Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২০ জুলাই ২০২৬

অল্পের জন্য এড়ানো গেল চিন-তাইওয়ান যুদ্ধ!

ওই মিসাইল চিনকে কোনও ভাবে আঘাত করলে, যুদ্ধ অবধারিত ছিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০১৬, ১৭:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১, ২০১৬, ১৭:৩৩

options
link
অল্পের জন্য এড়ানো গেল চিন-তাইওয়ান যুদ্ধ! zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যুদ্ধজাহাজ থেকে শুক্রবার আচমকাই চিনের বিরুদ্ধে একটি সুপারসনিক ‘এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার কিলার’ দেগে বসল তাইওয়ান। যদিও তাইওয়ানিজ নৌ-সেনার দাবি, শাসক কমিউনিস্ট দলের ৯৫ তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানের সময় ‘ভুল’ করে মিসাইলটি নিক্ষেপ করা হয়। তাইওয়ানের দক্ষিণে কাওহসিউং নৌসেনা ঘাঁটি থেকে শুক্রবার অ্যান্টি শিপ মিসাইলটি ছোড়া হয়। তাইওয়ানিজ প্রেসিডেন্ট, যিনি দেশের নৌ-বাহিনীর প্রধানও, এখন বিদেশ সফরে রয়েছেন।

তাইওয়ানিজ নৌসেনার ভাইস অ্যাডমিরাল মেই চিয়া-সু ‘চাইনা মর্নিং পোস্ট’-কে জানিয়েছেন, “অপারেশনাল ত্রুটির জন্য এই দুর্ঘটনাটি ঘটল। গোটা ঘটনার তদন্ত হবে।” চিনের সঙ্গে সম্পর্ক যখন তলানিতে, ঠিক সেই মুহূর্তে তাইওয়ানের এই ‘কীর্তি’ বেজিং-তাইপেই সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা বাড়তে শুরু করেছে। তাইওয়ানিজ নৌসেনা সূত্রে খবর, বিষয়টি এখন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের আওতাধীন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

৩০০ কিলোমিটার রেঞ্জের ওই মিসাইল প্রায় ৭৫ কিলোমিটার ওড়ার পর পেংঘু দ্বীপের কাছে ভেঙে পড়ে। ওই ঘটনায় এক মৎসজীবীর মৃত্যু হয়, আহত তিনজন। মিসাইলটি ঠিক কোথায় ভেঙে পড়েছে, জানতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু করেছে।

তাইওয়ানের সঙ্গে চিনের সম্পর্ক এমনিতেই মধুর নয়। জন্মলগ্ন থেকেই চলে আসছে বৈরিতা। সম্প্রতি চিনের বিরুদ্ধে পূর্ণ স্বাধীনতা ঘোষণা করে তাইওয়ান। চিন যদিও তাইওয়ানকে স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি কোনও দিনই। কিন্তু আমেরিকা-সহ বেশ কয়েকটি দেশ তাইওয়ানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রেখে চলে। চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে আমেরিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা আরও বাড়িয়ে তাদের কাছ থেকে মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম কিনে মহড়ার প্রস্তুতিও শুরু করেছে তাইপেই।

প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওই মিসাইল চিনকে কোনও ভাবে আঘাত করলে, যুদ্ধ অবধারিত ছিল। তবে সে ক্ষেত্রে লড়াই শুধু চিন-তাইওয়ানের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকত না। তাইওয়ানের সঙ্গে আমেরিকার গাঁটছড়া যতটা মজবুত, তাতে যুদ্ধে ন্যাটো বাহিনীর জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও ছিল প্রবল। দক্ষিণ চিন সাগর ইস্যুকে কেন্দ্র করে চিনের সঙ্গে যে সব দেশের উত্তেজনা এখন তুঙ্গে, তারাও যুদ্ধের বাইরে থাকত কি না, সংশয় রয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.