Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

বেল-রোনাল্ডো যেন মহাকাব্যিক চরিত্র

ফরাসি মিডিয়ার কাছে এখন পর্তুগাল বনাম ওয়েলসের সেমিফাইনালের লড়াই হয়ে উঠেছে হট কেক৷ এই ম্যাচের প্রচার যেন বেশি করে করতে চাইছে তারা৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৬, ১৫:০৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০১৬, ১৫:০৮

options
link
বেল-রোনাল্ডো যেন মহাকাব্যিক চরিত্র zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একজন ‘গোল্ডেন’ বয়৷ হাতে দশ হাজার ইউরোর ঘড়ি, চোখে দু’হাজার ইউরোর সানগ্লাস, কোমরে পাঁচশো ইউরোর ঝকঝকে বেল্ট৷ পাশে এসে দাঁড়ালে মনে হবে কোনও রাজপুত্রের আগমন হল৷ আরেকজন ‘বয় নেক্সট ডোর’৷ তিনিও রেকর্ড অর্থের মালিক৷ তবে একটু হলে সাদামাটা৷ এখনও পা-টা মাটিতে রেখে চলেছেন৷

বয় টু নেক্সট ডোর-এর পা এখন মাটিতে থাকার কথা নয়৷ ইউরোতে তিনি তারকা৷ ওয়েলসের মানুষের কাছে মাসিহার মতো৷ গ্যারেথ বেল তবুও জানেন, আসল লড়াইটা এখনও বাকি৷ সেখানে পাস করতে না পারলে সব লড়াই বৃথা৷ গোল্ডেন বয় রোনাল্ডোর সঙ্গে কিন্তু তাঁর মাদ্রিদেও একটা লড়াই চলে৷ রিয়াল রেকর্ড অঙ্কে সই করিয়েছিল বেলকে৷ তার পর থেকেই রোনাল্ডোর সঙ্গে তাঁর লড়াই শুরু৷ সেই লড়াই অবশ্য চোখে দেখা যায় না৷ তবে টের পান রিয়ালের সমর্থকরা৷ এবার সেই লড়াই সোজা ফ্রান্সে৷ ইউরো কাপের সেমিফাইনালে৷ গোল্ডেন বয় রোনাল্ডো কোনওমতেই জায়গা ছাড়বেন না৷ বেলও পিছিয়ে পড়তে রাজি নয়৷

Advertisement

ফরাসি মিডিয়ার কাছে এখন পর্তুগাল বনাম ওয়েলসের সেমিফাইনালের লড়াই হয়ে উঠেছে হট কেক৷ এই ম্যাচের প্রচার যেন বেশি করে করতে চাইছে তারা৷ তাতে নিজেদের দলের প্রচারে বাধা পড়লেও ক্ষতি নেই৷ এখন ফ্রান্সজুড়ে সব থেকে বেশি প্রচার পাচ্ছে রোনাল্ডো-বেলের লড়াই৷ তার জন্য পোস্টারও বানিয়েছে তারা৷ মহাকাব্যিক লড়াইয়ের মতো চেহারা দিতে চাইছে তারা৷ তার জন্য সেই পোস্টারে লেখা হয়েছে ‘জাজমেন্ট ডে৷’ বেল-রোনাল্ডো সেখানে মহাকাব্যিক চরিত্রের মতো৷ ব্যাপারটা আদতে যেন ফ্রেঞ্চ ক্লাসিক-এর মতো৷ পুরো বিষয়টাকে একটা নাটকের চেহারা দেওয়া হয়েছে৷

ronaldo

বড় ম্যাচের দু’দিন আগে রোনাল্ডো বরাবরের মতো ফুরফুরে৷ ফ্রান্সে তাঁকে নিয়ে উন্মাদনাও চরমে৷ রোনাল্ডোর আবার একটি গুণ হল, ভক্তদের কখনও হতাশ করেন না৷ এদিনও একজন মহিলা সমর্থক নিরাপত্তার বেড়াজাল টপকে চলে এসেছিলেন রোনাল্ডোর কাছে৷ আবদার ছিল, নিজের ফোনে রোনাল্ডোর সঙ্গে একটি সেলফি তুলবেন৷ ততক্ষণে নিরাপত্তাকর্মীরা তাঁকে ঘিরে ফেলেছেন৷ ধবস্তাধবস্তিও শুরু হয়ে গিয়েছে৷ রোনাল্ডো নিজেই থামিয়ে দিলেন পুলিশকর্মীদের৷ সেলফি হল৷ আনন্দে কেঁদে ফেললেন মেয়েটি৷ শুধু সেলফি নয়, সমর্থকদের বাড়িয়ে দেওয়া বলে সইও বিলোলেন দেদার৷ পরিস্থিতি যেন বুঝিয়ে দিচ্ছিল, কেন তিনি রোনাল্ডো! কেন তাঁকে নিয়ে এত উন্মাদনা! কেন তিনিই ফুটবলের গোল্ডেন বয়!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.