Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬

বাণিজ্যনগরীও মেতে উঠেছে উমার আরাধনায়, বাঙালি একত্রিত ‘কল্লোল’-এ

বিশ্ব উষ্ণায়নের কথা মাথায় রেখে তৈরি হয়েছে পুজোর থিম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৮, ২০:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০১৮, ২০:৫১

options
link
বাণিজ্যনগরীও মেতে উঠেছে উমার আরাধনায়, বাঙালি একত্রিত ‘কল্লোল’-এ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাত পোহালেই ষষ্ঠী। সেই উপলক্ষে কলকাতার মতো সেজে উঠেছে বাণিজ্যনগরী মুম্বইও। সেখানকার অন্যতম বাঙালি সংগঠন গোরেগাঁওয়ের ‘কল্লোল’-ও উদ্যোগ নিয়েছে মাতৃ আরাধনার। এবছর তাদের থিম ভাবনা জলবায়ুর পরিবর্তনকে সামনে রেখে। বিশ্ব উষ্ণায়নের ফলে ক্রমশ ধ্বংসের দিকে এগোচ্ছে পৃথিবী। তাই ‘কল্লোল’-এর সকলেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্গাপূজাতে কার্বনের ব্যবহার কমানোর বার্তা দিতে হবে। ‘কল্লোল’ ক্রমবর্ধমানভাবে পরিবেশ দূষণের কথা মাথায় রেখে শোলা দিয়ে মূর্তি ও প্যান্ডেল সাজিয়েছে।

মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামে সিংহবাড়ির দেবী দুর্গা চতুর্ভুজা! ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শোলার শিল্প বাংলার আদি হস্তশিল্পগুলির মধ্যে একটি সূক্ষ্ম শিল্প হিসাবে স্বীকৃত। বহু অনুষ্ঠানে এর ব্যবহার হয়ে থাকে। ‘কল্লোল’-এর দুর্গাপুজোতেও এই শিল্প স্বমহিমায় ধরা দিয়েছে। প্রায় ১১০ জনেরও বেশি কারিগর অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন মুম্বইয়ে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে মণ্ডপসজ্জার কাজ করেছেন তাঁরা।

সাংস্কৃতিক ও সামাজিক কর্মসূচির মাধ্যমে মানবসমাজে সংহতি ও ঐক্য স্থাপনের উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল ‘কল্লোল’-এর পথচলা। অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে মুম্বই শহরের বাঙালিদের একত্রিত করার কাজটি করে আসছে সংগঠনটি। নতুন প্রজন্ম যাতে ঐতিহ্যের সঙ্গে একাত্ম হতে পারে, সেজন্যও চেষ্টার কোনও কসুর করছেন না সংগঠনের সদস্যরা। 

দেবীপক্ষে উমার আরাধনায় তৈরি লন্ডন দুর্গোৎসব কমিটি ]

ঐতিহ্যের পাশাপাশি নিজেদের সংস্কৃতিকে বজায় রাখার কাজও করছে ‘কল্লোল’। তাই খেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, সামাজিক ক্রিয়াকলাপের আয়োজন করা হয় পুজোর দিনগুলিতে। এমনকী স্বাস্থ্যের দিকে নজর রাখতে এই সংস্থা দাতব্য হোমিওপ্যাথিক ও অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসালয়েরও প্রতিষ্ঠা করেছে। প্রয়োজন অনুসারে বাঙালি পাঠকদের জন্যও বিভিন্ন বইয়ের সংগ্রহশালাও রয়েছে এখানে। রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার। এই সংস্থার পক্ষ থেকে অভাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা করা হয়। এখানকার সদস্যদের কথায়, এগুলি সম্ভব হয়েছে কিছু ব্যক্তিগত এবং কিছু সংগঠনের সহযোগিতায়।

এবার পুজোয় আপনিও দুর্গা কিংবা অসুর, জানেন কীভাবে? ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.