BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘মা ও স্ত্রীকে খুন করেছি, পুলিশকে খবর দাও’, ফোনে ছেলেকে বললেন ভারতের প্রাক্তন অ্যাথলিট

Published by: Sulaya Singha |    Posted: August 26, 2020 2:04 pm|    Updated: August 26, 2020 2:04 pm

An Images

ছবি: প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে দেশকে ব্রোঞ্জ পদক এনে দিয়েছিলেন। সেই অ্যাথলিটের বিরুদ্ধেই উঠল মা ও স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি ইতিমধ্যেই নিজের অপরাধের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন।

ভারতীয় প্রাক্তন অ্যাথলিট ইকবাল সিং (Iqbal Singh) বর্তমানে পেনসিলভ্যানিয়ার বাসিন্দা। রিপোর্টে জানা গিয়েছে, গত রবিবার সকালে নিজেই পুলিশকে ফোন করে খুনের খবর দিতে বলেন। স্বীকার করেন, তিনিই এমন অপরাধ করেছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে দেখে, রক্তাক্ত হাতে একটি ঘরে বসে রয়েছেন ৬২ বছরের ইকবাল খান। তাঁর দেহের একাধিক স্থানে ছুরির আঘাত। আর অন্য দুই জায়গায় পড়ে রয়েছে মা নসিব কৌর ও স্ত্রীর জসপাল কৌরের দেহ। দু’জনকেই গলার নলি কেটে খুন করা হয়েছে। ইকবাল সিংকে সোমবার আদালতে পেশ করা হলে তাঁকে প্রথম ও তৃতীয় ডিগ্রির খুনের অভিযোগে পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়। জামিনের আবেদন করলেও আদালত তা খারিজ করে দেয়। তবে নিজেকে ছুরিকাঘাত করায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করতে হয়েছে। আপাতত তিনি চিকিৎসাধীন।

[আরও পড়ুন: এবার ট্রান্সফার ফি ছাড়াই কেনা যাবে মেসিকে! কোন ক্লাবে যেতে পারেন মহাতারকা?]

কিন্তু কেন এমন নৃশংস কাণ্ড ঘটালেন ইকবাল? সেই কারণ এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট করেননি তিনি। কারণ এর আগে কোনও অপরাধমূলক কাণ্ডের সঙ্গে জড়াননি তিনি। কিন্তু রবিবার সকালে সেই ঘটনার পরই ছেলেকে ফোন করে জানান, তিনি নিজের মা ও স্ত্রীকে খুন করেছেন। এমনকী বলেন, পুলিশকে খবর দিতে। তাঁকে যেন এসে গ্রেপ্তার করা হয়। ছেলের পাশেই থাকা মেয়েকেও ফোনে একই কথা বলেন ইকবাল। যদিও প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, প্রাক্তন অ্যাথলিট বেশ শান্ত স্বভাবেরই মানুষ। ওই এলাকায় তাঁর ভাল পরিচিতিও ছিল। তবে ঘটনার আগের দিন তাঁকে বেশ অন্যমনষ্ক দেখাচ্ছিল। তা সত্ত্বেও মা ও স্ত্রীকে হত্যার কারণ কেউই বুঝে উঠতে পারছেন না।

১৯৮৩ সালে কুয়েতে এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতের হয়ে শট-পাটে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন ইকবাল। ভারত ছেড়ে মার্কিন মুলুকের স্থায়ী বাসিন্দা হওয়ার আগে পর্যন্ত সেটাই ছিল তাঁর কেরিয়ারের সর্বোচ্চ সাফল্য। সেখানে গিয়ে গাড়িচালকের কাজ করতেন। প্রৌঢ় বয়সে যে তাঁর জীবনে এমন ঘটনা ঘটবে, তা হয়তো কল্পনাও করতে পারেননি।

[আরও পড়ুন: চিকিৎসার বিল মেটাতে নাজেহাল, প্রিয় ব্যাটমিস্ত্রী আশরাফ চাচার পাশে দাঁড়ালেন ‌শচীন]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement