রাজ্য অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে বেনজির পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। রাজ্যে দু’দফায় ভোট (West Bengal Assembly Election 2026)। আর দু’দফাতেই ভোট যাতে রক্তপাতহীন নির্বাচন হয়, সেটা নিশ্চিত করতে বেনজিরভাবে ২৫০০ কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। অর্থাৎ প্রতি দফাতে প্রায় আড়াই লক্ষ করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান কাজ করবেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই খবর।
কমিশন জানিয়েছে প্রতি দফায় প্রায় ২৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। কোথায়, কত মোতায়েন করতে হবে, শান্তিতে ভোট করাতে কত কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন, স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা কত বৃদ্ধি পেল, এসব নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বুধবার আলোচনা হয় নির্বাচন কমিশনের। জেলা থেকে রিপোর্ট আসার পরই আধা সেনা মোতায়েনের বিষয়টি চূড়ান্ত হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
আরও পড়ুন:
কমিশন জানিয়েছে প্রতি দফায় প্রায় ২৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। কোথায়, কত মোতায়েন করতে হবে, শান্তিতে ভোট করাতে কত কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন, স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা কত বৃদ্ধি পেল, এসব নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে বুধবার আলোচনা হয় নির্বাচন কমিশনের।
তবে এবার ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) অবাধ করতে আরও বেশ কয়েকটি নতুন ও নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। জানা গিয়েছে, এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজের ক্ষেত্র শুধু ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। বুথ এলাকার অন্য প্রান্তেও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এমনকী ভোটকেন্দ্রের বাইরে ভোটারকে হুমকি, ভয় দেখানোর মতো অভিযোগ পেলে পুনর্নির্বাচন হতে পারে। ছাপ্পা, অশান্তি, বুথ দখলের মতো ঘটনা বরদাস্ত করা হবে না বলে সাফ জানাচ্ছে কমিশন।
এখানেই শেষ নয়, জানা গিয়েছে কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তথাকথিত ‘ট্রাবল মঙ্গার’দের ডেরা শনাক্ত করে সেই অনুযায়ী রুট মার্চ করবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। কলকাতার রুট ম্যাপ তৈরি করে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের হাতে ইতিমধ্যেই তুলে দিয়েছে পুলিশ। লালবাজারের সূত্র জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ৩০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পৌঁছেছে কলকাতায়। শহরের বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে রুট মার্চ। এবার রুট মার্চের ক্ষেত্রে শহরের ‘ট্রাবল মঙ্গার’দের উপর গুরুত্ব দিচ্ছে পুলিশ। এই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছে লালবাজারের কর্তাদের। এরপর রাজ্যের অন্য প্রান্তেও একইভাবে রুটমার্চ হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক
নিবেদিত


