Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
কান্নন

হৃদরোগে আক্রান্ত কান্নন, ‘এশিয়ান পেলে’র সঙ্গে দেখা করলেন লক্ষ্মীরতন

তাঁর আরোগ্য কামনা করছে কলকাতার ফুটবল মহল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০১৯, ২২:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০১৯, ২২:০৩

options
link
হৃদরোগে আক্রান্ত কান্নন, ‘এশিয়ান পেলে’র সঙ্গে দেখা করলেন লক্ষ্মীরতন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রবিবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন কিংবদন্তি ফুটবলার পুঙ্গম কান্নন। ভারতীয় ফুটবলে যিনি ‘এশিয়ান পেলে’ নামে সুপরিচিত। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরের বাঁ-দিক অবস হয়ে পড়ে দমদমের বাসিন্দা কান্ননের। কথাও বন্ধ হয়ে গিয়েছে তাঁর। এমন দুর্দিনে চূড়ান্ত আর্থিক সংকটে ভুগছেন তিনি ও তাঁর পরিবার। প্রাক্তন ফুটবলারের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা।

[আরও পড়ুন: কবে বিশ্বকাপের দল ঘোষণা? জানিয়ে দিল বিসিসিআই]

রবিবার দুপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হন কান্নন। খবর পেয়েই স্থানীয় কাউন্সিলর সঞ্জয় দাসের অনুগামীরা দেখা করতে যান তাঁর বাড়িতে। তারপরই তড়িঘড়ি তাঁকে তেঘরিয়ার একটি বেসরকারি নার্সিং হোমে ভরতি করা হয়। চিকিতসকরা জানান, স্ট্রোকের ফলে তাঁর শরীরের বাঁ-দিক অবস হয়ে গিয়েছে। এমনকী কথাও বলতে পারছেন না তিনি। দিন কয়েক আগেই এই হাসপাতালেরই উদ্বোধন করেছিলেন কান্নন ও পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছিল, ভবিষ্যতে এখানে কান্নন ও পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের চিকিৎসা হবে সম্পূর্ণ নিখরচায়। সেই কারণেই সেখানে ভরতি করা হয় তাঁকে। তবে আনুষঙ্গিক খরচের কথা ভেবে চিন্তিত তাঁর পরিবার। ইতিমধ্যেই তাঁর শরীর স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন বাংলার ক্রিকেটার লক্ষ্মীরতন শুক্লা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগের খোলাখুলি উত্তর দিলেন সৌরভ]

১৯৬৬ সালের ব্যাংকক এশিয়ান গেমসে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। মোহনবাগানের জার্সি গায়ে প্রায় আট বছর খেলেন কান্নন। খেলেছেন ইস্টবেঙ্গল ও মহমেডানেও। গতবছর অক্টোবর থেকেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যায় পা ফুলে গিয়েছিল। হাঁটতেও পারতেন না ভাল করে। পরিবার আর্থিক সমস্যায় ভোগায় সেভাবে চিকিৎসাও করাতে পারেননি পরিবার। সেই সময় মোহনবাগান ক্লাবের সচিব স্বপনসাধন বসু পঞ্চাশ হাজার টাকা আর্থিক সাহায্য করেছিলেন। মোহনবাগান ফ্যান ক্লাবগুলিও এগিয়ে এসেছিল। পরিবারের আশা, এবারও কিছু না কিছু ব্যবস্থা হয়ে যাবে। তাঁর আরোগ্য কামনা করছে কলকাতার ফুটবল মহল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.