Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

যুক্তি ছাড়া সব থামিয়ে রাখার চেষ্টা! ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক বন্ধ মামলায় কমিশনকে তোপ হাই কোর্টের

কেন ভোটের তিনদিন আগে থেকে বাইক বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামিকাল হলফনামা দিয়ে তা জানাতে হবে কমিশনকে।

Advertisement
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১৩:৩৭

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০২৬, ১৩:৩৭

options
link
যুক্তি ছাড়া সব থামিয়ে রাখার চেষ্টা! ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক বন্ধ মামলায় কমিশনকে তোপ হাই কোর্টের zoom
বাইক চলাচলে কমিশনের নিষেধাজ্ঞা খারিজ কলকাতা হাই কোর্টের

ছাব্বিশের নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) শান্তিপূর্ণ করতে মরিয়া নির্বাচন কমিশন। তাই এবছরে একাধিক বেনজির পদক্ষেপ করা হয়েছে। ভোটের ৩ দিন আগে বাইক ব্যবহার নিয়ে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। তার জল গড়িয়েছে কলকাতা হাই কোর্টে। কমিশনের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছে আদালতে। সেই মামলায় কমিশনকে তোপ দাগলেন বিচারপতি। এদিন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বললেন, “অযৌক্তিকভাবে সব কিছু থামিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।” কেন ভোটের তিনদিন আগে থেকে বাইক বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আগামিকাল হলফনামা দিয়ে তা জানাতে হবে কমিশনকে।

এদিন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও কমিশনকে প্রশ্ন করে, “আপনাদের কর্তৃপক্ষ কেনও জরুরি অবস্থা ঘোষণা করছে না? দু’দিন আগে থেকে ইমারজেন্সি ঘোষণা করে ভোট করাক। তা নাহলে মানতে হবে কর্তৃপক্ষ ব্যর্থ। এইভাবে সাধারণ নাগরিকের অধিকার হরণ করা যায় না। আপনারা কেনও আপনাদের কর্তৃপক্ষকে বোঝাতে পারছেন না? শুধু বাইক কেন, তাহলে গাড়িও বন্ধ করে দিন। তাতেও তো লোকজন বোম, অস্ত্র নিয়ে গিয়ে গোলমাল পাকাতে পারে।” বিচারপতি বলেন, “কোর্টকে দেখান, গত পাঁচ বছরে কত বাইকের বিরুদ্ধে FIR হয়েছে। কতক্ষেত্রে বাইক বাহিনীর গোলমাল পাকানোর নজির আছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিচারপতি বলেন, “দু’দিন আগে থেকে সব কিছু স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছে, এটা কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা। আপনারা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন। যেহেতু ভোটের (West Bengal Assembly Election) সময় আপনাদের ক্ষমতা বা এক্তিয়ার রয়েছে, তার অপব্যবহার করছেন।” বিচারপতি আরও বলেন, “ইলেকশন কমিশনের ক্ষমতা আছে বলে যা খুশি করা যায় না। নাগরিককে হেনস্তা করা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার জন্য হলেও মানা যায়, এখানে ৭২ ঘণ্টার বেশি! আপনাদের পুলিশ প্রশাসন আছে, সিসিটিভি আছে তাহলে এইগুলোর দরকার কি? সব বন্ধ করে দিন। অযৌক্তিক ভাবে এতদিন ধরে সব কিছু থামিয়ে রাখার চেষ্টা!”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.