Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬

ডিকার জোড়া গোলে আই লিগে জয়ের সরণিতে মোহনবাগান

পয়া কটকেই ইন্ডিয়ান অ্যারোজের বিরুদ্ধে জয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৮, ০১:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০১৮, ০১:৫৯

options
link
ডিকার জোড়া গোলে আই লিগে জয়ের সরণিতে মোহনবাগান zoom
Advertisement

ইন্ডিয়ান অ্যারোজ- ০

মোহনবাগান- ২ (ডিকা ২)

Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উত্তুরে হাওয়ায় গতি বাড়তেই বাগানে ফুল ফোটা শুরু। বঙ্গে শীতের আমেজের মতোই চলতি আই লিগে জয়ের সরণিতে ফিরল মোহনবাগান। ডিকার জোড়া গোলে লিগে প্রথম জয় পেল গঙ্গাপাড়ের ক্লাব। কটকের বরাবাটি স্টেডিয়াম যে সবুজ-মেরুন শিবিরের জন্য পয়া তা শনিবার ফের প্রমাণিত হল। ইন্ডিয়ান অ্যারোজকে হারিয়ে পুরো তিন পয়েন্ট নিয়ে ঘরে ফিরছে মোহনবাগান। স্বস্তিতে কোচ শংকরলাল চক্রবর্তী।

[যুবভারতীতে আজ পুণের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া এটিকে]

কোনও সন্দেহ নেই যে ধারে-ভারে অ্যারোজের চেয়ে অনেকটাই এগিয়ে ছিল মোহনবাগান। তারকাতে ঠাসা সবুজ-মেরুন শিবির। সোনি নর্ডি থেকে শুরু করে ডিকা-হেনরি, শিলটন, কে নেই! সবচেয়ে বড় কথা ৬ জন বিদেশি রয়েছে দলে। সেখানে অ্যারোজে রহিম আলি, জিনসন সিংদের মতো তরুণরাই ভরসা। কোনও বিদেশি নেই। এদিন বিদেশি ডিকাই পালতোলা নৌকাকে বাওয়ালেন বলা যায়। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটের মাথায় দু’জনকে ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের মধ্যে হেনরি বল ভাসিয়ে দেন ডিকার উদ্দেশ্যে। সাজানো বলে উড়ন্ত হেডারে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন ডিকা। বিরতির ঠিক আগেই বক্সের মধ্যে হ্যান্ডবল করে অ্যারোজ। পেনাল্টিতে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়ান সেই ডিকা। ম্যাচে জোড়া গোল। স্বস্তি তাঁরও। আইজল ম্যাচে সোনি গোল পাওয়ায় একটু চাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছিল তাঁর মধ্যে। এদিন দলের জয়ে বড় ভূমিকা নিলেন তিনি।

[কটকে আজ জয়ের সরণিতে ঢুকতে মরিয়া মোহনবাগান]

কোচ শংকরলাল চক্রবর্তী আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিন পয়েন্টের লক্ষ্যেই তিনি ওড়িশায় পৌঁছেছেন। বাস্তব এটাই, মোহনবাগান আগের দু’টো ম্যাচ ড্র করলেও ভালই খেলেছে। আসলে সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে গিয়ে ছ’য়ের বদলে তাদের সম্বল ছিল দু’পয়েন্ট। তাই জয়টা ভীষণ জরুরি ছিল। আগের ম্যাচে ন’মাস পরে গোল পেয়েছেন সোনি নর্ডি। এদিন তাই দ্বিতীয়ার্ধেই তাঁকে মিশরের ওমরের পরিবর্তে নামান কোচ। বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করেন তিনি বাঁ-দিক থেকে। তাঁর পায়ে বল গেলেই খাটুনি বাড়ছিল অ্যারোজের ফুটবলারদের। সোনিকে দেখে বোঝা যাচ্ছে, পুরোপুরি ছন্দে ফিরে এসেছেন তিনি। যা মুখে হাসি ফোটাবে কোচ ও দলের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.