কৃষকদের সুবিধার্থে নতুন এফপিও তৈরি করা হবে
রাজ্যে শিল্পের প্রতিশ্রুতি দিলেন মোদি। প্রত্যেক গ্রামে রোজগার পৌঁছে দেওয়া হবে। ১২৫ দিনের। টাকা সোজা আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে যাবে। কোনও কাটমানি থাকবে না। মোদি বলছেন, বীরভূমের মানুষ আলুপোস্ত ভালোবাসে। কিন্তু আলু চাষে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে রাজ্য সরকার। বিজেপি এলে বাংলায় কৃষকদের সুবিধার্থে নতুন এফপিও তৈরি করা হবে।
মহাজঙ্গলরাজ খতমের ডাক মোদির
এরা মা মাটি মানুষের কথা বলে। কিন্তু মা আজ কাঁদছে। মাটিতে অনুপ্রবেশকারীরা দখল করছে আর মানুষ ভয়ে ভীত। বগটুইয়ে নির্দোষ মা-বাচ্চাদের জ্যান্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন তুললেন, এই মহাজঙ্গলরাজ খতম হওয়া কি জরুরি? মাটি আপনার। কিন্তু তা দখলে গ্যাংওয়ার চলছে। বালি মাফিয়া, কয়লা মাফিয়ারা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অঙ্গুলিহেলনে কাজ করছে।
মালদহে যা হল, তৃণমূল বিরাট ভুল করেছে
ভয়ের বাতাবরণ প্রথমে তৈরি করেছিল সিপিএম। এবার তৃণমূলও সেটাই করছে। মালদহে যা হল, তৃণমূল বিরাট ভুল করেছে। সিআরপিএফকে গালিগালাজ করছে। মানুষই এর জবাব হবে। বাংলায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা আর কেউ আটকাতে পারবে না। ৪ মে'র পর সব গুন্ডামির বেছে বেছে হিসাব নেওয়া হবে। বাংলায় বললেন, মাফিয়াদের মেলা আর কাটমানির খেলা চলবে না।
সভাজুড়ে মোদি মোদি স্লোগান
সভাজুড়ে মোদি মোদি স্লোগান। মানুষের ভালোবাসায় আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মুখে নারীসুরক্ষার কথা। মোদির দাবি, শাসকদল ধর্ষকদের পাশে দাঁড়ায়। অ্যাসিড অ্যাটাকে সবচেয়ে এগিয়ে বাংলা। মহিলারা সুবিধাও চায় এবং কাজও চায়। মহিলাদের অধিকার দিতে পারবে শুধু বিজেপি। নমো ড্রোন, লাখপতি দিদি প্রকল্পের মাধ্যমে মহিলাদের স্বনির্ভর করা হচ্ছে। মহিলাদের জন্য আরও অনেক কাজ হবে।
আসানসোল আর দুর্গাপুর মেগা সিটি হতে পারে
৪৫ হাজার কোটি টাকার থেকে বেশি খরচ করা হয়েছে। আসানসোল বোকারো ট্রেন চালু হয়েছে। দুটো বন্দে ভারত, দুটো অমৃত ভারত ট্রেন চালু হয়েছে। আসানসোল আর দুর্গাপুর মেগা সিটি হতে পারে। কিন্তু এখানে এখনও রাস্তাঘাট, সেতু বড় সমস্যা। দূষণও একটা বড় সমস্যা। অনেকেরই নানারকম রোগ হচ্ছে। মোদির দাবি, ৪ মে নির্মম সরকার যাবে। বিজেপি সরকার আসবে। এলাকার প্রত্যেকটা সমস্যার সমাধান হবে।
নির্মমতার সব সীমা পার করেছে তৃণমূল: মোদি
দেশের স্বাধীনতার পর, দেশের আয় ১০০ টাকা হলে ১২ টাকা ছিল বাংলার আয়। কিন্তু কংগ্রেস, সিপিএম সব শেষ করে দিয়েছে। আর ২০১১-র পর তৃণমূলের আমলে সেটা ৫ টাকা হয়ে গিয়েছে। আপনারা ভেবেছিলেন তৃণমূল সব পালটে দেবে। কিন্তু তারা নির্মমতার সব সীমা পার করে দিয়েছে। এখানে বিজেপির গুড গভর্নেন্স চাই।
বিকাশে বাধা তৃণমূল: মোদি
