Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ব্যাটিং নিয়ে খোঁচা অ্যান্ডারসনের, কী জবাব কোহলির?

ঠান্ডা মাথায় গোটা বিষয়টিকে টেস্ট নেতা যেভাবে সামলালেন, তাতে তাঁর প্রতি ভক্তদের সম্মান আর ভালবাসা যে দ্বিগুণ হয়ে গেল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১২, ২০১৬, ১৬:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১২, ২০১৬, ১৬:০৩

options
link
ব্যাটিং নিয়ে খোঁচা অ্যান্ডারসনের, কী জবাব কোহলির? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাক্তন থেকে বর্তমান, গোটা বিশ্বের কিংবদন্তিরা ধীরে ধীরে তাঁর ভক্ত হয়ে উঠছেন। তাঁর টেকনিক, ক্লাস, ধৈর্য, পরিশ্রমের প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রাক্তনরা। তাঁকে আদর্শ মেনে ব্যাট হাতে তুলে নিচ্ছে যুবপ্রজন্ম। আর সেই বিরাট কোহলির ব্যাটিং নিয়ে প্রশ্ন তুললেন জেমস অ্যান্ডারসন। ভারতীয় পিচের সৌজন্যে নাকি অধিনায়কের ব্যাটিং দুর্বলতা ঢাকা পড়ে যাচ্ছে! মুম্বই টেস্ট চলাকালীন এমনই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন তিনি। সোমবার সিরিজ জেতার পর ব্রিটিশ পেসারকে যোগ্য জবাব দিলেন কোহলি। পাঁচ বছর আগের অল্প কথায় মাথা গরম করে ফেলা বিরাটের সঙ্গে পরিণত ক্যাপ্টেন কোহলির অনেক পার্থক্য। এদিন বিরাট সেই প্রমাণ আরও একবার দিয়ে দিলেন।

চতু্র্থ টেস্টের পঞ্চম দিন সকালের ঘটনাটা ছিল অনেকটা এরকম। দ্বিতীয় ইনিংসে জিমি ব্যাট করতে নামলে ক্ষুব্ধ অশ্বিন তাঁর দিকে তেড়ে যান। তাঁদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিরাট এবং আম্পায়ার গিয়ে অশ্বিনকে সরিয়ে নিয়ে আসেন। বিরাট জানান, “অশ্বিনের থেকে জানতে পারি অ্যান্ডারসন আমার ব্যাটিং নিয়ে সাংবাদিকদের সামনে কিছু কথা বলেছে। আমি তো শুনে হেসেই ফেললেও অশ্বিন বিষয়টা ভালভাবে নেয়নি। রেগে গিয়েছিল। তাই অ্যান্ডারসনকে বলতে গিয়েছিল, এসব মন্তব্য যাতে না করে। হার মানতে শেখা উচিত। আমি অশ্বিনকে বোঝাই, ওসব নিয়ে মাথা না ঘামাতে। পরে অ্যান্ডারসনকেও বলি, খেলায় এসব হয়েই থাকে। বাদ দাও এবং এগিয়ে চল।”  এর পাশাপাশি ইংল্যান্ডের ব্যাটিং লাইন-আপ নিয়ে বিরাট বলেন, জয়ের জন্য ডিফেন্স আর পরস্পরের উপর আস্থা রাখাটা খুব জরুরি। ইংল্যান্ড দলে সেটারই অভাব রয়েছে।

Advertisement

ashwin

ঠান্ডা মাথায় গোটা বিষয়টিকে টেস্ট নেতা যেভাবে সামলালেন, তাতে তাঁর প্রতি ভক্তদের সম্মান আর ভালবাসা যে দ্বিগুণ হয়ে গেল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এর আগেও ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড তাঁর বিরুদ্ধে বল বিকৃতির অভিযোগ তুলেছিল। সেই অভিযোগকেও হাসি মুখে স্ট্রেট শটে বাউন্ডারির বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন বিরাট। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে চার বছর আগের সিরিজ হারের বদলা নিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। তাই একেই সম্প্রতি জয়গুলির মধ্যে ‘সবচেয়ে মিষ্টি’ বলছেন বিরাট। আর এমন পরিস্থিতিতে ইংল্যান্ড যে মেজাজ হারাবে, তা আর অসম্ভব কী!

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.