Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Wrestling Championship

নিতে হবে সাধুদের আশীর্বাদ! উত্তরপ্রদেশে মাঝপথে থামল বিশ্ব কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রায়াল ম্যাচ

ভারতীয় কুস্তি সংস্থার সভাপতির নির্দেশে বন্ধ হল লড়াই!

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৩, ১৭:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৩, ১৭:৫১

options
link
নিতে হবে সাধুদের আশীর্বাদ! উত্তরপ্রদেশে মাঝপথে থামল বিশ্ব কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপের ট্রায়াল ম্যাচ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিশ্ব কুস্তি চ্যাম্পিয়নশিপের (World Wrestling Championship) ট্রায়াল ম্যাচ শুরু হয়ে গিয়েছিল। ৫৯ কেজি বিভাগে যোগ্যতা অর্জনে লড়ছিলেন পূজা ঢান্ডা ও মানসী। কিন্তু আচমকা থমকালো খেলা। যেহেতু তখন গেরুয়াধারী সাধুরা হাজির হয়েছেন সাই কমপ্লেক্সে (SAI Complex)। সোমবার এই ঘটনা ঘটল উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) লখনউ শহরে। সাধুদের আশীর্বাদ নেওয়ার পরেই ফের শুরু হয় প্রতিযোগিতা। এই ঘটনায় বিতর্ক শুরু হয়েছে।

স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (Sports Authority of India) লখনউ শহরের অনুশীলন কেন্দ্রে তখন ব্যস্ত খেলোয়াড় ও কোচেরা। কে ভারতের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করবেন বিশ্ব চাম্পিয়নশিপে, তা ঠিক করতে নেমে পড়েছেন পূজা ও মানসী। লড়াই তুঙ্গে। কিন্তু লড়াইয়ের বয়স যখন ৫৪ সেকেন্ড তখনই বাঁশি রেফারির। থমকালো খেলা। কিন্তু কেন? টেকনিক্যাল কারণে বা কোনও খেলোয়াড় চোট পেয়েছেন বলে কি? না, তেমন কিছু ঘটেনি। আসলে একদল সাধু হাজির হয়েছেন তখন অনুশীলন কেন্দ্রে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘কোহলিকে দেখে মনে হয়নি ও আত্মবিশ্বাসী’, প্রাক্তন পাক অধিনায়কের নিশানায় বিরাট]

জানা গিয়েছে, অযোধ্যার হনুমান গর্হি মঠের সাধুরা এদিন অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত ছিলেন। যদিও ধর্মগুরুরা এসে পৌঁছনোর আগেই শুরু হয়ে যায় খেলা। কিন্ত তাঁরা এসে পড়তেই মাঝপথে থামিয়ে দেওয়া হয় প্রতিযোগিতা। গোটা বিষয়টি হয় ভারতীয় কুস্তি সংস্থার সভাপতি ব্রিজভূষণ শরণ সিংহের নির্দেশে। সাধুরা এসে পড়তেই তিনি রেফারিকে খেলা থামাতে বলেন।

সোফায় বসে মাইক হাতে ভারতীয় কুস্তি সংস্থার সভাপতি তথা বিজেপি সাংসদ ব্রিজভূষণ বলেন, “অল্প সময় নেওয়া হবে। সাধুরা এসেছেন। তাঁরা সবাইকে দ্রুত আশীর্বাদ দিয়ে চলে যাবেন। তার পরে আবার প্রতিযোগিতা শুরু হবে।” ব্রিজভূষণের নির্দেশ মতো খেলা ও অনুশীলন থামিয়ে সোফায় বসা সাধুদের সামনে আসেন খেলোয়াড়রা। সাধুদের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন তাঁরা।

[আরও পড়ুন: বাবরি ও গোধরা সংক্রান্ত সমস্ত মামলায় ইতি টানল সুপ্রিম কোর্ট]

প্রসঙ্গত, এর আগেও মাঝপথে খেলা থামানোর অভিযোগ উঠেছিল ভারতীয় কুস্তি সংস্থার সভাপতির বিরুদ্ধে। মাস কয়েক আগের একটি প্রতিযোগিতায় তাঁর মনে হয়, রেফারিরা ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাই খেলা বন্ধ করে দেন। সেই ঘটনায় বিতর্ক হয়েছিল। এদিন কোচ ও খেলায়াড়দের ভুল শুধুরে দিতেই দেখা যায় ব্রিজভূষণকে। কুস্তিগিরের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আশা করব কেন্দ্রীয় সরকার, সাই ও কুস্তি ফেডারেশন তোমাদের জন্য যা করেছে, তার দাম দেবে তোমরা।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.