Advertisement
Advertisement

প্রশাসনকে পাশ কাটিয়ে ভোটের চেষ্টা! বাংলায় আধিকারিক বদলি নিয়ে কমিশনকে তোপ গোটা ইন্ডিয়া জোটের

নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও আধিকারিক বদলি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অভিযোগ তুলেছেন, তা এখন রাজ্যের সীমানা ছাড়িয়ে জাতীয় রাজনীতির ইস্যু হয়ে উঠছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৬, ১৮:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৬, ১৮:৩৬

options
link
প্রশাসনকে পাশ কাটিয়ে ভোটের চেষ্টা! বাংলায় আধিকারিক বদলি নিয়ে কমিশনকে তোপ গোটা ইন্ডিয়া জোটের zoom
মমতার পাশে ইন্ডিয়া জোট।

পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা এবং ব্যাপক হারে প্রশাসনিক আধিকারিকের বদলি নিয়ে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, নির্বাচনের আগে ইচ্ছাকৃতভাবে রাজ্যের প্রশাসনিক কাঠামোতে হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে এবং একের পর এক আধিকারিককে বদলি করে দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগের পরই তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থনের সুর তুলেছে দেশের একাধিক বিরোধী দল।

সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব শনিবার মমতার বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বড় সংখ্যায় আধিকারিকদের সরিয়ে দেওয়ার খবর তিনি শুনেছেন। তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপির বিরুদ্ধে যা বলেছেন, তা কমই বলেছেন। যদি তিনি একা লড়েন, তবুও জিতবেন।” একই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, বিজেপি যখন সেখানে ক্ষমতায় আসে, তখন কোনও আধিকারিককে সরানো হয়নি। বরং প্রশাসনকে ব্যবহার করে ভোটে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।

Advertisement

আরজেডি-র রাজ্যসভা সাংসদ মনোজ ঝা-ও এদিন পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর অভিযোগ, রাজ্যে “প্রতীকী হিংসা” শুরু হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর মতে, ৩৫৬ ধারা জারি না করেই রাজ্যের প্রশাসনকে কার্যত পাশ কাটিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে, যা গণতন্ত্রের জন্য উদ্বেগজনক। এই ইস্যুতে মুখ খুলেছেন ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার রাজ্যসভার সাংসদ মহুয়া মাজিও। তিনি বলেন, সংবিধানের অধিকার অনুযায়ী কোনও সরকার কাজ করলে তা স্বাগত, কিন্তু সংবিধানের বাইরে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হলে তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর বক্তব্যেও মমতার অভিযোগের প্রতি সমর্থনের সুরই স্পষ্ট।

রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা ও আধিকারিক বদলি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অভিযোগ তুলেছেন, তা এখন রাজ্যের সীমানা ছাড়িয়ে জাতীয় রাজনীতির ইস্যু হয়ে উঠছে। বিশেষ করে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে একাধিক বিরোধী দল এখন একসুরে কথা বলছে। ফলে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়ারই সম্ভাবনা রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই ঘটনায় বিরোধী শিবিরের ঐক্যের বার্তা আরও স্পষ্ট হচ্ছে এবং সংসদের চলতি বাজেট অধিবেশনে তার প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.