সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম দিন বিরাট যদি হন রাম, তাহলে তাঁর লক্ষ্মণ অবশ্যই অশ্বিন৷ নন-স্ট্রাইকার এন্ডে যেমন মাটি কামড়ে পড়ে থাকলেন, তেমনই ধরে ধরে খেলে ১১৩ রান ঝুলিতে ভরলেন ভারতীয় স্পিনার৷ ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমেছিলেন অশ্বিন৷ পরে বলছিলেন, ব্যাটিং অর্ডারে সেরা সাতের মধ্যে ব্যাট করতে নামাটা তাঁর স্বপ্ন ছিল৷ সেটা পূরণ হয়েছে৷
দিনের শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে বিরাট না এসে পাঠালেন অশ্বিনকে৷ স্পিনার হিসাবেই তাঁকে চেনে ক্রিকেট বিশ্ব৷ কিন্তু অশ্বিনের ঝুলিতে ইতিমধেই ঢুকে পড়েছেন তিনটি টেস্ট শতরান৷ এমন পারফরম্যান্সের পর তিনি যাবতীয় কৃতিত্ব দিলেন কোচ অনিল কুম্বলে ও অধিনায়ক কোহলিকে৷ তাঁর ব্যাখ্যা, “ইচ্ছেটা অনেকদিনের যে ব্যাটিংয়ে একটু উপরের দিকে নামার সুযোগ পাব৷ অন্তত প্রথম সাতজনের মধ্যে৷ কুম্বলে আর কোহলি আমার উপর ভরসা রেখেছে৷ আমিও আশা করি নিজের কাজটা করে দিয়ে আসতে পেরেছি৷”
ঋদ্ধিমান সাহাকে দলে নেওয়া হয়েছে উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান হিসাবে৷ হিসাব মতো তাঁরই ছয় নম্বরে আসার কথা ছিল৷ সেই জায়গায় অশ্বিনকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কি হঠাৎ করে? ভারতের তারকা স্পিনার জানিয়েছেন, “না সেটা নয়৷ কোহলি সকালে আমার সঙ্গে দেখা করেছিল৷ তখনই বলেছিল যে আমি ছয় নম্বরে ব্যাট করতে নামব৷”
আগেও দলের প্রয়োজনে নেমে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছেন৷ রান পেয়েছেন৷ কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে শতরানটা যেন একটু বেশিই স্পেশাল অশ্বিনের কাছে৷ জানালেন ব্যাটিং টেকনিকে বদল আনার কথাও৷ “সঞ্জয় বাঙ্গার আমার ব্যাটিং নিয়ে প্রায় একবছর খেটেছেন৷ স্টান্সে বদল আনার কথা ওই প্রথম বলেছিল৷ লক্ষ্য করে দেখবেন, এখন একটু বেশি চেস্ট ওপেন করে খেলছি৷ এটা ওরই উপদেশ৷ এরকম আগে কখনও করিনি৷ ওয়েস্ট ইন্ডিজেই প্রথম৷ শুরুতে একটু সমস্যা হচিছল৷ কিন্ত্ত পরিস্হিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার পর আর সমস্যা হয়নি৷” বলেন তিনি৷
সর্বশেষ খবর
-
ফোন, ওটিপি নয়! তবু অ্যাকাউন্ট থেকে উধাও সাড়ে ৮ লক্ষ, মাথায় হাত ব্যবসায়ীর
-
পুজোর ফ্যাশনে ইন ধনেখালি কাফতান! স্টাইল ও স্বাচ্ছন্দ্যে সাজুন নায়িকাদের মতো
-
পাকিস্তানের চিন্তা বাড়িয়ে সিন্ধুতে বড় চাল ভারতের! লাদাখে প্রথম পাথরের বাঁধ বানাল নয়াদিল্লি
-
‘ডাকাতের গ্রাম’ থেকে এবার ডাক্তার! কালিমুল্লাহর নিট সাফল্যে ‘বদনাম’ ঘোচানোর স্বপ্ন বাঁকুড়ার মুক্ষ্যাপাড়ায়
-
রাষ্ট্রসংঘের নতুন বিশ্ব মানচিত্রকে সমর্থন করেও হুঁশিয়ারি ভারতের, কোথায় আপত্তি দিল্লির?