সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্গাপুজোয় সাবেকিয়ানা প্রায় বিদায় নিতে বসেছে। এখন সর্বত্র থিম পুজোর হিড়িক। কলকাতা তো বটেই, শহরতলিতেও এখন থিম পুজোর দিকে ঝুঁকেছে উদ্যোক্তারা। এবার তো সমুদ্রপাড়ের মুম্বইও থিমের তালিকায় নাম লেখাল। তারই মধ্যে অন্যতম স্পন্দন ফাউন্ডেশন আয়োজিত স্পন্দন পাওয়াই শারদোৎসব।
তবে এই প্রথম নয়। পুজোটি থিম ভিত্তিক হয়ে গিয়েছে ২০১৩ সাল থেকে। প্রত্যেক বছরই একটা না একটা থিম নিয়ে আসছে এই পুজো। আর তার প্রতিটিই কোনও সামাজিক বিষয়কে সামনে রেখে। যেমন- ২০১৩ সালে ‘নারীশক্তি দুগ্গা আমার’ ছিল পুজোর থিম। এরপর থেকে টানা পাঁচ বছর কোনও না কোনও থিমের উপর ভিত্তি করেই হচ্ছে পুজো। যেমন, ‘যুবা শক্তি নব শক্তি’ (২০১৪), ‘শিকড়ের সন্ধানে’ (২০১৫), ‘জনক জননী উৎসব’ (২০১৬), ‘অমৃতস্য পুত্রা’ (২০১৭) ইত্যাদি।
[ পুজোয় ‘অন্তরজাল’ ছিঁড়ে বেরনোর ডাক হাতিবাগান সর্বজনীনে ]
প্রতি বছরের মতো এবারেও সামাজিক বার্তা থাকছে স্পন্দনের পুজোয়। এ বছরের থিম ‘শক্তি স্বয়ং সক্ষম’। এবারের পাওয়াই শারদোৎসব তাদের সামনে আনছে, অক্ষমতা যাদের জীবনের পথে এগিয়ে যেতে কোনওভাবে আটকাতে পারেনি। তারা এই সমাজকে দেখিয়ে দিয়েছে, লক্ষ্য স্থির থাকলে আর অঙ্গীকার দৃঢ় থাকলে যে কোনও বাধাই বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।
তবে দুর্গাপুজো মানে তো শুধু দুর্গাবন্দনাই নয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও বন্দোবস্ত করেছে স্পন্দন। প্রতি বছরই এই অনুষ্ঠানটি সাজিয়ে তোলা হয় সেই বছরের থিমের উপর ভিত্তি করে। এ বছরও তার ব্যতিক্রম হবে না। পুজোর উদ্বোধন হবে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা, ‘উড়ান’-এর অনুষ্ঠান দিয়ে। এই অনুষ্ঠানে যে সব কলাকুশলীরা অংশ নেবেন, তাঁরা সবাই প্রতিবন্ধী। এছাড়া এবারেও পুজোর অনুষ্ঠান পরিবেশন করবে ভিক্টোরিয়া ব্লাইন্ড স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সপ্তমী থেকে নবমী, তিনদিন ধরে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার ভক্ত এবং দর্শনার্থীর মধ্যে খিচুড়ি প্রসাদ বিতরণ করা হবে বিনামূল্যে।
[ বিলুপ্তপ্রায় পুতুলনাচের সাক্ষী হতে চান? পুজোয় গন্তব্য হোক সন্তোষপুর ত্রিকোণ পার্ক ]
সর্বশেষ খবর
-
‘আঁধার করে আসে’… বিকেলেই নামল রাত, কলকাতাজুড়ে প্রবল বৃষ্টিপাত
-
বাংলার খেলাকে ধ্বংস করেছেন অরূপ! ময়দানকে স্বজনপোষণমুক্ত করার অঙ্গীকার নয়া ক্রীড়ামন্ত্রীর
-
অরূপ-স্বরূপের ফ্ল্যাটে পাপের সুরক্ষিত আড়াল! গোপন ঘরে পাপের ধুলো
-
মৃতের পরিবারকে দেওয়া আর্থিক সাহায্যেও কাটমানি! গ্রেপ্তার তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রধান
-
ক্ষোভের আগুনে জন্ম, সরকার বিরোধী আন্দোলনে ‘আরশোলা’