মোদির আহ্বান, বাংলার উন্নয়নের জন্য তৃণমূল সরকারের বিদায় জরুরি। আসানসোলবাসী খুব ভালো করে জানেন, বিকাশে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল। কয়লা কারবারে সিন্ডিকেট রাজ চালাচ্ছে তৃণমূল। কয়লা মাফিয়া, বালু মাফিয়ারা এই এলাকার বোঝা। বাঙালিরা এসবে বিরক্ত। তিনি বলছেন, গোটা দেশ থেকে মানুষ এখানে কাজ করতে আসতেন। কিন্তু এখন এখানকার যুবদেরই বাইরে যেতে হচ্ছে।
মোদির ছয় গ্যারান্টি
হলদিয়া থেকে ছয় গ্যারান্টির ঘোষণা মোদির। ১. ভয়ের জায়গায় ভরসা আরোপ করবে মোদি সরকার। ২. সমস্ত কাজের জন্য সরকারি সিস্টেমকে সাধারণ মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। ৩. দুর্নীতি তথা মেয়েদের সঙ্গে হওয়া অপরাধের সব ফাইল খুলবে। ৩. দুর্নীতিগ্রস্তরা জেলে যাবে। মন্ত্রী হোক বা নেতা, কাউকে রেয়াত করা হবে না। আইন-ই বিচার করবে। ৪. কাউকে টাকা খেতে দেওয়া হবে না। ৫. অনুপ্রবেশকারীরা ভারতে থাকতে পারবে না। ৬. সরকারি কর্মচারী, শিক্ষকদের জন্য সপ্তম পে কমিশন লাগু করা হবে।
কেন্দ্রের স্কিম বাংলাকে পেতে দিচ্ছে না তৃণমূল
কেন্দ্রের স্কিমগুলো বাংলাকে পেতে দিচ্ছে না তৃণমূল বলে দাবি মোদির। তৃণমূল সরকারের জন্য পিএম মৎস্য সম্পদের লাভ পাননি বঙ্গের মৎস্যজীবীরা। উলটে স্কিমের নাম বদলাতে ব্যস্ত রাজ্য সরকার। মৎস্যজীবী এবং কৃষকদের জন্য একাধিক স্কিম চালু করেছে কেন্দ্র। বিজেপি এলে সেই সব দ্রুত পাবে রাজ্যবাসী। সব ধরনের কৃষকরাই উপকৃত হবেন। ডবল ইঞ্জিন সরকার হলে হলদিয়ায় শিল্পের কাজও গতি পাবে।
১০০ বছরেও পাপ ধুতে পারবে না তৃণমূল
মোদি বলছেন, এই রাজ্যের যুবদের সঙ্গে তৃণমূল যা করেছে, সেই পাপ ১০০ বছরেও ধুতে পারবে না তারা। প্রাইভেট সেক্টর আর নেই। চাকরিও নিয়ে নিয়েছে। ডবল ধোঁকা দিচ্ছে তৃণমূল সরকার। দুর্নীতি ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধে মোদির ঘোষণা, 'ক্ষমতায় এলেই রোজগার মেলা'। ভোটব্যাঙ্ককে খুশি করতে ধর্মকে সামনে রেখে সংরক্ষণ দিচ্ছে। কিন্তু মাহিষ্যদের দেখে না। কারণ তারা ভোটব্যাঙ্ক নয়। বিজেপি সংবিধান অনুযায়ী কাজ করবে। যাক যা অধিকার, তাই পাবে। এটা মোদির গ্যারান্টি।
শিল্প নিয়ে তৃণমূলকে তোপ মোদির
তমলুকে আগে শিল্প ছিল। তৃণমূল আমলে কিছুই নেই বলে দাবি মোদির। পাশাপাশি তিনি বলেন, আগে নানা জায়গা থেকে মানুষ হলদিয়ায় কাজ করতে আসতেন। এখন সকলে আন্দামান, ওড়িশা যাচ্ছে। এখন তৃণমূল ভয় দেখিয়ে শাসন চালাচ্ছে। পুরোটাই ভয়ের উপর দাঁড়িয়ে আছে। ভয় দিয়ে শিল্প আসে না। ভরসা দিয়ে আসে। আর সেই ভরসা শুধু বিজেপিই দিতে পারে।
বক্তব্য রাখছেন শুভেন্দু অধিকারী
এত দুর্যোগ সত্ত্বেও হলদিয়ায় পৌঁছনোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান শুভেন্দু। এই জেলার ১৬টি আসনেই বিজেপি প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তিনি মোদিকে স্মরণ করান, চব্বিশের নিরিখে পূর্ব মেদিনীপুরে ১৫-তে এগিয়ে ছিল বিজেপি। তবে এবার ষোলোয় ষোলো করতে অঙ্গীকারবদ্ধ তিনি।
নিবেদিত


