১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

আলো ঝলমলে বাগানে অভিষেকেই বাজিমাত ডাফির

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 6, 2016 8:39 pm|    Updated: August 6, 2016 8:46 pm

An Images

মোহনবাগান – ৫ (প্রবীর, ডাফি ৩, আজহার)

এরিয়ান – ১ (কাজিম)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ম্যাচ শুরুর আগে বাগান সমর্থকদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল মাঠের ফ্লাডলাইটই৷ আর খেলা দ্বিতীয়ার্ধ গড়াতেই যাবতীয় আলোচনা ছাপিয়ে গ্যালারি জুড়ে শোনা গেল একটিই নাম৷ ডাফি৷ বাগানের নতুন স্ট্রাইকারের কাছে প্রত্যাশার ঝুলি সাজিয়ে বসেছিলেন ভক্তরা৷ অভিষেকেই ঝুলি ভরে দিলেন ডাফি৷

এরিয়ানের বিরুদ্ধে তরুণদের নিয়ে দল সাজিয়েছিলেন কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তী৷ বিদেশি বলতে শুধু ডাফি৷ স্বাভাবিকভাবেই দায়িত্বটা তাঁর কাঁধেই বেশি ছিল৷ আর সেই দায়িত্বেই লেটার মার্কস নিয়ে পাস করলেন স্কটিশ স্ট্রাইকার৷ তিন-তিনটে গোল করে দলকে তিন পয়েন্ট তো এনে দিলেনই, সেই সঙ্গে সমর্থকদের লিগ জয়ের স্বপ্ন দেখাতেও শুরু করালেন৷ এর আগে বাগানের হয়ে অভিষেক ম্যাচে হ্যাটট্রিক ছিল প্রাক্তন ফুটবলার শিশির ঘোষের৷ এবার সেই রেকর্ডে নাম জুড়ল এক বিদেশির৷

এদিন ডাফি যদি রাম হন, তবে লক্ষ্মণ অবশ্যই বলতে হবে প্রবীর দাসকে৷ লক্ষ্মণের সাহায্য না পেলে মাঠের শক্রুদের পরাস্ত করা রামের পক্ষে খুব একটা সহজ হত না৷ প্রথমার্ধেই নিজে একটা গোল করে দলকে তাজা অক্সিজেন জোগালেন৷ আর দ্বিতীয়ার্ধে ডাফিকে দিয়ে দুটো গোল করালেন৷

শুরুটা যদিও ভালই করেছিল এরিয়ান৷ বল পজেশনে বাগানকে সমান টক্কর দিচ্ছিলেন রঘুর ছেলেরা৷ খাতায়-কলমে এরিয়ানের কোচ রঘু পুত্র রাজদীপ নন্দী হলেও ঘর সামলান সেই রঘুই৷ বড় ক্লাবগুলিতেও ডাকা-বুকো রঘু আতঙ্ক বরাবরই রয়েছে৷ আতঙ্কটা চেপে রেখে শঙ্করলাল বলে দিয়েছিলেন, “আমরা প্রস্তুত৷” প্রস্তুতি ঠিক কতটা জোরদার ছিল, এদিন হাতে-নাতেই তার প্রমাণ পাওয়া গেল৷ প্রথমার্ধের থেকেও দ্বিতীয়ার্ধে বাগানের আক্রমণ অনেক বেশি ঝাঁঝালো হয়ে ওঠে৷ এরিয়ানের ডেরায় বারবার হানা দিতে থাকেন ডাফি, আজহাররা৷ তারই ফসল হিসেবে এল আরও চারটে গোল৷ ডাফির তিনটে গোলের একটি এল ফ্রি-কিক থেকে৷ বাকি দুটি ফিল্ড পজিশন থেকে৷

শনিবার বৃষ্টি মাথায় যে সবুজ-মেরুন ভক্তরা মাঠমুখো হয়েছিলেন, তাঁদের চোখে-মুখে গর্বের ছাপটা ছিল স্পষ্ট৷ প্রায় আড়াই দশক পর ঘরের মাঠে ফ্লাডলাইডে খেলছে দল৷ এই দিনটার জন্য তাঁরা তো কম দিন অপেক্ষা করেননি৷ মাঠ ছাড়ার সময় গর্বে তাঁদের ছাতি ফুলে দ্বিগুণ৷ কথায় বলে, মর্নিং শো’জ দ্য ডে৷ তবে কি এবার ঘরোয়া লিগটাও…? সেই স্বপ্নকে আলতো হাতে পালন করতে  শুরু করে দিলেন বাগান অনুগামীরা৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement