নির্ভয়ে ভোট (West Bengal Assembly Election) দেবেন। কোনও সমস্যা হবে না। সঙ্গে পুলিশ রয়েছে। পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে ভোটারদের অভয় দিলেন পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সারা শহরজুড়ে শুরু হয়েছে পুলিশের ‘কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার’ বা আত্মবিশাস তৈরির ব্যবস্থা। কোনও ভোটার যাতে ভোট দিতে যেতে ভয় না পান, তার জন্য এই ব্যবস্থা চালু। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে রুট মার্চ করছেন পুলিশকর্তারাও। শহরের কয়েকটি থানা এলাকায় ভোটারদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। যে অঞ্চলে এই হুমকির ঘটনা ঘটেছে, সেগুলি চিহ্নিত করা হয়েছে। আবার যে বুথ বা ভোটকেন্দ্রে সেই ভোটারদের ভোট রয়েছে, চিহ্নিত করা হয়েছে সেগুলিও। এ ছাড়াও যে এলাকায় বিগত বিধানসভা, লোকসভা ও পুরভোটে গোলমাল ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, সেই এলাকাগুলিতে প্রথমেই পুলিশ চিহ্নিত করেছে।
এই বিষয়ে আরও খবর
পুলিশকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, যে জায়গাগুলি এভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানকার ভোটারদের আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে হবে। এরপরেই প্রত্যেকটি জেলা, কমিশনারেট ও লালবাজারের আধিকারিকরা মঙ্গলবার রাত থেকেই শুরু করেন ‘কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার’ বা সিবিএম। মঙ্গলবার রাতে ডিসি (সাউথ) পার্ক স্ট্রিট থানা এলাকায় পার্ক স্ট্রিট থানার ওসি ও অন্য আধিকারিকদের নিয়ে পেমেন্টাল স্ট্রিট-সহ আরও কয়েকটি জায়গায় টহল দেন। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। এ ছাড়াও শহরের অন্য ডিসিরাও সংশ্লিষ্ট থানা এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে টহল দেন।
পুলিশকে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, যে জায়গাগুলি এভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানকার ভোটারদের আত্মবিশ্বাস তৈরি করতে হবে। এরপরেই প্রত্যেকটি জেলা, কমিশনারেট ও লালবাজারের আধিকারিকরা মঙ্গলবার রাত থেকেই শুরু করেন ‘কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার’ বা সিবিএম।
এদিন পুলিশ কমিশনার ডিইও, লালবাজারের অন্য পুলিশকর্তাদের সঙ্গে নিয়ে পূর্ব কলকাতার উল্টোডাঙার বাসন্তী কলোনি, মুরারিপুকুরের চারটি অঞ্চলে যান। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। সেখানকার ভোটারদের সঙ্গে আধিকারিকরা কথা বলেন। তাঁদের বলা হয়, তাঁরা যেন নির্ভয়ে ভোট দেন। তাঁরা যেন সকাল সকাল ভোটকেন্দ্রের সামনে লাইনে গিয়ে দাঁড়ান। ভোটের (West Bengal Assembly Election) আগে বা ভোটের দিন যদি কেউ কোনও ভোটারকে হুমকি দেন বা ভোট দিতে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধা দেন, সঙ্গে সঙ্গেই যেন পুলিশকে তা জানানো হয়। একবার ফোন করলেই তাঁর কাছে হাজির হয়ে যাবে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রয়োজনে তাঁকে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাবে পুলিশ। ভোটের আগে পর্যন্ত বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে এই ‘কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজার’ বা সিবিএম চালানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
পুরদলেও ফাটল, আইনি জটের আশঙ্কা, মমতার পছন্দে মেয়র বাছতে ‘সই’ দিলেন না অধিকাংশ কাউন্সিলর!
-
ছবির দেশ, কবিতার দেশে রূপকথা! ফরাসি ওপেনে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের স্বাদ জাভেরেভের
-
পাহাড় থেকে সমতল, ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা! আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বাসিন্দারা
-
‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের
-
শ্বাস যন্ত্রে কিছুতেই ফুঁ দিতে পারছেন না মদ্যপ! চড় কষালেন পুলিশকর্মী, ভিডিও ঘিরে বিতর্ক
নিবেদিত






