স্টাফ রিপোর্টার : যা ভাবা গিয়েছিল তাই হল। নিজেদের মাঠে অর্থাৎ মোহনবাগান মাঠেই হবে মোহনবাগানের নির্বাচন। ২৮ অক্টোবর সেই নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য রবিবার থেকেই বলতে গেলে প্রস্তুতি শুরু করে দিল কোর্ট নিযুক্ত তিনজনের বিচারপতির দল। শনিবার কলকাতার এক অভিজাত হোটেলে বসেছিলেন নির্বাচক কমিটির সদস্যরা। সঙ্গে ছিলেন সৃঞ্জয় বোস, বিশ্বব্রত বসু মল্লিক ও সোহিনী মিত্র। তিনজনের সামনেই বিচারপতিরা জানিয়ে দেন, মোহনবাগান মাঠ ছাড়া ভোট করার জন্য আর কোনও জায়গায় পাওয়া যায়নি। তাই নিজেদের মাঠেই আগামী তিন বছরের জন্য কমিটি চুড়ান্ত করবেন সদস্যরা। অতীতেও সবুজ-মেরুনের নির্বাচন হয়েছে নিজেদের মাঠেই। ফলে এই প্রথম ময়দানে ভোট হচ্ছে তা কিন্তু নয়।
[ নির্বাচনের আগেই টুটু-অঞ্জনের মধ্যে সৌহার্দ্যের বার্তা]
নির্বাচক কমিটি জানিয়ে দিয়েছে, ভোটের দিন কেবলমাত্র সদস্যরা ছাড়া কেউ টেন্টে ঢুকতে পারবেন না। শুধু সদস্য হলেও চলবে না, যাঁরা ভোটার কেবলমাত্র তাঁরাই টেন্টে ঢুকতে পারবেন। ভোটারদের প্রতি নির্দেশ থাকবে, ২০১৭—১৮ কিংবা ২০১৮-১৯ সদস্য কার্ড থাকতে হবে। সেই সঙ্গে ক্লাবের আইডি কার্ড থাকলে ভাল। নাহলে সরকারী ছবি-সহ প্রমাণপত্র থাকা বাঞ্ছনীয়। যেমন আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স থেকে শুরু করে পাসপোর্ট, যে কোনও একটা প্রমাণপত্র থাকলেই চলবে। ইতিমধ্যেই বিচারপতিরা ক্লাবের মাঠ পরিদর্শন করেছেন। আবার একবার দেখবেন ৯ তারিখে। সেদিন মাঠ পরির্শনের পর ডেকোরেটারকে ডাকা হবে। নির্দেশ দেবেন কীভাবে ভোটের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। এখন প্রার্থী আছেন ৫১জন। সচিব পদে নির্বাচন হবে না। কারণ, টুটু বোসের বিপক্ষে অঞ্জন মিত্র নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এদিকে রবিবার শহরের দুই প্রান্তে চলবে টুটু বোস গোষ্ঠীর প্রচার। সকালে হাতিবাগানের পর বিকেলে উল্টোডাঙা ও কামালগাজিতে হবে মিটিং।
[ বড় চমক, মোহনবাগান নির্বাচন থেকে নাম প্রত্যাহার অঞ্জন মিত্রের]
সর্বশেষ খবর
-
টিটাগড়-বারাকপুর পুর-দুর্নীতিতে স্পেশাল অডিটের দাবি, মেট্রো নিয়েও তৎপর কৌস্তভ
-
‘পিঠে বানাতে’ বিধায়ক কার্যালয়ে মহিলাদের ডাক! গ্রেপ্তার বর্ধমানের ‘শাহজাহান’ খোকন
-
৯ মাসের অন্তঃসত্ত্বার ঝুঁকিপূর্ণ শারীরিক কসরত! ভিডিও দেখে হতবাক নেটপাড়া, উঠল সমালোচনার ঝড়
-
অবশেষে সুখবর দিল হাওয়া অফিস, নিনো ভ্রুকুটির মাঝেই দেশে ঢুকেছে বর্ষা!
-
রাহুলের মৃত্যুতে আচমকা বন্ধ ‘চিরসখা’, দুমাস পর ছোট পর্দায় প্রত্যাবর্তন ‘কমলিনী’র, কোন ভূমিকায় অপরাজিতা?