সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর শাড়ি পরা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ভাইরাল৷ শুধু ছবিই নয়, তাঁর উন্মুক্ত পিঠ নিয়েও চর্চার শেষ নেই৷ প্রথমে বিষয়টিকে বিশেষ পাত্তা দেননি তিনি৷ কিন্তু এ ধরনের মন্তব্য নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে অবশেষে মুখ খুললেন জোয়ালা গুট্টা৷

টুইটার, ইনস্টাগ্রামের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর পোশাক ও শরীর নিয়ে চলতে থাকা চর্চায় স্ম্যাশ হানলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা৷ অর্জুন পুরস্কার প্রাপক জোয়ালার মতে, সমাজের কিছু মানুষের হীনমন্যতাই উন্নতির পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়৷ তাদের কাছে মহিলারা শুধুই পণ্য৷ শরীর ছাড়া নারীদের আর কোনও অস্তিত্ব নেই৷ তাদের পারফরম্যান্স, দক্ষতা, সাফল্য সবই গৌণ৷ “এই সব ঠাট্টা যারা করে তারা ভুলেই যায়, যে আমরাও বাকি পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতোই৷ যে নিজেকে সুন্দরভাবে তুলে ধরতে চায়৷ এর মানে এই নয়, যে আপনি কোনও আপত্তিকর শব্দ আমার সঙ্গে জুড়ে দেবেন৷ ছবিতে এ ধরনের কমেন্ট দেখলে আমার পরিবারের লোকেদেরও খারাপ লাগে৷” বলেন গুট্টা৷

ঘটনার সূত্রপাত হায়দরাবাদি শাটলারের শাড়ি ও লেহেঙ্গা পরা ছবি পোস্ট থেকে৷ সম্প্রতি এক ডিজাইনারের তৈরি পোশাক পরা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন তিনি৷ সেই ছবি দেখে একজন লেখেন, “সেক্সি৷ কিন্তু ইনি কি পর্নস্টার? না অভিনেত্রী? নাকি খেলোয়াড়?” এরপর ছবিতে এ ধরনের আরও কিছু কমেন্ট পড়ে৷

কমনওয়েলথ সোনাজয়ী জোয়ালা বলেন, “পাঁচ বছর আগে ছবিতে এসব কমেন্ট দেখলে আমি ছবিগুলি ডিলিট করে দিতাম৷ মন খারাপ হয়ে যেত৷ সেই পরিস্থিতিটা কাটিয়ে এখন উঠেছি৷ এখন আর এসব আমায় প্রভাবিত করে না৷ আমি নিজের জন্য সাজগোজ করি৷ অন্যরা কী ভাবল, তা নিয়ে আমার কোনও মাথা ব্যথা নেই৷ আর সমাজের এ ধরনের মানুষদের মুখ কীভাবে বন্ধ করতে হয় তা আমার ভালই জানা আছে৷” গুট্টার প্রশ্ন, ”আচ্ছা, ক্রীড়াজগতের কোনও পুরুষ নিজের শরীরের ছবি পোস্ট করলেও কি এই সব কমেন্টই করা হয়?”
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে