Advertisement
Advertisement
Calcutta HC

‘যখন খুশি নিয়ম বদল করছেন?’, অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার নিয়োগে হাই কোর্টের ‘রোষে’ কমিশন

অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার হিসাবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। তার বিরোধিতায় পালটা কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। ওই মামলায় আদালতে কড়া প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন।

Advertisement
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৩:৫০

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০২৬, ১৩:৫০

options
link
‘যখন খুশি নিয়ম বদল করছেন?’, অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার নিয়োগে হাই কোর্টের ‘রোষে’ কমিশন zoom
অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার নিয়োগ মামলায় কমিশনকে 'ভর্ৎসনা' হাই কোর্টের। ফাইল ছবি

অধ্যাপকদের পোলিং অফিসার হিসাবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। তার বিরোধিতায় পালটা কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের হয়। ওই মামলায় আদালতে কড়া প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন। বিজ্ঞপ্তির ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ হাই কোর্টের। বিচারপতি কৃষ্ণা রাওয়ের এজলাসে মামলার শুনানি হয়।

কমিশনের উদ্দেশে বিচারপতির প্রশ্ন, “আপনারা যখন যেমন খুশি বিজ্ঞপ্তি দেবেন? আমি কোনও রসিকতা করছি না। আপনাদের বিজ্ঞপ্তি যা বলছে, তাতে এবার বিচারপতিদের পোলিং অফিসার হিসাবে নিয়োগ করুন। আপনারা তো বিচারপতিদেরও নিয়োগের ব্যবস্থা রেখেছেন। কোনও অসুবিধা নেই। আমাদের নিয়োগ করুন। আমরা পোলিং অফিসার হিসেবে বুথে ডিউটি করতে যাব। আপনারা নিজেদের যখন খুশি নিয়ম বদল করছেন। আর আপনাদের নিজেদের নথি গড়মিলে ভরা।” কমিশনের যুক্তি, “একেবারে ভোটের (West Bengal Assembly Election) মুখে মামলা করা হয়েছে। এখন নতুন করে লোক নিয়োগ করে ট্রেনিং দিয়ে ভোট করানো সম্ভব নয়।”

Advertisement

তা শুনে চরম ক্ষোভপ্রকাশ করেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। তিনি বলেন, “এটা কোনো যুক্তি হতে পারে না। তাহলে আপনাদের নিজেদের কাজের স্বপক্ষে যথাযথ যুক্তি দিতে হবে। তারা যদি ভোটের পরে মামলা করেন, তখন আদালত কী করবে! ফলে নিজেদের কাজের যুক্তি কমিশনকেই দিতে হবে। আপনাদের এইসব দেখেও যদি আদালত চোখ বন্ধ করে থাকে তাহলে অনিয়ম চলবে।” কমিশনের পালটা যুক্তি, “এখন এই বিজ্ঞপ্তিতে হস্তক্ষেপ করলে ২৩টি জেলাতেই আমাদের নতুন করে নিয়োগ করতে হবে। এসআইআর-এর কাজে জুডিশিয়াল অফিসারদের নিয়োগ করা হয়েছে। এই অবস্থায় এখানে আদালত হস্তক্ষেপ করলে গোটা নির্বাচন বন্ধ করে দিতে হবে।”

বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, “তার মানে আপনারা অযৌক্তিক বিজ্ঞপ্তি দেবেন। সেটাকেই মান্যতা দিতে হবে? তাহলে এই মামলা সুপ্রিম কোর্টে পাঠিয়ে দিচ্ছি, সেখানে গিয়ে কমিশন এই যুক্তি দিক। বিচারকদের এসআইআর-এর কাজে নিয়োগ করা হয়েছে। এখানেও সেটা কাজে লাগানো হোক। চলে যান সুপ্রিম কোর্টে।” মামলার আবেদনকারীদের তরফের আইনজীবী বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, “কমিশন রিজার্ভে যে অফিসারদের রেখেছে তাদের কাজে লাগাক। সুপ্রিম কোর্ট বিচারকদের নিজের বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করে কাজে লাগিয়েছে। সেই ক্ষমতা অন্য কোর্টের নেই।” বিচারপতির নির্দেশমতো শুক্রবার নিজেদের বিজ্ঞপ্তির ব্যাখ্যা দিতে হবে কমিশনকে। না হলে নিজেদের মতো রায় দেবে আদালত। সুতরাং এদিন আদালতে কী জানায় কমিশন, সেদিকেই নজর সকলের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.