Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬

সমাধি থেকে উধাও প্রবাদপ্রতিম ফুটবলার গ্যারিঞ্চার অস্থি, ক্ষুব্ধ পরিবার

কোথায় গেল হাড়গোড়?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০১৭, ০৮:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০১৭, ০৮:২৫

options
link
সমাধি থেকে উধাও প্রবাদপ্রতিম ফুটবলার গ্যারিঞ্চার অস্থি, ক্ষুব্ধ পরিবার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ১৯৫৮ ও ১৯৬২-র বিশ্বকাপে তাঁর পায়ের জাদু দেখেছিল গোটা বিশ্ব৷ অনেকেই মনে করেন, পেলে-র থেকেও নাকি বড় ফুটবলার ছিলেন তিনি৷ কিন্তু জীবদ্দশাতে সেভাবে কোনও স্বীকৃতি পাননি৷ আর মৃত্যুর ৩৪ বছর পরেও চরম অবহেলিত ও বিতর্কিত-ই রয়ে গেলেন বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার গ্যারিঞ্চা৷ ব্রাজিলের যে কবরখানায় এই প্রবাদপ্রতিম ফুটবলারের সমাধি ছিল, সেই কবরখানার কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দিয়েছেন, সমাধিতে গ্যারিঞ্চার হাড়গোড় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না৷

[৫ পাক সেনাকে নিকেশ করল ভারতীয় সেনার স্পেশ্যাল ফোর্স]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

১৯৫৫ থেকে ১৯৬৬ দশ বছরের ফুটবলার জীবনে ব্রাজিলের হয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলেছেন গ্যারিঞ্চা৷ ১৯৫৮ ও ১৯৬২-র ব্রাজিলের বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন তিনি৷ খেলতেন রাইট উইংয়ে৷ কিন্তু দীর্ঘদিনের সঙ্গী নেশা ও চূড়ান্ত বিশৃঙ্খল জীবন-যাপনের জন্য অকালেই পৃথিবী ছাড়তে হয় গ্যারিঞ্চাকে৷ ১৯৮৩ সালে মাত্র ৪৯ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি৷ মৃত্যুর পর ব্রাজিলের রিও ডি জেনেইরো শহরে থেকে ৪০ মাইল দুরে নিজের শহর মাজের এক কবরখানায় পরিবারের অন্যান্যদের পাশেই সমাধিস্থ করা হয় গ্যারিঞ্চাকে৷ জানা গিয়েছে, ওই সমাধি থেকেই উধাও হয়ে গিয়েছে গ্যারিঞ্চার হাড়গোড়৷ সেগুলোর কী হয়েছে তারও কোনও রেকর্ড নেই৷

[বিতর্কিত সেলফি, টুইটারে ট্রোলড হয়ে পোস্ট ডিলিট করলেন প্রিয়াঙ্কা]

ব্রাজিলে কবরখানাগুলি সাধারণত মৃতদের দুটি করে সমাধি থাকে৷ একটিকে শায়িত থাকে দেহ, অন্যটিতে রাখা থাকে মৃতের অস্থিমজ্জা৷ মাজে শহরের ওই করবখানাতে গ্যারিঞ্চা নামেও দুটি সমাধি আছে৷ গ্যারিঞ্চার পরিবারের এক সদস্য জানিয়েছেন, দশ বছর আগে পরিবারের অন্য এক সদস্যকে ওই কবরখানার সমাধিস্থ করা হয়৷ তখন গ্যারিঞ্চার সমাধি থেকে অস্থি সরিয়ে দ্বিতীয় সমাধিতে রাখা হয়েছিল৷ কিন্তু, পরিবারকে এ সংক্রান্ত কোনও নথি দেওয়া হয়নি৷ মাজের শহরের মেয়রের অফিসের তরফে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুটি সমাধির মধ্যে কোনটিতে গ্যারিঞ্চার হাড়গোড় ছিল, তা তিনি জানেন না৷ তবে হাড়গোড়গুলি হারিয়ে গিয়েছে বলে মনে করেন না তাঁরা৷ পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে৷

[ভয়াবহ টর্নেডোর ধ্বংসলীলায় আতঙ্কিত শহরবাসী, দেখুন ভিডিও]

এই ঘটনার রীতিমতো ক্ষুদ্ধ গ্যারিঞ্চার পরিবার৷ গ্যারিঞ্চার মেয়ে রোসানগেলা স্যান্টোস বলেছেন, ‘আমার বাবার এটা প্রাপ্য ছিল না৷ জানি না বাবা কোথায় আছে৷ তবে এই ঘটনায় আমরা পুরোপুরি বিপর্যস্ত৷’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.