BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

স্কুলে কিলবিল করছে মশার লার্ভা, আক্রান্ত ৭ ছাত্র

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 10, 2016 9:29 am|    Updated: August 10, 2016 9:29 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: টয়লেটে স্তূপাকৃতি হয়ে জমে আছে মল৷ খেলার মাঠে জমে থাকা টলটলে জলে খেলে বেড়াচ্ছে মশার লার্ভা৷ ইতিমধ্যেই স্কুলের ৭ জন ছাত্র অজানা জ্বরে আক্রান্ত৷ স্কুলের পানীয় জলের একমাত্র উৎস বলতে কুয়ো৷ বেলেঘাটার ‘লি কলিন স্কুল’ পরিদর্শনে এসে চক্ষু চড়কগাছ পুরকর্মীদের৷ তড়িঘড়ি স্কুল কর্তৃপক্ষকে নোটিস ধরিয়েছে পুরসভা৷ তবে তাতেও সাফাইয়ে উদ্যোগী হয়নি স্কুল৷ মঙ্গলবার নিজেরাই হেডস্যারের ঘরে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে ছাত্ররা৷ স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরু‌দ্ধে বেলেঘাটা থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন ছাত্র ও অভিভাবকরা৷ স্কুল পরিচালন কমিটির সম্পাদক পলাতক৷ এদিন স্কুলে পঠনপাঠনের কাজ বন্ধ ছিল৷ অবস্থার পরিবর্তন না হলে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্কুল বন্ধ রাখার হুমকি দিয়েছে ছাত্ররা৷

অন্যদিকে এদিনই সাফাইয়ের কারণে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকার পর বিদ্যালয় খোলার নেটিশ টাঙিয়েছে সল্টলেকের ভারতীয় বিদ্যাভবন স্কুল৷ বুধবার থেকে শুরু হয়ে যাবে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পঠনপাঠন৷ আর ১৬ আগস্ট থেকে খুলে দেওয়া হবে সেকেন্ডারি ও প্রাইমারি সেকশনও৷ ছাত্রছাত্রীদের ফুল হাতা জামা ও ফুলপ্যান্ট পরে স্কুলে আসার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ৷ এদিন বিধাননগর পুরনিগমেরমেয়র পারিষদ সদস্যের (স্বাস্থ্য) নেতৃত্বে ভারতীয় বিদ্যাভবনে যায় এক পরিদর্শক দল৷ সাফাইয়ের কাজে সন্তোষপ্রকাশ করেন স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা৷ প্রসঙ্গত গত ১ আগস্ট দুই ছাত্রের মৃত্যুর পর স্কুল অপরিষ্কারের অভিযোগ উড়িয়ে দেন প্রিন্সিপ্যাল রেখা বৈশ্য৷ তবে অভিভাবকদের চাপে সাময়িকভাবে স্কুল বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় বিদ্যাভবন কর্তৃপক্ষ৷ পুর কর্তৃপক্ষকে স্কুলে ঢকতে বাধা দেওয়া হয়৷ পরে অবশ্য স্কুলের একাধিক জায়গা থেকে মশার লার্ভা মেলে৷ তারপর এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে পুরসভা সাফাই অভিযান চালাল ভারতীয় বিদ্যাভবনে৷ এদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্কুল দেখে নিশ্চিন্ত হয়েছেন অভিভাবকরাও৷ অন্যদিকে বেলেঘাটা কলিন স্কুলে অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ হওয়ার মুখে পঠনপাঠন৷ জমা জল বের করা না হলে ডেঙ্গু ছড়াবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন পুরকর্মীরা৷ এই সব দেখভালের দায়িত্বে আছেন স্কুল পরিচালন কমিটির সম্পাদক. এস সোরেন৷ তাঁর খোঁজ মিলছে না৷ স্কুলের যাবতীয় ফান্ড তাঁর কাছেই আছে বলে জানাচেছন শিক্ষকরা৷ স্কুলের প্রধান শিক্ষক সুদীপকুমার মণ্ডল অবশ্য বলছেন, গত ৭ জুলাই সম্পাদক সাফাই ও স্কুল সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন৷ তিনি অনুমতি না দিলে এই কাজ হবে না৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement