Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

নারকেল গাছের উপর কে কাঁদে?

যে যত বড় সাহসীই হোক না কেন মাঝরাতে যদি হঠাৎ বাড়ির খুব কাছে শিশুর কান্না আর গোঙানির আওয়াজ ভেসে আসে, তবে ভয় তো লাগবেই৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৬, ১৪:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৩০, ২০১৬, ১৪:৫৮

options
link
নারকেল গাছের উপর কে কাঁদে? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যে যত বড় সাহসীই হোক না কেন মাঝরাতে যদি হঠাৎ বাড়ির খুব কাছে শিশুর কান্না আর গোঙানির আওয়াজ ভেসে আসে, তবে ভয় তো লাগবেই৷ আরও বেশি ভয় লাগবে যখন পুরোহিত ডেকে পুজোপাঠ করানো হলেও থামবে না সেই কান্না৷ একটানা রোজ শিশুর কান্না চলতেই থাকবে৷

এমনই ঘটনা ঘটল গোবিন্দর পরিবারের সঙ্গে৷ বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা গোবিন্দর বাড়ির পাশেই রয়েছে এক সারি নারকেল গাছ৷ সেখান থেকেই মাঝেমধ্যে ভেসে আসছিল কান্নার আওয়াজ৷ দিনে-রাতে হঠাৎ করে ভেসে আসা এই আওয়াজ খুব স্বাভাবিকভাবেই ভীতির সঞ্চার করেছিল পরিবারের সদস্যদের মনে৷

Advertisement

আর খুব স্বাভাবিকভাবেই সকলেই এই কাণ্ডকে ভৌতিক বলেই মেনে নিয়েছিলেন৷ বাড়ি থেকে অশরীরীকে বিদায় করতে পুজোপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেন পরিবার৷ জ্যোতিষীর কাছে যাওয়া হলে তিনি বলেন ওই গাছে প্রেতাত্মার বাস৷ শুনে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায় বৈকি৷

কিন্তু এতকিছুর পরেও সমস্যার সমাধান মিলল না৷ গাছের ভূত গাছেই রয়ে গেল৷ কিন্তু অবশেষে ভূতের সন্ধানে সিনা পূজারী হাজির হলেন৷ সিনা আসলে নারকেল পারার কাজ করেন৷ গোবিন্দর বাড়ির গাছগুলি থেকেও তিনিই নারকেল পারতেন৷ আর তিনি আসলে ভূতের সন্ধানে গোবিন্দর বাড়িতে আসেননি৷ এসেছিলেন নিজের হারিয়ে যাওয়া ফোনের সন্ধানে৷ সিনা গাছ বেয়ে উঠে নিজের ফোনটি গাছ থেকে নামিয়ে আনেন যেটি তিনি কয়েকদিন আগে ভুল করে গাছে রেখেই চলে গিয়েছিলেন৷

ঘটনাচক্রে মনে করতে পারছিলেন না কোথায় ফোনটি ফেলে গিয়েছেন তিনি৷ আর তাই মাঝেমধ্যেই নিজের নম্বরে ফোন করতেন৷ আর সেই শিশুর ভৌতিক কান্নার রিংটোন বেজে উঠত নারিকেল গাছের মাথায়৷ আর গোবিন্দ এবং তাঁর পরিবার ভাবতেন আবার বুঝি শুরু হল অশরীরীর উৎপাত৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.