BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জিতলেও রুনিদের নিয়ে খুব বেশি স্বপ্ন দেখা যায় না

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: June 17, 2016 11:43 am|    Updated: June 17, 2016 11:43 am

An Images

ইংল্যান্ড – ২
ওয়েলস – ১

দেবাশিস মুখোপাধ্যায়: প্রতিবেশির আকচা-আকচি মারাত্মক৷ দু’পক্ষের মধ্যেই নানা কারণে রাগ-ক্ষোভ, বিদ্বেষ লেগেই থাকে৷ দু’পক্ষই নিজেদের অন্যপক্ষ থেকে বড় মনে করে৷ ইংল্যান্ড-ওয়েলস খেলাটা দেখতে বসে এইগুলোই বারবার মনের মধ্যে ভেসে উঠছিল৷ গ্রেট ব্রিটেনের মধ্যেই তো দু’টি দেশ৷ ওলিম্পিকে একই পতাকার তলায় নামে দুটো দল৷ কিন্তু ফুটবল মাঠে এলেই সামাজিক বিভেদটা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে৷ ইংল্যান্ড বৃহস্পতিবার ২-০ গোলে প্রতিবেশিদের হারাল ঠিকই কিন্তু রুনিদের নিয়ে খুব বেশি স্বপ্ন দেখা যায় না৷ ওয়েলস দেখিয়ে দিয়ে গেল, বেশিদূর এগোতে পারবে না ইংল্যান্ড৷

প্রতিটি মেগা টুর্নামেন্ট এলেই ইংল্যান্ডকে ঘিরে হইচই হয়৷ কিন্তু কিছুই হয় না৷ বড় আসরে চ্যাম্পিয়ন হত হলে কেউ না কেউ সংকট মুহূর্তে উদ্ধারকারী হিসেবে উঠে আসে৷ ইংল্যান্ড দলে তেমন বলতে যে, সেই রুনি কিনা খেলছে মাঝমাঠে৷ গোলটা করবে কে? ভেরদি বা স্তুরিজ প্রতি ম্যাচে গোল করে উদ্ধার করবে? দু’টি গোল-ই তো পড়ে পাওয়া৷ বিরতির পর গোল দিয়ে দলকে সমতায় ফেরালো ভেরদি৷ কীভাবে? ক্রস ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হল ডিফেন্স৷ সেই বল গোলে ঠেলে দিল ভেরদি৷ টিভি দেখে একশো শতাংশ নিশ্চিত বলা যায় না৷ তবু মনে বল, ওটা অফসাইড৷ প্রায় চার হাত ভিতরে ঢুকে ছিল৷ ইনজুরি টাইমে স্তুরিজের গোলও তো ওয়েলসের রক্ষণের জড়ামড়ি থেকেই৷ শুধু রক্ষণ কেন? গোলকিপারও দোষী৷ প্রথম পোস্টে গোলকিপার হেনিসে দাঁড়িয়ে ছিল৷ একটু নীচু হলেই বলটা রুখে দেওয়া যেত৷ অথচ স্তুরিজের শট সেই ফার্স্ট পোস্ট দিয়েই ঢুকে গেল৷ মানছি বল পজিশনে অনেক বেশি এগিয়ে ছিল ইংল্যান্ড৷ এও বলতে দ্বিধা নেই, ইতিবাচক মনোভাব তারা অনেক বেশি দেখিয়েছে৷ ওই যে শুরুতে বললাম, গোল খরায় ভুগতে হবে ইংল্যান্ডকে৷

ওয়েলস ঠিক-ই করে ফেলেছিল, যেনতেন প্রকারে এই ম্যাচ থেকে এক পয়েন্ট তুলে নেওয়া৷ প্রথম ম্যাচ জেতায় পরবর্তী রাউন্ডে যাওয়া তাদের নিশ্চিত হত৷ কিন্তু নিজেদের বিপদ নিজেরাই ডেকে আনল৷ বিরতির ঠিক আগে ফ্রি-কিক থেকে গোল করল বেল৷ ৩৫ গজ দূর থেকে নেওয়া শট গোলকিপার জো হার্টের হাতে লেগে ঢুকল জালে৷ গোলের জন্য সম্পূর্ণ দায়ী হার্ট৷ ওই গোলের পরেই রক্ষণাত্মক হয়ে গেল বেলরা৷ নিজেদের বক্সের সামনে তখন কম করে দশ-এগারোজনের জঙ্গল৷ নিজেদের সাত-আটজন তখন ইংরেজদের আক্রমণ ঠেকাতে মরিয়া৷ বেশিক্ষণ এভাবে চলে? তাই ওয়েলস অতিরিক্ত সময়ে গোলটা খেয়ে বসল৷ ম্যাচ জেতার জন্য হজসনেরও প্রশংসা প্রাপ্য৷ বিরতির সময় তাঁর দুটো পরিবর্তন দলকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলল৷ আজ হারলে তো বেলের গোলেই বিদায় ঘণ্টা বাজতো ইংল্যান্ডের৷ তিন পয়েন্ট নিয়ে নক-আউট প্রায় নিশ্চিত করে ফেলল৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement