BREAKING NEWS

১৭  আষাঢ়  ১৪২৯  শনিবার ২ জুলাই ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

Advertisement

চিনা পণ্য বয়কটে প্রচার সোশ্যাল মিডিয়ায়, বিক্রি কমল ২০%

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: October 15, 2016 11:05 am|    Updated: October 15, 2016 12:23 pm

Sales of Chinese goods decline after social media campaign

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের বাধায় এলিট পরমাণু ক্লাব এনএসজি-তে প্রবেশ করতে পারেনি ভারত৷ ক্ষোভ জমা হয়েছিল তখন থেকেই৷ বিস্ফোরণ দেখা গেল, যখন উরি হামলার পর ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে দুমুখো নীতি নিল চিন৷ একদিকে পাক অধীকৃত কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের সঙ্গেই থাকা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মহলের সামনে বড় মুখ করে বলা যে, সন্ত্রাসের প্রশ্নে পাকিস্তানের ভারত বিরোধিতায় সায় নেই৷ জৈশ প্রধান মাসুদ আজহারকে জঙ্গি ঘোষণার ক্ষেত্রেও বাধা দেয় চিন৷ চিনের এই দ্বৈততার মাশুল এবার পড়ল চিনা পণ্যের ভারতীয় বাজারেও৷ বিশেষত দিওয়ালির বাজি ও আলোতে৷  সোশ্যাল মিডিয়ায় চিনা দ্রব্য বয়কটের জন্য চলছিল লাগাতার প্রচার৷ তার জেরে ভারতের বাজারে চিনা পণ্যের বিক্রি কমল অন্তত ২০ শতাংশ৷

সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে সাধারণ মানুষ এখন নিজের মতামত দেন৷ চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক দেওয়ার শুরু হয়েছিল এখান থেকেই৷ যে সোশ্যাল মিডিয়া অজস্র ছেঁদো রসিকতায় ভরে থাকে তা যে আদতে কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে তার প্রমাণ মিলল এই প্রচারে৷ সাধারণ মানুষ যেমন নিজেরা চিনা পণ্য বর্জনের কথা ঘোষণা করছিলেন, তেমনই ছড়িয়ে পড়ছিল বিভিন্ন মেসেজ৷ হোয়্যাটসঅ্যাপ গ্রুপে গ্রুপে ছড়িয়ে পড়া এক মেসেজে প্রচারিত হচ্ছিল যে, ভারতকে বেকায়দায় ফেলতে চিনা বাজিতে মিশিযে দেওয়া হয়েছে বিষাক্ত রাসায়নিক৷ যার জেরে মারাত্মক অসুখে ভুগতে পারে দেশবাসী৷  সে বার্তার সত্যতা বা সারবত্তা যাই থাকুক না কেন, আসল উদ্দেশ্যটা ছিল স্পষ্ট৷ যে চিন কূটনৈতিক ক্ষেত্রে ভারতকে সহযোগিতা করেনি, তার পণ্যের বাজারকে রুখে দেওয়ার মরিয়া চেষ্টা ছিল খোদ নাগরিকদের মধ্যেই৷

আর এই লাগাতার প্রচারে মিলল সাফল্যও৷ কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্স-এর সাধারণ সম্পাদক পরভিন খাণ্ডেলওয়াল জানাচ্ছেন, চিনা আলো ও ঘর সাজানোর জিনিসের চাহিদা এবছর কমেছে অন্তত ২০ শতাংশ৷ দীপাবলির প্রারম্ভে আলোকসজ্জার জন্য চিনা আলো ভারতের বাজারে ঢুকে পড়ে বেশ কয়েক মাস আগেই৷ এবারও হোলসেলারদের ঘরে তা মজুত রয়েছে৷ কিন্তু রিটেলাররা সাহস করে চিনে আলোকসজ্জার সরঞ্জাম তুলতে রাজি হচ্ছেন না৷ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের জেরে মানুষ চিনা আলো আদৌ কিনবেন কি না, তা নিয়ে সন্দিহান দোকানদাররা৷ আর তাই গতবারের তুলনায় এই ধরনের আলোকসজ্জার চাহিদা কমছে হু হু করে৷ আগামী দিনে যে তা আরও বাড়বে এমনটাই মনে করা হচ্ছে৷ তাতে বেশ বড়সড় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন দোকানদাররা৷ তবে সাধারণ নাগরিকরা মনে করছেন, চিনকে সমুচিত শিক্ষা দিতে পণ্য বয়কট করে চিনে বাজারের পরিধি সংকুচিত করে ফেলাই একমাত্র রাস্তা৷ সে রাস্তা তৈরি করতে সোশ্যাল মিডিয়া যে অনেকটাই সফল তা বলার অপেক্ষা রাখে না৷

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে