ভোটের বাংলা যেন নিরাপত্তার দুর্গ! বাকি আর মাত্র ক’টা দিন। এর মধ্যেই আরও বাহিনী আসছে রাজ্যে। ভোটের মুখে আরও ১৫০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Election 2026) নিরাপত্তা আরও কড়া করতে বড় পদক্ষেপ করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা বাহিনীর পাশাপাশি আরও ১৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPFs) ও রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ (SAPs) পশ্চিমবঙ্গে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১৮ এপ্রিলের মধ্যে এই অতিরিক্ত বাহিনী রাজ্যে পৌঁছবে।
এই বিষয়ে আরও খবর
এবার দু’দফায় অর্থাৎ আগামী ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল ভোট হবে বাংলায়। এই দু’দফাতেই ভোট যাতে রক্তপাতহীন হয়, তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কমিশন। ইতিমধ্যেই ভোটমুখী বাংলায় ২৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। শুধু তাই নয়, ভোট মিটে যাওয়ার পরেও বঙ্গে ৫০০ কোম্পানি বাহিনী থেকে যাবে বলেও মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। মূলত ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা রুখতেই এমন পদক্ষেপ বলে দাবি করা হয়েছে।
এবার ১৮ এপ্রিল ১৫০ কোম্পানি আধাসেনা আসছে রাজ্যে। এর মধ্যে CRPF-এর ৩২, BSF-এর ৫৫, CISF-এর ৬ এবং SSB-এর ২ কোম্পানি রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্য থেকে মোট ৫৫ কোম্পানি SAPs/IR ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হবে।
মার্চের শুরুতেই বাংলায় ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। পর্যায়ক্রমে আরও ১৯২০ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে বলে আগেই জানিয়েছিল মন্ত্রক। এর মধ্যে ৩১ মার্চ প্রথম দফায় ৩০০ কোম্পানি বাহিনী পৌঁছে গেছে রাজ্যে। এরপর ধাপে ধাপে ৭, ১০ ও ১৩ এপ্রিল প্রায় ৯০০ কোম্পানি বাহিনী এসেছে বাংলায়। পূর্ব পরিকল্পনা মতোই এবার ১৮ এপ্রিল ১৫০ কোম্পানি আধাসেনা আসছে রাজ্যে। এর মধ্যে CRPF-এর ৩২, BSF-এর ৫৫, CISF-এর ৬ এবং SSB-এর ২ কোম্পানি রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন রাজ্য থেকে মোট ৫৫ কোম্পানি SAPs/IR ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হবে।
জানা গিয়েছে, এবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর কাজের ক্ষেত্র শুধু ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না। বুথ এলাকার অন্য প্রান্তেও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে সেখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে কেন্দ্রীয় বাহিনী। প্রসঙ্গত, বুধবার সকালেই বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের একটা বড় অংশের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে দিল্লির নির্বাচন কমিশনে যায় তৃণমূল। সেই বৈঠকের পরই সরাসরি তৃণমূলের নাম করে এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে কমিশন। সেই পোস্টে কমিশন জানায়, তারা তৃণমূলকে সরাসরি জানিয়ে দিয়েছে এবার ভয়মুক্ত, হিংসামুক্ত, হুমকিমুক্ত, প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন হবে। কমিশন আরও জানিয়েছে, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে কোনও রকম ‘ছাপ্পা ভোট’ বরদাস্ত করা হবে না। উত্তরে তৃণমূলের তরফেও কমিশনকে ‘মুখোশ খুলে ফেলা’র হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। কমিশন-তৃণমূল পোস্ট-যুদ্ধের মাঝেই বুধবার বিকেলে রাজ্যে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক
নিবেদিত






