BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

রিওয় পদক জয় নিয়ে ব্রিটিশ সাংবাদিককে কড়া জবাব শেহবাগের

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 25, 2016 3:15 pm|    Updated: August 25, 2016 3:15 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাইশ গজকে বিদায় জানালেও এখনও সেই চেনা ফর্মেই রয়েছেন বীরেন্দ্র শেহবাগ৷ নিজের বাক্যবানে বলে বলে ছক্কা মেরে চলেছেন তিনি৷ কখনও লেখিকা শোভা দে-কে লেট কাটে চার মারছেন তো কখনও একেবারে কায়দায় পি ভি সিন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন৷ এক কথায় মাঠের মতো মাঠের বাইরেও প্রতিপক্ষের ত্রাস হয়ে উঠেছেন বীরু৷ বুধবার প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনারের ব্যাটে ঘায়েল হলেন ইংল্যান্ডের সাংবাদিক পিয়ার্স মর্গ্যান৷

ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের দিকে আঙুল তোলা যে শেহবাগ একেবারেই পছ্ন্দ করেন না, তা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন৷ মর্গ্যানের টুইটের কড়া জবাব দিলেন বীরু৷ রিও ওলিম্পিকে ভারতের প্রাপ্য দু’টি পদক৷ একটি রুপো ও একটি ব্রোঞ্জ৷ সাক্ষী মালিক ও পি ভি সিন্ধুর সাফল্য গোটা দেশই সেলিব্রেট করছে৷ এই বিষয়টিকেই খোঁচা দিলেন ইংল্যান্ডের সাংবাদিক৷ তিনি টুইট করেছেন, “১২০ কোটির দেশ দু’টো হেরে যাওয়া পদক নিয়ে চূড়ান্ত সেলিব্রেশনে মেতেছে৷ এটা কি লজ্জার নয়?”

উত্তরে পুল শট হাঁকিয়ে মর্গ্যানকে মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দিলেন বীরু৷ তিনি লিখছেন, “আমরা ছোট ছোট খুশিও বড় করে সেলিব্রেট করতে ভালবাসি৷ ইংল্যান্ড ক্রিকেটের জনক৷ অথচ এখনও পর্যন্ত একবারও বিশ্বকাপ জেতেনি তারা৷ তা সত্ত্বেও বিশ্বকাপে খেলে চলেছে৷ এটাও তো তাহলে লজ্জার৷”

শেহবাগের এই টুইট মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়৷ দু’ঘণ্টার মধ্যে সাড়ে পাঁচ হাজারেরও বেশি রিটুইট হয়৷ তবে এতেও থামেননি মর্গ্যান৷ তিনি লিখেছেন, “ঠিকই বলেছেন কিংবদন্তি, এটা সত্যিই লজ্জার৷ কিন্তু কেভিন পিটারসেন এখনও খেললে ইংল্যান্ডে বিশ্বকাপ জিততে পারত৷ যেমন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল আর পিটারসেন ম্যান অফ দ্য সিরিজ হয়েছিলেন৷”

মর্গ্যান যতই যুক্তি দেখান, শেহবাগও ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন৷ তিনি পাল্টা টুইট করেন, “পিটারসেন একজন কিংবদন্তি৷ তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই৷ তবে তিনি কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মেছিলেন৷ আর আপনার হিসেব অনুযায়ী, ২০০৭ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডেরই জেতা উচিত ছিল৷ কারণ সেবার কেপি দলে ছিলেন৷ ভারতীয়রা সেলিব্রেট করলে আপনার অসুবিধা কোথায়?”

শেহবাগের চূড়ান্ত ফর্মের সামনে আর মুখ খোলার সাহস করেননি ব্রিটিশ সাংবাদিক৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement