Advertisement
Advertisement
West Bengal Election 2026

নাম বাদ পড়তেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজগঞ্জের ৪ বারের তৃণমূল বিধায়কের, কী বলছেন নতুন প্রার্থী স্বপ্না?

২০০৯ সাল থেকে টানা জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হয়ে আসছেন তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলার কনভেনর খগেশ্বর।

Advertisement
শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৬, ১৭:২১

link
শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: মার্চ ১৮, ২০২৬, ১৭:২১

options
link
নাম বাদ পড়তেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজগঞ্জের ৪ বারের তৃণমূল বিধায়কের, কী বলছেন নতুন প্রার্থী স্বপ্না? zoom
নাম বাদ পড়তেই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত রাজগঞ্জের ৪ বারের তৃণমূল বিধায়কের। এবারে তৃণমূলের প্রার্থী স্বপ্না বর্মন।

তৃণমূল প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করতেই দেখা গিয়েছে বাদ পড়েছেন ৭৪ জন বিধায়ক। সেই তালিকায় রয়েছেন জলপাইগুড়ি জেলার তৃণমূলের চেয়ারম্যান তথা রাজগঞ্জ বিধানসভার চারবারের বিধায়ক খগেশ্বর রায়। নিজের আসন হাতছাড়া হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তিনি। জলপাইগুড়ি জেলার তৃণমূলের চেয়ারম্যান পদত্যাগ করবেন বলেই ঘোষণা করেন। এবিষয়ে অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মনের (ছাব্বিশে রাজগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী) সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “দিদি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমার এনিয়ে কিছু বলার নেই।” যদিও পরবর্তীতে আশীর্বাদ নিতে খগেশ্বর রায়ের কাছে গিয়েছেন স্বপ্না।

২০০৯ সাল থেকে টানা জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হয়ে আসছেন তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলার কনভেনর খগেশ্বর। এবারও তাকেই প্রার্থী করা হবে একপ্রকার নিশ্চিত ছিলেন সকলেই। মঙ্গলবার প্রার্থী তালিকা ঘোষনা হতেই ক্ষোভের আঁচ বাড়তে থাকে রাজগঞ্জের তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে।

২০০৯ সাল থেকে টানা জলপাইগুড়ি রাজগঞ্জ বিধানসভা আসন থেকে জয়ী হয়ে আসছেন তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলার কনভেনর খগেশ্বর। এবারও তাঁকেই প্রার্থী করা হবে একপ্রকার নিশ্চিত ছিলেন সকলেই। মঙ্গলবার প্রার্থী তালিকা ঘোষনা হতেই ক্ষোভের আঁচ বাড়তে থাকে রাজগঞ্জের তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে। কারণ, ছাব্বিশে এই আসনে খগেশ্বর রায়ের বদলে প্রার্থী করা হয়েছে এশিয়াডে সোনা জয়ী স্বপ্না বর্মনকে। তা জানামাত্রই পদত্যাগের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন খগেশ্বর। তাঁর পাশাপাশি পদত্যাগের হিড়িক পড়ে গিয়েছে অনুরাগীদের মধ্যেও। তৃণমূলের রাজগঞ্জ ব্লক সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছে অরিন্দম বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ শাখা সংগঠনের নেতারা।

Advertisement

খগেশ্বর রায়ের স্পষ্ট বক্তব্য, “দলের কাছ থেকে এই আঘাত প্রত্যাশা করিনি। তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার সময় থেকে দলের হয়ে লড়াই করছি। ২০০৯ সালে উত্তরবঙ্গে বাম দুর্গে আমিই প্রথম ফাটল ধরাই।”

খগেশ্বর রায়ের স্পষ্ট বক্তব্য, “দলের কাছ থেকে এই আঘাত প্রত্যাশা করিনি। তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার সময় থেকে দলের হয়ে লড়াই করছি। ২০০৯ সালে উত্তরবঙ্গে বাম দুর্গে আমিই প্রথম ফাটল ধরাই।” তাঁর কথায়, “টাকার কাছে হেরে গেলাম।” এবিষয়ে সংবাদ প্রতিদিনের তরফে যোগাযোগ করা হয়েছিল স্বপ্না বর্মনের সঙ্গে। তিনি বলেন, “আমার বাবা খুব অসুস্থ। তাঁকে নিয়ে শিলিগুড়িতে রয়েছি। দিদি যা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা হবে। এখানে আমার কিছু বলার নেই।” খগেশ্বর রায়কে নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি। তবে প্রচার শুরুর আগে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ অর্থাৎ বিদায়ী বিধায়কের সঙ্গে দেখা করতে যান স্বপ্না। তাঁদের কথা হয়েছে বলেই খবর। তারপর খগেশ্বর রায় বলেন, “টিকিট কাকে দেওয়া হবে সেই সিদ্ধান্ত দলের। স্বপ্না এসেছিলেন, কথা হয়েছে। ওর নতুন জীবন সফল হোক, সেই কামনা করি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.