজস্থানের থেকে বেশ খানিকটা এগিয়ে কলকাতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০১৮, ১০:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৩, ২০১৮, ১০:২৬

options
link
ভাঙাচোরা রাজস্থানের বিরুদ্ধে আজ ফেভরিট কেকেআরই zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল: ইডেনে রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে আইপিএলের এলিমিনেটরে নামার আগে কয়েক ধাপ এগিয়েই শুরু করবে কলকাতা নাইট রাইডার্স। তাঁর কারণ মূলত তিনটি, প্রথমটি অবশ্যই হোম অ্যাডভান্টেজ। ঘরের মাঠে রাজস্থানের বিরুদ্ধে অপ্রতিরোধ্য নাইট রাইডার্স। তাঁর উপর থাকছে ইডেনের স্টেডিয়ামভর্তি দর্শকের সমর্থন। সব ঠিক থাকলে ক্রিকেটের নন্দনকাননে দীনেশ কার্তিকদের জন্য গলা ফাটাবেন প্রায় ৬৫ হাজার দর্শক। চাপের ম্যাচে গোটা স্টেডিয়ামের সমবেত চিৎকার যে নাইটদের মনোবল বাড়াবে তা বলাই বাহুল্য। তাছাড়া দলের শক্তি বুঝে পিচের চরিত্র বদলের সুবিধা তো রয়েইছে।

[রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে হায়দরাবাদকে হারিয়ে আইপিএলের ফাইনালে ধোনি অ্যান্ড কোং]

দ্বিতীয় কারণটি রাজস্থান রয়্যালসের ভাঙাচোরা দল। যদি, প্রশ্ন করা হয় কার দৌলতে গ্রুপ পর্বের গণ্ডি পেরিয়ে প্লে অফে পৌঁছল একসময় টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যেতে বসা রাজস্থান রয়্যালস, উত্তরটা অবশ্যই জোস বাটলার। টুর্নামেন্টের শুরুটা ভাল না করলেও শেষদিকে, ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরছিলেন ইংল্যান্ডের ওপেনার বেন স্টোকসও। কিন্তু মহা গুরুত্বপূর্ণ প্লে-অফের ম্যাচে দলের অন্যতম সেরা দুই ক্রিকেটারকেই পাচ্ছে না রয়্যালস। জাতীয় দলে খেলার জন্য তাদের দেশে ফিরে যেতে হয়েছে। বাটলার বা স্টোকসের পরিবর্ত হিসেবে যারা খেলছেন তারা এখনও সেভাবে নজর কাড়তে পারেননি টুর্নামেন্টে।

Advertisement

[প্লে-অফের আগে জমজমাট মহিলাদের টি-টোয়েন্টি, মান্দানাদের হারালেন মিতালিরা]

তৃতীয় কারণ মানসিক চাপ এবং পরিসংখ্যান। পরিসংখ্যান বলছে ইডেনে নাইটদের বিরুদ্ধে রয়্যালসের রেকর্ড মোটেই সুখকর নয়।  ঘরের মাঠে রাহানেদের বিরুদ্ধে শেষ ছটি ম্যাচে জিতেছে কেকেআর। এই মরশুমেও দুটি ম্যাচের কোনওটিতেই দীনেশ কার্তিকদের সামনে দাঁড়াতে পারেনি শেন ওয়ার্নের ছেলেরা। শেষ ম্যাচে ইডেনে ভাল শুরু করেও শেষমেশ কেকেআর স্পিনারদের সামনে মাথা নত করে রাজস্থানের মিডল-অর্ডার। তবে, চাপের মধ্যে রয়্যালসের স্বস্তি এখনও পর্যন্ত আইপিএলে সব মিলিয়ে যে ১৮ বার মুখোমুখি হয়েছে দুটি দল তাঁর মধ্যে ৯টিতে জিতেছে রয়্যালস আর ৮টি জিতেছে কলকাতা।

[জমকালো সমাপ্তি অনুষ্ঠানের পরই আইপিএল ফাইনাল, মঞ্চ মাতাবেন কারা?]

ফর্ম এবং শক্তির বিচারেও রাজস্থানের থেকে বেশ খানিকটা এগিয়ে কলকাতা। কেকেআরের হাতেই রয়েছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে স্থিতিশীল ব্যাটিং লাইন-আপ। কেকেআর ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দুর্দান্ত ফর্মে দীনেশ কার্তিক এবং ক্রিস লিন। দুজনেই টুর্নামেন্টে চারশোর বেশি রান করে ফেলেছেন। কলকাতার ৬ জন ব্যাটসম্যান ২৫০-র বেশি রান করে ফেলেছেন এই টুর্নামেন্টে। অন্যদিকে, বাটলার ছাড়া রাজস্থানের আর কোনও ব্যাটসম্যানই সেভাবে নজর কাড়েননি টুর্নামেন্টে। শুরুর দিকে সঞ্জু স্যামসন এবং অজিঙ্ক রাহানে ভাল খেললেও ধারাবাহিকতার অভাব ভুগিয়েছে তাদের। দুর্দান্ত ফর্মে থাকা কুলদীপ যাদব, সুনীল নারিনদের সামনে তাঁরা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দিহান অনেকেই।

[মেসির কাঁধে ভর করেই বিশ্বজয়ের স্বপ্ন, দল ঘোষণা আর্জেন্টিনার]

পরিস্থিতি অনুকুল থাকলেও কিন্তু নক-আউট ম্যাচে প্রতিপক্ষকে দুর্বল ভাবতে নারাজ নাইট শিবির। নিজেদের ফেভরিট তকমা দিতেও রাজি নন অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। তাঁর মতে, প্রতিটা ম্যাচ সমান গুরুত্ব দিয়ে খেলা উচিত। প্লে অফের মতো গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে পুরনো রেকর্ড বা ফর্ম কোনওটিই গুরুত্বপূর্ণ নয়। তাছাড়া আন্ডারডগ রাজস্থান রয়্যালস যে বিপজ্জনক প্রতিপক্ষ হয়ে উঠতে পারে তা প্রথম আইপিএলে প্রমাণ করেছিলেন দলের বর্তমান মেন্টর তথা প্রাক্তন অধিনায়ক শেন ওয়ার্ন। অজিঙ্ক রাহানে, হেনরিখ ক্লাসেন, সঞ্জু স্যামসনরা যদি ঘুরে দাঁড়ান তাহলে বিপদে পড়ে যেতে পারে কেকেআরও। তবে, এসব অঙ্কই ধুয়ে মুছে সাফ করে দিতে পারে বৃষ্টি।কলকাতার আকাশের যা অবস্থা তাতে ইডেনের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ বাতিল হয়ে যেতে পারে বরুণদেবের রোষে পড়ে, হাওয়া অফিসের পুর্বাভাস তাই বলছে। গতকাল থেকেই দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে শহর কলকাতায়, গতকাল অনুশীলন করতে পারেনি কোনও দলই, একই সম্ভাবনা রয়েছে আজও। তবে, বৃষ্টিতে ম্যাচ বাতিল হলেও চিন্তার কিছু নেই কেকেআর সমর্থকদের। কারণ সেক্ষেত্রে পয়েন্ট টেবিলে উপরের দিকে থাকার দরুন কোয়ালিফায়ার টু তে খেলার সুযোগ পাবে তারাই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.