Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

আজম খানকে ‘খিলজি’ বলে বিতর্কে জয়া প্রদা, পালটা ‘নাচনেওয়ালি’ বলে আক্রমণে সপা নেতা

দেখুন আজম খানের পালটা বিস্ফোরক বক্তব্যের ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯, ১৫:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১২, ২০১৯, ১৫:৩৯

options
link
আজম খানকে ‘খিলজি’ বলে বিতর্কে জয়া প্রদা, পালটা ‘নাচনেওয়ালি’ বলে আক্রমণে সপা নেতা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আজম খানের সঙ্গে তিনি আলাউদ্দিন খিলজির মিল পেয়েছেন। এমনই মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ান প্রাক্তন সপা নেত্রী জয়া প্রদা। পালটা তাঁকেই এবার নাচনেওয়ালি (নর্তকী) বলে আক্রমণ করলেন আজম খান। এক জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘একজন নাচনেওয়ালির বক্তব্যের জবাব দেওয়ার সময় আমার নেই। আমার প্রচুর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড রয়েছে।’

আলাউদ্দিন খিলজি যেন আজম খান! শনিবার পদ্মাবত দেখে বেরিয়ে আজম খান সম্বন্ধে এমনই প্রতিক্রিয়া দেন সমাজবাদী পার্টির নেত্রী তথা অভিনেত্রী জয়া প্রদা। সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী জানান, এক নির্বাচনে তাঁকে অসম্ভব হেনস্তা করেছিলেন আজম। ’১৩-’১৪ শতকের সুলতান শাসকের নৃশংস মুখ দেখে তাই বারবারই আজম খানের কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল উত্তরপ্রদেশের রামপুরের প্রাক্তন সাংসদ জয়ার।

Advertisement

[ভারত মহাসাগরে চিনকে রুখতে এককাট্টা ভারত-ফ্রান্স, মুক্ত বাণিজ্যের পক্ষে সওয়াল]

২০০৪ পর্যন্ত তেলুগু দেশম পার্টিতে ছিলেন জয়া। এক সময় সপার তারকা প্রার্থী ছিলেন জয়া প্রদা। ছিলেন আজম ঘনিষ্ঠ। যে রামপুর কেন্দ্রে সপার হয়ে লড়ে ৮৫ হাজার ভোটে জিতেছিলেন জয়া, সেই কেন্দ্রেও কিন্তু তাঁকে আনেন আজমই। এরপর যত দিন গিয়েছে বদলেছে সপার ঘরোয়া রাজনীতির সমীকরণ। জয়া অমর সিংহের শিবিরে যোগ দিতেই আজমের সঙ্গে বাড়তে থাকে দূরত্ব। তিক্ততা এমনই চরমে পৌঁছয় যে দু’জনের মুখ দেখাদেখিও বন্ধ হয়ে যায়। পরস্পরের কাছে অসহ্য হয়ে ওঠেন দু’জন। প্রকাশ্যে তাঁর নিন্দা, সমালোচনা শুরু করেন আজম। শুধু তাই নয়, আজমের অহংকার ও নোংরামোর কথাও বলেন জয়া। জানান, ২০০৯ জয়ার নোংরা পোস্টার লাগিয়ে তাঁর ভাবমূর্তি খারাপ করতে চেয়েছিলেন আজম।

এই সময় আজম-অনুগামীরা জয়ার বিরুদ্ধে প্রচারও শুরু করেন। এদিকে তখন দল থেকে নির্বাচিত প্রার্থী হয়েছিলেন কিন্তু জয়াই। জয়ার দাবি, সেই সময়ে আজমের শ্বদন্ত এতটাই বেরিয়ে পড়ে যে এক সাংবাদিককে তিনি বলতে বাধ্য হন, “উনি আমার সম্পর্কে অনুগামীদের কাছে এমন সব অশালীন শব্দ প্রয়োগ করেছিলেন, যা আমি মহিলা হয়েও মুখে আনার কথা ভাবতে পারি না। উনি কিছু করতে না বললেও কিছু সমর্থক সেই সময় আমাকে কালো পতাকা দেখিয়েছিল।” পদ্মাবত-এর আলাউদ্দিন খিলজি চরিত্রের অমানবিকতা ও নিচতা দেখে এদিন সেই বিস্মৃতির অতলেই ডুব দেন জয়া। প্রসঙ্গত, ২০০৯ সালেও জয়া রামপুরে জেতেন। তবে আগের বারের থেকে প্রায় ৩০,০০০ কম ভোটে।

দেখুন আজম খানের পালটা বিস্ফোরক বক্তব্যের ভিডিও:

[গডসেকে ‘হিন্দুরত্ন জঙ্গি’ আখ্যা ওয়েইসির! বললেন, ‘আমিও মরতে ভয় পাই না’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.