BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জানা গেল পার্ক স্ট্রিটে মৃত যুবতীর পরিচয়

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 15, 2016 11:53 am|    Updated: August 15, 2016 11:53 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: পার্ক স্ট্রিট এলাকায় খুন হওয়া যুবতীর পরিচয় মিলল৷ রবিবার উত্তর কলকাতার নিষিদ্ধপল্লির কয়েকজন বাসিন্দা যুবতীর মৃতদেহ শনাক্ত করেন৷ তাঁদের দাবি, খুন হাওয়া যুবতীর আসল নাম সোমা৷ ট্রাফিক পুলিশের ফুটেজ দেখার পর পুলিশের ধারণা, যুবতী খুনের পিছনে রয়েছে অন্তত দুই জন দুষ্কৃতী৷

পুলিশ জানিয়েছে, ট্রাফিকের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ভোর সাড়ে চারটে নাগাদ অন্ধকারের মধ্যে একটি ল্যাম্পপোস্টের কাছে ঘোরাঘুরি করছে দুই ব্যক্তি৷ অন্ধকারে অতি আবছা ওই ফুটেজ৷ তবে পুলিশের অনুমান, ওই দুই ব্যক্তিই যুবতীর দেহ বয়ে নিয়ে এসে সেটি রেখে দিয়েছে ফুটপাথের উপর৷ কাছেই কোনও বাড়িতে খুন করার পর সেখান থেকে হেঁটেই যুবতীর দেহ খুনিরা বয়ে নিয়ে আসে৷ ওই আবছা ফুটেজ থেকে খুনিদের শনাক্ত করা সহজ নয়৷ তবে ফুটেজগুলি পাঠানো হচ্ছে ফরেনসিকে৷ একই সঙ্গে শনিবার বিকেল বা সন্ধ্যায় আলিমুদ্দিন স্ট্রিট বা তার সংলগ্ন এজেসি বোস রোডের কোনও বাড়িতে সোমাকে নিয়ে আসা হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা৷

শনাক্তকরণের পর পুলিশ খতিয়ে দেখছে যে, ওই যুবতী যৌনকর্মী ছিলেন কি না৷ নিহত যুবতীর দুই হাতে বেশ কিছু কাটা দাগ দেখে পুলিশ নিশ্চিত যে, এর আগে একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন ওই যুবতী৷ এ ছাড়াও বাঁ হাতের উপর ব্লেড দিয়ে কেটে ইংরেজিতে তিনি লেখেন ‘রিমা’ ও ডান হাতে ব্লেড দিয়ে কেটে লেখেন ‘সমীর’৷ যদিও সোমা কাউকে ‘রিমা’ বলে নিজের পরিচয় দেন কি না, তা দেখা হচ্ছে৷ খোঁজ চলছে ‘সমীর’-এরও৷

ময়নাতদন্তে জানা গিয়েছে, যুবতী সন্তানেরও জন্ম দিয়েছেন৷ সেই বিষয় নিয়ে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয় কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে৷ তবে ময়নাতদন্তে উঠে এসেছে আরও কিছু রহস্য৷ খুনের আগে মহিলাকে ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়ন করা হয়নি৷ মহিলার পাকস্থলীতে প্রচুর মদ মিলেছে৷ এমনকী, মৃত্যুর পরও মুখ দিয়ে বের হচ্ছিল মদের গন্ধ৷ অথচ পাকস্থলীতে বিশেষ কিছু খাবার পাওয়া যায়নি৷ সন্ধ্যার পর থেকে তিনি বিশেষ কিছু না খেলেও খুনি বা খুনিদের সঙ্গে বসে মদ্যপান করেন৷

পুরনো কোনও আক্রোশ থেকেই যে যুবতীকে আঘাত করার পর তাঁকে খুন করা হয়েছে, সেই বিষয়ে পুলিশ নিশ্চিত৷ যুবতীকে গভীর রাতেই খুন করা হয়৷ প্রথমে মুখ চেপে ধরে প্রথমে শ্বাসরোধ করা হয়৷ মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাঁর গলায় কোনও দড়ি দিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়৷ খুনের আগে তাঁর ঠোঁট ও মুখের বিভিন্ন জায়গায় প্রচণ্ড আঘাত করা হয়৷ পুলিশের মতে, খুনের ছক কষেই তাঁকে ডেকে নিয়ে আসা হয়৷ এর পর একাধিক ব্যক্তি মিলে অত্যাচার করে তাঁকে খুন করে৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement