Advertisement
Advertisement
Bengal Election 2026

অ্যাডভান্স নিয়েও মোদির সভায় যেতে নারাজ ২০০ বাস! লোক আনতে বিপাকে বিজেপি, খোঁচা তৃণমূলের

তৃণমূলের দাবি, সভার আগে কুলটি এলাকায় কর্মী-সমর্থক জোগাড় করতে ব্যর্থ হয়ে বিজেপি এখন বাস বাতিলের ‘তত্ত্ব’ খাড়া করে মুখ রক্ষার চেষ্টা করছে।

Advertisement
শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১৫:০০

link
শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১৫:০০

options
link
অ্যাডভান্স নিয়েও মোদির সভায় যেতে নারাজ ২০০ বাস! লোক আনতে বিপাকে বিজেপি, খোঁচা তৃণমূলের zoom
ফাইল ছবি।

ভোট (Bengal Election 2026) প্রচারে ঝড় তুলতে আজ, বৃহস্পতিবার ফের বঙ্গ সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। হলদিয়া, আসানসোল-সহ আরও একটি সভা আছে তাঁর। কিন্তু সেই সভা শুরু হওয়ার আগেই বিপত্তি! জানা যাচ্ছে, মোদির সভায় কর্মীদের যাওয়ার জন্য ২০০টি বাস বুক করা হয়েছিল বিজেপির তরফে। দিয়ে দেওয়া হয়েছিল অ্যাডভান্স। কিন্তু শেষ মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যেতে নারাজ বাস কর্মীরা। আসানসোলের পোলো ময়দানে মোদির বিজয় সংকল্প সভা রয়েছে। বাস কর্মীরা সেখানে না যেতে চাওয়ায় কার্যত কোণঠাসা গেরুয়া শিবির। কর্মীদের সভাস্থলে আনতে রীতিমতো চাপের মুখে বিজেপি নেতৃত্ব। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পশ্চিম বর্ধমানের রাজনীতিতে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। এহেন পরিস্থিতির জন্য শাসকদল তৃণমূলকে একহাত নিয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। যদিও তৃণমূলের দাবি, সভার আগে কুলটি এলাকায় কর্মী-সমর্থক জোগাড় করতে ব্যর্থ হয়ে বিজেপি এখন বাস বাতিলের ‘তত্ত্ব’ খাড়া করে মুখ রক্ষার চেষ্টা করছে।

আগামী ২৩ এপ্রিল রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। এরপর ভোট (Bengal Election 2026) রয়েছে ২৯ এপ্রিল। ইতিমধ্যে ভোট প্রচারে নেমে পড়েছেন শাসক-বিরোধী দলের নেতারা। প্রচারে ঝড় তুলতে উত্তর থেকে দক্ষিণে সভা করছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরমধ্যেই প্রচারে বাংলায় আসতে শুরু করেছেন মোদি-সহ দিল্লির কেন্দ্রীয় নেতারা। কিন্তু তার আগেই বাস নিয়ে তুঙ্গে রাজ্য-রাজনীতি। ঘটনায় রীতিমতো বিব্রত বিজেপি! বাস মালিকরা অগ্রিম টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়ায় চরম অস্বস্তিতে পড়েছেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা কেশব পোদ্দার এই প্রসঙ্গে বলে, ”শাসকদল প্রতিহিংসার রাজনীতি করছে। বাস মালিকদের ভয় দেখানো হচ্ছে। বলা হচ্ছে, মোদির সভায় গেলে বাস বসিয়ে দেওয়া হবে। এর বিরুদ্ধে জেলার মানুষ জবাব দেবে।

Advertisement

যদিও বিজেপির এহেন অভিযোগ উড়িয়ে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি সাফ জানিয়েছে, কোনও জোরজবরদস্তি নয়, বরং এটি শ্রমিকদের স্বতঃস্ফূর্ত সিদ্ধান্ত। তৃণমূল নেতা রাজু আহলুওয়ালিয়ার মতে, বাসের চালক ও কর্মীরা তৃণমূলের আদর্শে বিশ্বাসী। কর্মীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনোভাবেই নিজেদের গাড়িতে বিজেপির ঝাণ্ডা লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাবেন না। এটি শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সংগঠনের প্রতি তাঁদের আনুগত্যের প্রতিফলন। 

তৃণমূল নেতা রাজু আহলুওয়ালিয়ার মতে, বাসের চালক ও কর্মীরা তৃণমূলের আদর্শে বিশ্বাসী। কর্মীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, কোনোভাবেই নিজেদের গাড়িতে বিজেপির ঝাণ্ডা লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাবেন না। এটি শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং সংগঠনের প্রতি তাঁদের আনুগত্যের প্রতিফলন। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এলাকায় সংগঠন মজবুত না থাকায় এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া না পেয়েই এখন তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ ঘটকের ওপর দায় চাপিয়ে নজর ঘোরানোর চেষ্টা করছে গেরুয়া শিবির। কুলটির মানুষ একে বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা হিসেবেই দেখছেন। শুধু তাই নয়, ২০০টি বাসের ব্যবস্থা করতে না পারা বিজেপির অভ্যন্তরীণ সমন্বয়হীনতাকেই প্রকট করেছে বলেই মত ওয়াকিবহালমহলের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.