BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

নিউইয়র্কে বাংলাদেশি ইমাম গুলিতে ঝাঁজরা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 15, 2016 10:04 am|    Updated: August 15, 2016 10:04 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত মার্কিন মুলুক৷ ফের বন্দুকবাজের হামলা৷ এবারের লক্ষ্য বাংলাদেশি-মার্কিন ইমাম ও তাঁর সঙ্গী৷ পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে প্রৌঢ় ইমাম ও তাঁর সঙ্গীকে গুলি করে মারল অজ্ঞাতপরিচয় এক বন্দুকবাজ৷ এই ঘটনা আরও একবার প্রমাণ করে দিল, মার্কিন মুলুকে ‘ইসলাম সম্প্রদায় সংক্রান্ত ভীতি’ কোথায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে!

পুলিশ সূত্রে খবর, ইমাম মৌলামা আকোঞ্জি ও থারা উদ্দিন মধ্যাহের প্রার্থনা সেরে আল ফারকান জেম মসজিদ থেকে ফিরছিলেন৷ গাঢ় রংয়ের পোলো জামা ও শর্টস পরে মাঝারি বর্ণের এক ব্যক্তি পিছন থেকে তাঁদের আক্রমণ করে৷ সাক্ষীদের বক্তব্য ও ভিডিও ফুটেজ দেখে জানা গিয়েছে, ইমাম ও তাঁর সঙ্গীকে গুলি করে মারা হয়৷ একজন পুরুষ হাতে বন্দুক নিয়ে ঘটনাস্থলে ছিল৷ একাই৷ গুলি করার সঙ্গে সঙ্গে যাঁরা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, তাঁদের দুজনের পরনেই ছিল সনাতন ইসলামীয় পরিধান৷ এরপরই একের পর এক ফোন আসতে থাকে পুলিশের কাছে৷ পুলিশ এসে দেখে, আকোঞ্জি তাঁর সঙ্গী দু’জনেরই মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে৷ স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই তাঁদের মৃত্যু হয়৷

ডেপুটি ইন্সপেক্টর হেনরি সউটনার বলেন, এখনও পর্যন্ত ঘটনাটির পিছনে কোনওরকম কারণ জানা যায়নি৷ শুধুমাত্র ইসলাম সম্প্রদায়ভুক্ত হওয়ার কারণেই দু’জন নিরীহ ব্যক্তিকে প্রাণ দিতে হয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ৷ যে ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গিয়েছে, সেটিকে আরও বিস্তারিতভাবে খতিয়ে দেখছেন তাঁরা৷ এখনও পর্যন্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি৷ বন্দুকবাজের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ৷

নিউ ইয়র্কের ইসলাম সম্প্রদায়ের নাগরিক স্বাধীনতারক্ষাকারী সংগঠন কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশনস (সিএআইআর) এর তরফে বলা হয়েছে, মার্কিন মুলুকে ইসলাম সম্প্রদায়ের মানুষের উপর হিংসার ঘটনা বেড়েই চলেছে৷ এমনকী যেখানে আসন্ন নির্বাচনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পও মার্কিন মুলুকে ইসলাম সম্প্রদায়ের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে চেয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন৷ সেখানে এই ঘটনায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে৷ সিএআইআর-এর তরফে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘটনাটির বিচার চাওয়া হয়েছে৷ আইনি পথে দরকার হলে লড়াই শুরু হবে, এমনটাও বলা হয়েছে সংগঠনের তরফে৷ সংস্থার অধিকর্তা আফাফ নাসের বলেন, এই হামলা সংক্রান্ত যে কোনও তথ্য পেলেই প্রশাসনকে জানাতেও অনুরোধ করেছেন তাঁরা৷ এদিকে, ওজোন পার্ক এলাকায় বেশ কিছু বাংলাদেশি থাকেন৷ হামলাকারীকে গ্রেফতারের জন্য অনেকে বিক্ষোভ দেখালেও শান্তির জন্য প্রার্থনা করতেও মসজিদে বেশ কিছু সংখ্যক মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন রবিবার৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement