Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মিনার্ভাকে হারিয়ে ডার্বির হতাশা মুছলেন হেনরিরা

লিগ তালিকায় ৬ নম্বরে উঠে এল মোহনবাগান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮, ১৬:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৮, ১৬:২৭

options
link
মিনার্ভাকে হারিয়ে ডার্বির হতাশা মুছলেন হেনরিরা zoom

মিনার্ভা পাঞ্জাব: ০

মোহনবাগান: ১ (হেনরি)

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মরশুমের প্রথম আই লিগ ডার্বিতে হার। তারপরের দিনই চণ্ডীগড় পৌঁছতে সময় লেগে গিয়েছিল প্রায় বারো ঘণ্টা। তার উপর পাঞ্জাবের কনকনে ঠান্ডা। আবার চোটের কারণে মিনার্ভা ম্যাচেও দলে না থাকা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল সোনি নর্ডির। সবকিছুই যেন ছিল মোহনবাগানের বিপক্ষে। কিন্তু সেসব হতাশার প্রভাব মাঠে পড়তে দিলেন না ডিকা-হেনরিরা। গতবারের চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ডার্বির হতাশা মুছে ফেললেন শংকরলাল চক্রবর্তীর ছেলেরা।

[আইপিএলে দাম পেলেন দেড় কোটি টাকা, বিরাটের সঙ্গে খেলবেন বাংলার প্রয়াস]

তিন পয়েন্ট না হলেও অ্যাওয়ে ম্যাচ থেকে অন্তত এক পয়েন্ট চাই-ই চাই। এই লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছিলেন সবুজ মেরুন ব্রিগেড। কিন্তু ডিকা, ইউটা, ওমরদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ অন্য কথা বলছিল। ডার্বিতে ভাল খেলেও হারতে হয়েছিল। সেই হতাশার ভূতই যেন তাড়া করে বেড়াচ্ছিল ফুটবলারদের। এদিন মিনার্ভার ডেরায় ঘনঘন আক্রমণ হেনে সেই সব হতাশা আর ক্ষোভই যেন উগরে দিচ্ছিলেন ডিকা-হেনরিরা। প্রথমার্ধ থেকেই বিপক্ষকে চাপে রেখেছিল মোহনবাগান। দ্বিতীয়ার্ধে হেনরির একটিমাত্র দুর্দান্ত গোলে জয় এল ঠিকই, কিন্তু আরও বড় ব্যবধানে জিততেই পারত শংকরলালের দল। হেনরির একটি শট বারে লেগে ফেরে। তার আগে আবার ফাঁকা এলাকা পেয়েও ডিকার হেড গোলমুখ খুলতে ব্যর্থ হয়। একটি নিশ্চিত গোল মিস করেন আজহারও। তবে লাগাতার অ্যাটাকেই তিন পয়েন্ট নিশ্চিত হয় গঙ্গাপারের ক্লাবের। এদিনও অবশ্য় বিতর্কের ঊর্ধ্বে রইল না রেফারিং। ইউটা হ্য়ান্ডবল করেছেন জানিয়ে বিপক্ষকে ফ্রি-কিক উপহার দেন রেফারি। তবে সেটি কোনওভাবেই হ্য়ান্ডবল ছিল না বলেই মনে করছে বাগান শিবির।

[একসময় ক্রিকেটই ছেড়ে দিয়েছিলেন আইপিএলের সবচেয়ে দামি তারকা বরুণ চক্রবর্তী]

আই লিগের শুরুতে হোঁচট খেলেও ধীরে ধীরে ছন্দ ফিরে পাচ্ছিল মিনার্ভা। ইস্টবেঙ্গলের ঘরের মাঠেই তাদের পরাস্ত করেছিল রঞ্জিত বাজাজের দল। স্বাভাবিকভাবেই তাই প্রতিপক্ষকে সমীহ করেই চলছিলেন শংকরলাল। বিশেষ করে তাদের অ্যাটাকিং লাইনকে। কিন্তু ওমর-আজহাররা এদিন যেন জয়ের জন্য নাছোড়বান্দা হয়ে উঠেছিলেন। ডার্বিতে হারের পর এই জয়ই যে বাগান শিবিরে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দিল, তা বলাই যায়। ৮ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে লিগ তালিকার ছয় নম্বরে উঠে এল সবুজ মেরুন। এক ম্যাচ কম খেলে একই পয়েন্টে পাঁচ নম্বরে রয়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.