Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

ইস্টবেঙ্গলে সুভাষ ও খালিদের ভবিষ্যৎ আলো-আঁধারিতে

আগামী মরশুমে কার হাতে থাকবে ক্লাবের স্টিয়ারিং?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০১৮, ১৯:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০১৮, ১৯:৫৩

options
link
ইস্টবেঙ্গলে সুভাষ ও খালিদের ভবিষ্যৎ আলো-আঁধারিতে zoom

সোম রায়, ভুবনেশ্বর: সুপার কাপ শেষ। এবারও হাতে কলকাতা লিগ ছাড়া কোনও ট্রফি আসেনি। স্বাভাবিকভাবেই ইস্টবেঙ্গল সদস্য-সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়েছে হতাশার রেশ। আবার শুরু হয়েছে নতুন মরশুমে নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর কথা। সঙ্গে প্রশ্ন। খালিদ না সুভাষ? আগামী মরশুমে কার হাতে থাকবে ক্লাবের স্টিয়ারিং? নাকি দেখা যেতে পারে নতুন কাউকে?

[ম্যাচ চলাকালীনই ধোনির পা জড়িয়ে ধরলেন ভক্ত, আবেগে ভাসলেন ক্যাপ্টেন কুলও]

পয়লা বৈশাখের দিনই নতুন মরশুমের টিডি হিসাবে সুভাষ ভৌমিকের নাম ঘোষণা করা হয়েছে ক্লাবের পক্ষ থেকে। এরপরই একটি মহলে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। তাহলে ইস্টবেঙ্গলে খালিদের ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে? সুভাষ ভৌমিক দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই দুই কোচের মধ্যে সমস্যার কথা বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। নিজেরা যতই তাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করুন, চাপা দেওয়া ছাইয়ের ভিতর থেকে বারবার বেরিয়ে এসেছে আগুন। ফলে এটা অন্তত পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে যে, আগামী মরশুমে দু’জনের পক্ষে একসঙ্গে সংসার করা সম্ভব নয়। বিষয়টি ভালই বুঝতে পারছেন কর্তারাও। তেল আর জল যে কিছুতেই মিলবে না, তাও ক্রমশ পরিষ্কার হচ্ছে। ফলে ইস্টবেঙ্গলে তৈরি হচ্ছে নতুন সমীকরণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ইস্টবেঙ্গলকে দুরমুশ করে সুপার কাপ চ্যাম্পিয়ন সুনীল ছেত্রীরা]

সুপার কাপ ফাইনালে হারের পর সাংবাদিক সম্মেলনে খালিদের কাছে এসেছিল প্রশ্ন। তাঁর ও সুভাষের রসায়ন কেমন? উত্তরে তিনি বলেন, “সুভাষদা প্রথম দিন থেকেই আমাদের সাহায্য করেছেন। উনি অভিভাবকের মতো।” সুভাষ অবশ্য এই বিষয়ে কিছুই বলতে চাননি। তবে সমর্থকদের কাছে নাকি তিনি অনেক বিধ্বংসী কথা বলেছেন। এই কথাগুলি গিয়ে পৌঁছেছে কর্তাদের কাছেও। একটি পক্ষের বক্তব্য, ক্লাব চায় দু’জনই যৌথ দায়িত্বে থাকুন। প্রয়োজনে দু’জনকে একসঙ্গে আলোচনায় বসাতেও তৈরি তাঁরা। আরেক পক্ষ বুঝতে পারছেন যে দু’জনের একসঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। কিন্তু তাঁরা কাউকেই সরাবেন না। দু’জনের মধ্যে কেউ সরে যেতে চাইলে অবশ্য আপত্তিও করবেন না। দেখার শুধু শেষ হাসি হাসবেন কে? খালিদ? সুভাষ? না ইস্টবেঙ্গল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.