Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ ভাদ্র ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২৩ আগস্ট ২০২৬
Chess

ভারতে ঢোকার ছাড়পত্র পেলেন না কালো তালিকাভুক্ত বাংলাদেশি দাবাড়ু, ফেরানো হল দেশে

ঠিক কী কারণে তাঁকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৫, ২০:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৫, ২০:৫৬

options
link
ভারতে ঢোকার ছাড়পত্র পেলেন না কালো তালিকাভুক্ত বাংলাদেশি দাবাড়ু, ফেরানো হল দেশে zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: তাঁর বয়স ৮০। নাম সাইদা জসিমুন্নেসা খাতুন। অশীতিপর এই দাবাড়ুকে লোকে চেনেন রানি হামিদ নামে। তাঁর লক্ষ্য ছিল দিল্লি আন্তর্জাতিক ওপেন গ্র্যান্ডমাস্টার্স দাবা প্রতিযোগিতার ২১তম সংস্করণে অংশগ্রহণ করা। সেই কারণে সফরসঙ্গী আশিয়াকে নিয়ে দিল্লি আসেন তিনি। কিন্তু দিল্লি বিমানবন্দরে দেখা গেল, তিনি ছাড়পত্র পেলেও ভারতে ঢোকার অনুমতি পেলেন না তাঁর সতীর্থ আশিয়া। 

ঠিক কী কারণে আশিয়াকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে? তাঁর বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করার অভিযোগ। একাধারে জসিমুন্নেসার সহকারীও এই আশিয়া। বহু প্রতিযোগিতাতেই তাঁরা একসঙ্গে খেলেন। তাছাড়াও ৩৭ বছরের আশিয়া ‘বৃদ্ধা’ দাবাড়ুকে দেখভালও করেন। জানা গিয়েছে, তাঁরা নির্বিঘ্নেই দিল্লি পৌঁছেছিলেন। কিন্তু দিল্লি বিমানবন্দরেই সমস্যা তৈরি হয়। তাঁদের ভারতে প্রবেশের ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি। তাঁদের বাংলাদেশ ফিরে যেতে বলা হয়। কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়, আশিয়ার নাম ভারতের ফরেনার্স রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসের কালো তালিকায় থাকার কথা। তিনি গত বার ভারতে এসেছিলেন মেডিক্যাল ভিসা নিয়ে। মেডিক্যাল ভিসা নিয়েই তিনি কলকাতায় দাবা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তারপর তিনি দেশে ফেরেন। আর এতেই তিনি কালো তালিকাভুক্ত হয়ে পড়েন।

Advertisement

ফলস্বরূপ, তাঁকে রাতারাতি বিমানবন্দর ইমিগ্রেশন সেন্টারে আটকে দেওয়া হয়েছিল। এমনকী তাঁকে ব্যাগপত্রও নিতে দেওয়া হয়নি। পরের দিনই বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল তাঁকে। এই প্রসঙ্গে হামিদ বলেন, “আমার খুবই খারাপ লেগেছে। আমার সঙ্গীকে ভারতে ঢুকতে দেওয়া হল না। রাতভর ইমিগ্রেশন সেন্টারে ওদের বসিয়ে রাখা হয়েছিল। ব্যাগও নিতে দেওয়া হয়নি। পরের দিন দ্বিগুণ দামে ফিরতি টিকিট কিনে দেশে ফিরতে বাধ্য করা হয় তাদের। এই ঘটনায় মন চঞ্চল হয়ে পড়েছে। খেলায় মনোযোগ দিতে পারছি না।” উল্লেখ্য, ৭ জুন থেকে শুরু হয়েছে এই প্রতিযোগিতা। চলবে ১৪ জুন পর্যন্ত।

এমন ঘটনার পর সত্যিই তাঁর খেলায় প্রভাব পড়েছে। এখনও পর্যন্ত তিনি ছ’টি রাউন্ডের মধ্যে একটিতে জয় এবং এক্টিতে ড্র করেছেন। উল্লেখ্য, বয়সের কারণে একলা ভ্রমণ করেন না হামিদ। তাঁর কথায়, “আমি কখনও একা সফর করি না। সব সময় আমার সঙ্গে কেউ না কেউ থাকে। যারা ছিল, তারা এখন দেশে। আমিই একলা রয়ে গিয়েছি।” তবে দিল্লি দিল্লি দাবা সংস্থার ব্যবস্থাপনার প্রশংসাও করেছেন হামিদ। তাদের আতিথেয়তায় মুগ্ধ তিনি। তিনি জানিয়েছেন, ভারতে স্বচ্ছন্দেই রয়েছেন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.