Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

দু’দফায় যাচাই হবে ভোটারের পরিচয়পত্র! ভুয়ো ভোটার রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

বুথ জ্যাম এবং ভুয়ো ভোটার রুখতেই কমিশনের এহেন পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১৫:২৪

link
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ১৫:২৪

options
link
দু’দফায় যাচাই হবে ভোটারের পরিচয়পত্র! ভুয়ো ভোটার রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ কমিশনের zoom
ফাইল ছবি।

ভোটারদের নিরাপত্তা এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবার আরও কড়া পদক্ষেপ নির্বাচন কমিশনের। বুথে ঢুকতে ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশনে’র মধ্যে দিয়ে যেতে হবে ভোটারদের। অর্থাৎ বুথে সঠিক ভোটার ঢুকছে কি না, তা দু’ধাপে যাচাই করা হবে। সবকিছু ঠিক থাকলে তবেই মিলবে ভোটের (West Bengal Assembly Election) অধিকার। বুথ জ্যাম এবং ভুয়ো ভোটার রুখতেই কমিশনের এহেন পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়ে কমিশনের তরফে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে।

কমিশন জানিয়েছে, ভোট দিতে যাওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট ভোটারকে কমিশনের নির্ধারিত পরিচয়পত্রগুলির মধ্যে একটি অবশ্যই রাখতে হবে। রাখতে হবে অরিজিনাল কপি। আর তা পরীক্ষা করে দেখবেন বুথের প্রবেশ পথে নিরাপত্তায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। এখানেই শেষ নয়, সংশ্লিষ্ট ওই ভোটারের পরিচয় পত্র সঠিক কিনা তা যাচাই করবেন বুথস্তরের আধিকারিক অর্থাৎ বিএলওরা। এই পর্বে পাশ করলেই সংশ্লিষ্ট ভোটার বুথে গিয়ে ভোট দেওয়ার অনুমতি পাবেন। গোটা প্রক্রিয়া অর্থাৎ ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তা কড়া নজর রাখবেন সেক্টর অফিসার। এক্ষেত্রে কোনও রকম ত্রুটি যে বরদাস্ত করা হবে না তা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। শুধু তাই নয়, ভোটগ্রহণের দিন ভোট কেন্দ্রে কোনও ধরনের আইনশৃঙ্খলা অবনতির পরিস্থিতি তৈরি না হয়, তা নিশ্চিত করতেই এহেন পদক্ষেপ বলেও দাবি কমিশনের।

Advertisement

কমিশন জানিয়েছে, ভোট দিতে যাওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট ভোটারকে কমিশনের নির্ধারিত পরিচয়পত্রগুলির মধ্যে একটি অবশ্যই রাখতে হবে। রাখতে হবে অরিজিনাল কপি। আর তা পরীক্ষা করে দেখবেন বুথের প্রবেশ পথে নিরাপত্তায় থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। এখানেই শেষ নয়, সংশ্লিষ্ট ওই ভোটারের পরিচয় পত্র সঠিক কিনা তা যাচাই করবেন বুথস্তরের আধিকারিক অর্থাৎ বিএলওরা। এই পর্বে পাশ করলেই সংশ্লিষ্ট ভোটার বুথে গিয়ে ভোট দেওয়ার অনুমতি পাবেন। গোটা প্রক্রিয়া অর্থাৎ ‘টু-স্টেপ ভেরিফিকেশন’ সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা তা কড়া নজর রাখবেন সেক্টর অফিসার।

তবে এরমধ্যে সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হল পোলিং বুথের চারপাশে এবার ‘লক্ষ্মণরেখা’ এঁকে দেওয়া। জানা যাচ্ছে, পোলিং বুথের চারপাশে এবার সাদা চক দিয়ে ১০০ মিটার বৃত্ত এঁকে নির্দিষ্ট সীমান্ত চিহ্নিত করে দেওয়া হবে। ওই সীমার মধ্যে ভোটার ছাড়া অন্য কারও প্রবেশের অনুমতি থাকবে না বলে স্পষ্ট নির্দেশ কমিশনের। শুধু তাই নয়, ভোটার নন এমন কোনও ব্যক্তি কিংবা কোনও ধরনের জমায়েত এই ১০০ মিটারের মধ্যে করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছে। চালানো যাবে না কোনও প্রচারও। আর তা যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিশ্চিত করে তাও স্পষ্ট নির্দেশিকায় জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.