২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কোহিনুর দেশে ফেরাতে মামলা সুখেন্দুশেখরের

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: July 1, 2016 11:35 am|    Updated: July 1, 2016 11:35 am

An Images

দেবশ্রী সিনহা: দেশের কোহিনুর দেশেই ফিরে আসুক৷ শীর্ষ আদালতের কাছে এই আবেদন নিয়ে মামলা করলেন রাজ্যসভার তৃণমূলের মুখ্য সচেতক সুখেন্দুশেখর রায়৷ আবেদনে দাবি করলেন, টাওয়ার অফ লন্ডনে রাখা কোহিনুর হিরে কখনওই ব্রিটিশদের উপহার হিসাবে দেওয়া হয়নি৷ বরং মহারাজা দলিপ সিংহের রাজ্যপাট নিজেদের কব্জায় নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে তুলে দিতে বাধ্য করা হয়৷ আর সেই অর্থে এই হিরের অধিকারী ভারত৷ বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের এজলাসে এই মামলা ওঠার মিনিট তিনেকের মধ্যেই সুখেন্দুশেখর রায়ের আইনজীবীর যুক্তি শুনে তিনি জানান, শীর্ষ আদালত এই মামলাকে গ্রহণ করছে৷ মামলায় পরবর্তী শুনানির জন্য ২৫ জুলাই ধার্য করা হয়৷
এদিন মামলার শুরুতেই প্রধান বিচারপতি কোহিনুর সংক্রান্ত নতুন মামলার প্রাসঙ্গিকতা জানতে চান৷ তিনি বলেন, “এই একই বিষয়ে আগেও অন্য মামলার শুনানির হয়েছে৷ সেক্ষেত্রে কেন্দ্র সরকার শীর্ষ আদালতকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই হিরে উপহার হিসাবে দেওয়া হয়েছিল৷ তা হলে আবার এই মামলা কেন?” আবেদনকারীর আইনজীবী সৌম চক্রবর্তী উত্তরে জানিয়ে দেন, “আমরা নথিসমেত প্রমাণ পেশ করছি আদালতের কাছে৷ যেখানে ১৮৪৬ সালের ব্রিটিশ সরকার ও লাহোর দরবারের মাঝে করা চুক্তির কপি, ১৮৪৯ সালে ইরেজ শাসকের মহারাজা দলিপ সিংহের জন্য দেওয়া নিয়ম ও শর্তাবলি, দলিপ সিংহের লেখা চিঠি এই সবই দেওয়া হয়েছে আদালতকে৷” এহেন বক্তব্য শোনার পর প্রধান বিচারপতি ঠাকুর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জবাব চান৷ বলেন, ‘‘এইসব নথির ভিত্তিতে কেন্দ্র যেন নিজেদের জবাব জানায়৷” পাশাপাশি তিনি জানিয়ে দেন, ইতিমধ্যেই কোহিনুর নিয়ে চলা আর একটি মামলার শুনানির সঙ্গে এই মামলাটিরও শুনানি হবে৷ সুখেন্দুশেখরের কথায়, ‘‘সংসদে এবং আরটিআইয়ের জবাবে পরিস্কার বলা হয়েছে কোহিনুর ভারতের সম্পদ৷ তাই শীর্ষ আদালতের কাছে সমস্ত নথি দিয়ে আবেদন করেছি যে আদলত যেন কোহিনুরকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্র সরকারকে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথা বলার নির্দেশ দেয়৷” এক্ষেত্রে আইন বিশেষজ্ঞদের মতে এর আগেও বহুবার কোহিনুর ফেরত আনার জন্য অনেক মামলা দায়ের হয়েছিল৷ যা এক-এক করে প্রমাণের অভাবে খারিজ হয়ে যায়৷ সেক্ষেত্রে এই মামলায় দেওয়া তথ্যপ্রমাণ অনেকটাই অভিনব৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement