স্টাফ রিপোর্টার, দক্ষিণ চবিবশ ২৪ পরগনা: ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার বা তারও বেশি পথ৷ নয়তো কমপক্ষে তিনটি নদীর জল ভেঙে প্রসূতি মায়েদের এতদিন পৌঁছতে হত হাসপাতালে৷ অগত্যা পথেই সন্তান প্রসবের ঘটনাটা প্রায় স্বাভাবিক চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুন্দরবন এলাকার বেশ কিছু ব্লকের৷ ফলে হাসপাতালে প্রসূতি কার্ড থাকলেও অনেকেই বাড়িতে প্রসব করানোটাকেই ভাল মনে করতেন৷
কিন্তু এই চিত্রের আমূল বদল ঘটেছে৷ কারণ, রাজ্য সরকারের প্রসূতিহাবের পরিকল্পনা৷ যার জন্য বেড়ে গিয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারি৷ স্বাস্থ্য দফতরের সূত্রে খবর, বাড়িতে সন্তান প্রসবে বাচ্চা ও মায়েদের ক্ষতির সম্ভাবনা থেকে যায়৷ তাই প্রসূতি মায়েদের নির্দিষ্ট তারিখের আগে হাসপাতালে এনে ওয়েটিং হাবে রেখে নিয়ম করে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়৷ দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ও পাথরপ্রতিমায় চালু হয়েছে রাজ্যের প্রথম ওয়েটিং হাব৷
জেলার স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ ডাক্তার তরুণ রায় বলেন, সুন্দরবন এলাকায় আগে ৩৮ থেকে ৪০ শতাংশ প্রসূতি মায়েরা হাসপাতালে আসতেন৷ এখন তা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে৷ রাজ্য সরকার মায়েদের জন্য জননী সুরক্ষা যোজনা ও নিশ্চয় যান চালু করেছে৷ গোসাবা বা পাথরপ্রতিমায় নিশ্চয় যান চালানো সম্ভব নয়৷ তাই প্রসূ্তিকে পুরো খরচ দিয়ে দিচ্ছে সরকার৷ ফলে এই প্রত্যন্ত এলাকায় সফলভাবে চলছে এই প্রসূতি হাব৷
সর্বশেষ খবর
-
আঞ্চলিক মিষ্টির জিআই ট্যাগ নিয়ে তৎপর বঙ্গ বিজেপি! ‘মিষ্টি হাব’ তৈরিরও পরিকল্পনা শমীকদের
-
এবার সপ্তাহে ৬ দিনই শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’, দ্রুত টিকিট মিলবে অনলাইনেও
-
লরি চাপা পড়ে মাইকেল ক্লার্কের গাড়ি! আইপিএল শেষে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