Advertisement
Advertisement
Arabul Islam

ভোটপ্রচারে আক্রান্ত আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল, গাড়ি ভাঙচুর-সংঘর্ষে উত্তপ্ত ক্যানিং পূর্ব

মঙ্গলবার দেউলিতে এই ঘটনার প্রতিবাদে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে বাসন্তী হাইওয়ে অবরোধ আইএসএফ কর্মী-সমর্থকদের।

Advertisement
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৪:২১

link
দেবব্রত মণ্ডল
দেবব্রত মণ্ডল

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০২৬, ১৪:২১

options
link
ভোটপ্রচারে আক্রান্ত আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল, গাড়ি ভাঙচুর-সংঘর্ষে উত্তপ্ত ক্যানিং পূর্ব zoom
আরাবুলের গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর। মঙ্গলবার সকালে দেউলিতে। ছবি: বিশ্বজিৎ নস্কর।

ভোটের আগে যথারীতি রাজনৈতিক সংঘর্ষে তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার স্পর্শকাতর এলাকাগুলি। মঙ্গলবার প্রচারে বেরিয়ে আক্রান্ত ক্যানিং পূর্বের আইএসএফ প্রার্থী আরাবুল ইসলাম (Arabul Islam)। তাঁর গাড়িতে হামলা চালিয়ে কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। ব্যাপক উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয় মিনাখাঁ লাগোয়া দেউলিতে। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে স্থানীয়দের উপর লাঠিচার্জ করে। প্রার্থীর উপর হামলার অভিযোগে তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে বাসন্তী হাইওয়ে অবরোধ করেন আইএসএফ কর্মী, সমর্থকরা।

মঙ্গলবার সকালে দেউলিতে প্রচারে গিয়েছিলেন আরাবুল। রাস্তায় তাঁর গাড়ি আটকে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। হামলার সময় আরাবুল গাড়িতেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর চোট লাগেনি। নিরাপদে তাঁকে বাইরে করে দেন কর্মীরা। এরপরই অশান্তি তীব্র হয়ে ওঠে। তৃণমূলের সঙ্গে আইএসএফ প্রার্থীদের সংঘর্ষ বাঁধে। লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চলে। উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত হন।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) আগে তৃণমূল ছেড়ে আইএসএফে যোগদান করেছেন ভাঙড়ের ‘তাজা নেতা’ আরাবুল ইসলাম। আর তারপরই নওশাদের দল ক্যানিং পূর্ব বিধানসভা আসন থেকে তাঁকে প্রার্থী করেছে। এই আসনে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূলের বাহারুল ইসলাম। অন্যদিকে, ক্যানিং পূর্বের বিদায়ী বিধায়ক শওকত মোল্লা এবার অন্য আসনে লড়ছেন। তা সত্ত্বেও ক্যানিং পূর্বে তাঁর অনুগামীদের দাপট অব্যাহত বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে খবর। আরাবুল ইসলাম আগেও অভিযোগ তুলেছেন, তাঁকে প্রচারে বাধা দিচ্ছে শওকত বাহিনীই। যদিও সেই অভিযোগ বারবার খণ্ডন করেন শওকত।

Advertisement
দেউলিতে আইএসএফ-তৃণমূলের অশান্তি থামাতে লাঠিচার্জ পুলিশের। ছবি: বিশ্বজিৎ নস্কর।

মঙ্গলবার সকালে দেউলিতে প্রচারে গিয়েছিলেন আরাবুল (Arabul Islam)। রাস্তায় তাঁর গাড়ি আটকে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। হামলার সময় আরাবুল গাড়িতেই ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তবে তাঁর চোট লাগেনি। নিরাপদে তাঁকে বাইরে করে দেন কর্মীরা। এরপরই অশান্তি তীব্র হয়ে ওঠে। তৃণমূলের সঙ্গে আইএসএফ প্রার্থীদের সংঘর্ষ বাঁধে। লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চলে। উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত হন। পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দিয়ে লাঠিচার্জ করে, সেই ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। প্রার্থীর গাড়িতে হামলার অভিযোগে বাসন্তী হাইওয়ে অবরোধ করেন আইএসএফ কর্মী, সমর্থকরা। তৃণমূলের আবার পালটা অভিযোগ, ক্যানিং পূর্বে আরাবুল এবং আইএসএফ বারবার তাদের প্রার্থী বাহারুল ইসলামকে প্রচারে বাধা দিচ্ছে।

রক্তাক্ত আইএসএফ কর্মী। ছবি: বিশ্বজিৎ নস্কর।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.