BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

জেএমবি জঙ্গি সন্দেহে চলন্ত ট্রেনে ধৃত যুবক

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: July 5, 2016 1:51 pm|    Updated: July 5, 2016 2:21 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: আপ বিশ্বভারতী ফার্স্ট প্যাসেঞ্জারের কামরা থেকে জেএমবি জঙ্গি সন্দেহে এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ৷ ধৃতের আইস যোগ থাকতে পারে বলেও সন্দেহ পুলিশের৷ সোমবার ধর্মতলার একটি দোকান থেকে অস্ত্রশস্ত্র কিনে হাওড়া স্টেশনে এসে ফার্স্ট প্যাসেঞ্জারে উঠেছিল ওই যুবক৷ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রেল পুলিশ ও গোয়েন্দারা ওই যুবককে অনুসরণ করতে শুরু করে৷ ট্রেনটি মাঝপথে একটি স্টেশনে এসে দাঁড়াতেই পুলিশ যুবকটিকে অস্ত্রশস্ত্রসহ পাকড়াও করে৷ পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবকের বাড়ি বীরভূমের লাভপুরে৷

এদিকে ঢাকার গুলশানে অভিজাত রেস্তোরাঁয় হামলার পর গ্রেফতারি এড়াতে আনোয়ার-সহ পাঁচ বাংলাদেশি জঙ্গি সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে ঢুকে পড়েছে বলে বিএসএফকে সতর্ক করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাবাহিনী৷ এই সতর্কবার্তার পরেই বিএসএফের গোয়েন্দারা ওই জঙ্গিদের সম্পর্কে খোঁজ-খবর নেওয়া শুরু করেছেন৷

পাশাপাশি ফেরার বাংলাদেশি জঙ্গিদের সন্ধানে বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও মালদহ জুড়ে জোর তল্লাশি শুরু করেছেন বিএসএফ এবং রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দারা৷ কেন্দ্র ও বিএসএফের গোয়েন্দাদের কাছে খবর, ৫ জঙ্গি সীমান্ত পেরিয়ে এসে প্রথমে আশ্রয় নেয় বর্ধমানে৷ এর পর তারা আলাদাভাবে ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের জেলাগুলিতে৷ উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ার মতো সীমান্ত জেলাতেও নজরদারি চালাচ্ছেন গোয়েন্দারা৷ সতর্কিত রাজ্যের সীমান্তবর্তী সমস্ত থানার পুলিশকর্তারাও৷

একইসঙ্গে গোয়েন্দাদের কাছে খবর এসেছে যে, বাংলাদেশের আইএস সদস্য নিয়োগকারী ও নেতা আনোয়ার ঢাকায় হামলার ঘটনার পরই চোরাপথে সীমান্ত পেরিয়ে পালিয়ে এসেছে এই রাজ্যে৷ বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকার একটি গ্রামে সে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে বলে খবর এসেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের কাছে৷ আনোয়ারের বিষয়েও রাজ্যের গোয়েন্দা ও বিএসএফ-এর গোয়েন্দাদের সতর্ক করা হয়েছে৷  ঢাকার ঘটনার পরেই সীমান্তের উপর নজর রাখার জন্য রাজ্য পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

গোয়েন্দা দফতরের সতর্কবার্তার পরই সীমান্তবর্তী এলাকায় নজর বাড়িয়েছেন বিএসএফ-এর গোয়েন্দারা৷ সেই কারণেই সীমান্তের কাছাকাছি কোনও গ্রামে না থেকে তাদের নিয়ে স্লিপার সেলের সদস্যরা চলে যায় বর্ধমানে৷ উল্লেখ্য, এই বর্ধমানের শিমুলিয়ায় রীতিমতো প্রশিক্ষণকেন্দ্র তৈরি করেছিল জেএমবি৷ বর্ধমানের খাগড়াগড়েই হ্যান্ড গ্রেনেড ও আইইডি তৈরি করত জেএমবি জঙ্গিরা৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement