BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

গো-রক্ষকরাই অপরাধমূলক কাজে যুক্ত, কটাক্ষ মোদির

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 7, 2016 9:22 am|    Updated: August 7, 2016 9:22 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বঘোষিত গো-রক্ষকদের বিরুদ্ধে এই প্রথম প্রকাশ্যে মুখ খুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি৷ তাদের প্রতি কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, এই ধরনের কাজকর্ম তিনি মোটেও পছন্দ করছেন না৷ গো-রক্ষকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কটাক্ষ, “নিজেদের যারা এই নামে পরিচয় দেয়, তারা আমাকে ত্রুদ্ধ করে তুলেছে৷ রাতে এরাই নানা রকমের অপরাধমূলক কাজ করে থাকে৷”

আমেরিকার ‘টাউন হল’ আলোচনায় প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যেভাবে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করেন, অনেকটা সেই ধাঁচেই নিজের প্রথম ‘টাউন হল’ বৈঠক করেন মোদি৷ এই ধরনের সভায় লোকে নিজেদের চিন্তাভাবনার কথা জানাতে পারে, সরাসরি প্রশ্ন করতে পারে সংশ্লিষ্ট রাজনীতিক, সংস্থার কর্তৃপক্ষকে৷ কেন্দ্রীয় সরকারের ‘মাইগভ পোর্টাল’-এর দু’বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এই বৈঠকে সরাসরি গো-রক্ষকদের আক্রমণ করেন প্রধানমন্ত্রী৷ বিশেষত, দেশের অসহিষ্ণুতা নিয়ে ঘরে-বাইরে সমালোচনা বন্ধ করতে গিয়ে মোদি বলেন, “যারা রাতে নানা অপরাধ করে আর সকাল হলেই গো-রক্ষকের ঝান্ডা ওড়ায়, রাজ্যগুলি তাদের বিরু‌দ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিক৷ আমাদের দেশে সব চেয়ে বেশি গরু মারা যায় প্লাস্টিক খেয়ে৷ গরু জবাই করা হয় তার চেয়ে কম৷” নিজের গো-সেবার প্রসঙ্গ তুলে মোদি জানান, পশুশিবিরে একটি গরুর পেট থেকে দু’বালতি প্লাস্টিক বের করা হয়েছিল৷

সম্প্রতি গুজরাতের উনায় গো-হত্যার অভিযোগে চার দলিত যুবককে নিগ্রহের জেরে দেশের রাজনীতি উত্তাল হয়ে উঠেছে৷ এই ধরনের কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশেও৷ বিরোধীদের আক্রমণের নিশানায় বিজেপি৷ তাই মোদি সরাসরি ঘটনার নিন্দা করলেন বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল৷

গো-রক্ষক থেকে শুরু করে বিদেশনীতি, সুশাসন, অর্থনীতি–অনেক বিষয়েই শনিবার প্রশ্নের জবাব দেন মোদি৷ তিনি বলেন, “নীতির মতো শেষ পর্যায়ের সাফল্যও অত্যন্ত জরুরি৷ যাদের জন্য উন্নয়ন, তার সুফল তাঁদের কাছে পৌঁছনো গুরুত্বপূর্ণ৷”

মোদি এদিন বলেন, “সুশাসনের অর্থ, যে প্রক্রিয়ায় কোনও অপ্রয়োজনীয় ও অনাবশ্যক বাধা থাকবে না৷” কয়েকজন স্হানীয় বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করায় মজা করে প্রধানমন্ত্রী জবাব দেন, “টিআরপি বাড়ানোর জন্য এগুলি বেশ ভাল৷ কিন্তু সুশাসনের পক্ষে খারাপ৷ শুধু ভোট দিলেই নাগরিকের কর্তব্য শেষ হয়ে যায় না৷ তারা অংশ না নিলে গণতন্ত্রের মর্ম অসম্পূর্ণ থেকে যায়৷”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement