Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

ভোটের আগে ভেঙে খানখান হুমায়ুনের আমজনতা পার্টি, একসঙ্গে ৫ প্রার্থীর তৃণমূলে যোগ!

কয়েক ঘণ্টা পরেই ভোটের প্রচার শেষ। শেষবেলায় হুমায়ুন কবীরের দলের পাঁচ প্রার্থী তৃণমূলে যোগ দিলেন। প্রথম দফার ভোটের আগে হুমায়ুন কবীর বড় ধাক্কা খেলেন পশ্চিম বর্ধমানে। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ঘটনা জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ছড়িয়েছে।

Advertisement
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৫:১৮

link
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৫:১৮

options
link
ভোটের আগে ভেঙে খানখান হুমায়ুনের আমজনতা পার্টি, একসঙ্গে ৫ প্রার্থীর তৃণমূলে যোগ! zoom
ভোটের আগে দলবদল। নিজস্ব চিত্র

কয়েক ঘণ্টা পরেই ভোটের (West Bengal Assembly Election) প্রচার শেষ। শেষবেলায় হুমায়ুন কবীরের (Humayun Kabir) দলের পাঁচ প্রার্থী একসঙ্গে তৃণমূলে যোগ দিলেন। প্রথম দফার ভোটের আগে হুমায়ুন কবীর বড় ধাক্কা খেলেন পশ্চিম বর্ধমানে। এমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ঘটনা জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ছড়িয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় একসময় হুমায়ুন কবীরের আমজনতা উন্নয়ন পার্টিতে বহু মানুষ যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু গত কয়েক দিনে বহু নেতা, কর্মী ওই দল ছাড়ছেন! এবার চার প্রার্থী একসঙ্গে দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। জেলার ৮ প্রার্থীর মধ্যে ৪ প্রার্থী হুমায়ুন কবীরের দলত্যাগ করলেন। ভোটের ঠিক মুখে হুমায়ুনের দল ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’ ছাড়লেন ৪ প্রার্থী। এছাড়াও মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী যাদব দাসও দল ছেড়ে তৃণমূলে এলেন। যাদব দাসের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে। 

রানিগঞ্জের রাহুল ঘোষ, দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের রুবিনা বেগম, বারাবনির অদ্বৈত দাস, পাণ্ডবেশ্বরের জুবেদ দাস আমজনতা উন্নয়ন পার্টির হয়ে প্রার্থী হয়েছিলেন। কিন্তু শেষপর্যন্ত তাঁরা ভোটে লড়লেন না। উন্নয়নের স্বার্থেই তাঁরা দলবদল করে তৃণমূলে যোগ দিলেন। তৃণমূলের জেলা সভাপতি তথা পাণ্ডবেশ্বরের জোড়াফুল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর হাত ধরে এদিন এই দলবদল হয়। ওই চারজনের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেওয়া হল।

Advertisement

কিন্তু ভোটের দু’দিন আগে কেন এই দলবদল? রাহুল ঘোষ, রুবিনা বেগমরা জানিয়েছেন, বারবি মসজিদ করবে বলে হুমায়ুন কবীর প্রচার শুরু করেছিলেন। মানুষের আস্থা অর্জন করেছিলেন। কিন্তু তারপর আর সেই ব্যাপারে খবর নেই। এদিকে হুমায়ুন কবীরের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে তৃণমূলকে হারাতে বিজেপির সঙ্গে হাজার কোটি টাকার ডিল হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও সেই ভাইরাল ভিডিওর কোনও সত্যতা যাচাই করেনি সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল। ওই ভিডিওর পরেই দলের ও হুমায়ুনের ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নেতার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মানুষজন।

সেই কারণেই ওই চার প্রার্থী দলবদল করলেন। দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের রুবিনা বেগম, বারাবনির প্রার্থী অদ্বৈত দাস ও পাণ্ডবেশ্বরের প্রার্থী জাবেদ শেখ। তাঁরা তৃণমূলে যোগ দিয়ে বলেন, “সংখ্যালঘু ভোট কাটতে হুমায়ুন দল তৈরি করলেও কিছু কাজ হবে না। কারণ, সংখ্যালঘুদের উন্নয়ন করে একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেজন্যই আমরা যোগ দিলাম তৃণমূলে।” পাণ্ডবেশ্বর তৃণমূল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী বলেন,”মহিলা ভোট কাটতে আমজনতা উন্নয়ন পার্টি বিভিন্ন জায়গায় প্রার্থী দিয়েছিল। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হল না। সবাই বুঝতে পারছে তৃণমূলের উন্নয়ন। সেজন্যই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করতে তাঁরা তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন। সকলেই তৃণমূলের হয়ে প্রচারে নামবেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.