২৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্বকাপে সপ্তমবার টিম ইন্ডিয়ার কাছে পাকিস্তানের হারের পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে একটি ভিডিও। যেখানে ফাঁস হয় চাঞ্চল্যকর তথ্য। ম্যাচে আগের রাতে ম্যাঞ্চেস্টারের উইনস্লো রোডের শিশা ক্যাফেতে শোয়েব মালিক-সহ পাকিস্তান দলের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের সঙ্গে দেখা যায় সানিয়া মির্জাকে। আর তারপরই ভারত-পাক ক্রিকেট যুদ্ধে ‘মাতাহারি’ তকমা পান শোয়েবপত্নী। ভারতের কাছে হার পাক মুলুকের বাসিন্দাদের কতটা আঘাত করেছে তা আরও একবার সামনে এল। তাই তো এবার মা হিসেবে সানিয়ার দায়িত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন সেদেশের অভিনেত্রী বীণা মালিক।

শনিবার স্থানীয় সময় রাত দু’টো। শিশা ক্যাফেতে দেখা যায় সস্ত্রীক শোয়েব মালিককে। তাঁদের সঙ্গে ডিনারে হাজির ছিলেন ওয়াহাব রিয়াজ, ইমাম উল-হক-সহ একাধিক পাক ক্রিকেটার। পিৎজা, বার্গারের মতো জাঙ্ক ফুডে কামড় দিচ্ছেন খেলোয়াড়রা। খানা-পিনায় মশগুল পাক ক্রিকেটারদের মাঝে মধ্যমণি হয়ে ছিলেন ভারতীয় টেনিস তারকা। গোটা ঘটনা ধরা পড়ে এক পাকভক্তের ক্যামেরায়। ভিডিওটি ভাইরাল হতেই পাকিস্তানের মাটিতে এমনকী বিদেশেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। পাক সমর্থকদের অভিযোগ, বিশ্বকাপের ময়দানে নামার ১২ ঘণ্টা আগে ফিটনেসের তোয়াক্কা না করে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের প্রতিনিধির সঙ্গে মৌজ মস্তিতে মেতেছিলেন খেলোয়াড়রা। ক্রিকেটারদের অধ্যাবসয়, মনঃসংযোগ, নিয়মানুবর্তিতা নষ্ট করতেই ডিনারে গিয়েছিলেন ভারতীয় ‘লাস্যময়ী’। আর তাই এই হার।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানের হারের কারণ ‘বার্গার’! নেটদুনিয়ায় কটাক্ষের শিকার সরফরাজ]

এবার পাকিস্তানের হারের জন্য সরাসরি সানিয়াকে দায়ী না করে ঘুরিয়ে আক্রমণ করলেন বীণা। টুইটারে তিনি লেখেন, “সানিয়া, তোমার বাচ্চার জন্য আমার চিন্তা হচ্ছে। ওকে শীশা ক্যাফের মতো জায়গায় নিয়ে যাওয়াটা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেল না! আর আমি যতদূর জানি, ওখানে শুধু জাঙ্ক ফুডই পাওয়া যায়। যা খাওয়া কোনও অ্যাথলিট বা ছেলের পক্ষেই ভাল নয়। মা এবং অ্যাথলিট হিসেবে তোমার এটা নিশ্চয়ই জানা আছে।” এরপরই শুরু হয় দুই দেশের দুই তারকার বাকযুদ্ধ। বীণার টুইটের উত্তরে সানিয়া খোঁচা দিয়ে লেখেন, “বীণা, আমি আমার বাচ্চাকে ওখানে নিয়ে যাইনি। আর আমি কী করব না করব সেটা তোমাকে বা গোটা বিশ্বকে ভাবতে হবে না। কারণ বাকি সবার থেকে আমি বেশি জানি, আমার ছেলের জন্য কোনটা ঠিক। আর দ্বিতীয়ত, আমি পাকিস্তান ক্রিকেট দলের ডায়টেশিয়ান নই। মা নই। এমনকী প্রিন্সিপাল বা শিক্ষিকাও নই। যে ওরা কখন কী করবে তার খেয়াল রাখব। তবে তুমি যে এত চিন্তা দেখিয়েছ, তার জন্য ধন্যবাদ।”

সেই টুইটের খানিকক্ষণ পর একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেন। সেখানে সানিয়া লিখেছিলেন, নিম্নমানের ম্যাগাজিনে বীণার ছবি দেখে তার সন্তানরাও ভাল কিছু শিখবে না। জবাবে বীণা লেখেন, “সাহস থাকলে পোস্ট ডিলিট কোরো না। আমি চাইলে অনেক বিতর্কের কথা প্রকাশ্যে আনতে পারি। কিন্তু সে পথে হাঁটব না। কারণ বিষয়টাকে অন্যদিকে নিয়ে যেতে চাই না।” ভারত-পাক ম্যাচের পর গুচ্ছ গুচ্ছ টুইট আক্রমণে যে বিরক্ত সানিয়া, সেকথাও লুকোননি তিনি। এ বাকযুদ্ধ থেকেই স্পষ্ট, বাইশ গজের মহারণ শেষ হলেও মাঠের বাইরে দুই দেশের লড়াই এখনও অব্যাহত।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানের কোচ হতে চান রোহিত! সাংবাদিক বৈঠকে এ কী বললেন হিটম্যান?]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং