BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

দেশের প্রথম গোলাপি বলের ম্যাচ জিতে ইতিহাসে মোহনবাগান

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 22, 2016 8:44 am|    Updated: June 22, 2016 8:44 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: জনা একশো সমর্থকের মাঝে মহম্মদ সামি ততক্ষণে হাইজ্যাক হয়ে গিয়েছেন৷ দু-একজন চেঁচিয়ে বলছেন, “আরে ওকে ছেড়ে দে-রে৷” কিন্তু কে শোনে কার কথা!

মোহনবাগান পতাকা হাতে ইডেনের বাইরে কয়েকশো সমর্থকের কোরাস– ইডেনে মোহনবাগান…গুয়াহাটিতে মোহনবাগান…সবার আগে মোহনবাগান৷ ইদানীং এসব ফুটবল মাঠে শোনা যেত৷ কিন্তু সুপার লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সে দৃশ্য দেখলেন মোহনবাগানের ক্রিকেটাররাও৷ সামিকে দেখে বোঝা যাচ্ছিল, তিনিও বেশ উপভোগ করছেন৷ ওইরকম ভিড়েও তাই এতটুকু বিরক্তি নেই৷ যা দেখে ক্লাব ক্রিকেট সচিব সম্রাট ভৌমিক বললেন, “সত্যিই ভাবতে পারছি না, ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরও এরকম হতে পারে৷ এই কৃতিত্ব ক্রিকেটার, কোচের৷”

সত্যিই তো, মঙ্গলবারের ইডেন অনেক কিছুর সাক্ষী হয়ে রইল৷ খেলা শেষে আন্তর্জাতিক ম্যাচের মতো পিছনে বড় ফ্লেক্স৷ সিএবি কর্তাদের উপস্থিতিতে ক্রিকেটারদের স্মারক ‌দেওয়া হচ্ছে৷ কাপ তুলে দেওয়া হল মোহনবাগান অধিনায়ক শুভময় দাসের হাতে৷ ক্লাব ক্রিকেটও যে এত জাঁকজমকভাবে হতে পারে, কোন কালে কে ভেবেছিল! পুরো কৃতিত্বও ওই একজনের৷ সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়৷ মোহনবাগন ক্রিকেট সচিব তাই বলে গেলেন, “দারুণভাবে একটা টুর্নামেণ্ট হল৷ পুরো কৃতিত্ব সৌরভের৷

সুপার কাপে মোহনবাগন যে চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে, সেটা দিন দুয়েক আগেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল৷ শুধুমাত্র দেখার ছিল ব্যবধান কত হয়৷ শেষমেশ ২৯৬ রানে জয়৷ ইডেনের জায়াণ্ট স্ক্রিনে বড় বড় করে ভেসে উঠেছে–‘চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান৷’ ক্রিকেটাররা সেলিব্রেশনে ব্যস্ত৷ প্রায় তিন বছর পর আবার ত্রিমুকুট৷ ঋদ্ধিমান সাহা যেমন বলে গেলেন, “ভাল একটা অভিজ্ঞতা৷ প্রথমত গোলাপি বলে ম্যাচ৷ তারপর বেশ কয়েকবছর পর ক্লাব তিনটে ট্রফি পেল৷” আর ক্রিকেট সচিবের বক্তব্য, “দেখুন শেষ কয়েক বছর ধরে ট্রফি আসছিল না৷ তবু আমি এই ক্রিকেটারদের উপর ভরসা রেখেছিলাম৷ দলে তেমন পরিবর্তন করিনি৷ সেটা আজ ওরা দেখিয়ে দিয়েছে৷ দারুণ খুশি আমি৷” দেশের প্রথম গোলাপি বলের ম্যাচে জয়ী দল হিসাবে নাম থাকবে মোহনবাগানের৷

প্রথম ইনিংসে সামির পাঁচ উইকেটের পর এবার বিবেক সিং৷ দ্বিতীয় ইনিংস তাঁর ঝুলিতেও পাঁচ উইকেট৷ ভবানীপুর শেষ ১৯৯ রানে৷ সবচেয়ে বড় কথা গ্রূপ লিগে ইস্টবেঙ্গল, কালীঘাটের মতো দলকে হেলায় হারানো৷ আনন্দের মাত্রটা তাই আরও বেশি৷ তবে তা হওয়ার সব মঙ্গলবার পর্যন্তই৷ কারণ বুধবার থেকে আবার নতুন মিশন৷ এবার লক্ষ্য পি সেন৷

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement