Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

রূপটান শিল্পীর শ্রেণি সংগ্রাম! বিউটি পার্লার সামলে সিপিএমের হয়ে ভোটযুদ্ধ, চমক মামনির

২০১৩ সাল থেকে পরপর তিনবার পঞ্চায়েত ভোটে লড়াই করে এবার বিধানসভায় যাওয়ার লক্ষ্যে লড়ছেন বর্ধমান উত্তরের সিপিএম প্রার্থী।

Advertisement
অর্ক দে
অর্ক দে

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ০০:৩০

link
অর্ক দে
অর্ক দে

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২০, ২০২৬, ০০:৩০

options
link
রূপটান শিল্পীর শ্রেণি সংগ্রাম! বিউটি পার্লার সামলে সিপিএমের হয়ে ভোটযুদ্ধ, চমক মামনির zoom
পার্লার সামনে বর্ধমান উত্তরের সিপিএম প্রার্থী হয়ে ভোটের লড়াইয়ে মামনি মণ্ডল রায়। নিজস্ব ছবি

পার্লারে কাজ করে সংসার চালান। লাল পার্টির প্রার্থী হিসেবে তিনবার পঞ্চায়েত নির্বাচন লড়েছেন। রাজ্য সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের ভাতায় সাহায্য মিলেছে। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বর্ধমান উত্তরের ভোট ময়দানে হিসেবে সেই মামনি মণ্ডল রায় এবারে সিপিএমের বাজি।

জানা গিয়েছে, মামনি স্থানীয় একটি বিউটি পার্লারে কর্মী হিসেবে কাজ করেন। গত ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে এই কাজ করছেন তিনি। তার স্বামী একটি রান্নার গ্যাস ডিলারের ডেলিভারি কর্মী। পরিবারে স্বামী, পুত্র, শ্বশুর ও শাশুড়ি রয়েছেন। ছেলে স্কুল পড়ুয়া। মামনি ২০১২ সাল থেকে বাম যুব সংগঠন ডিওয়াইএফআইয়ের কর্মী। ২০১৭ সালে সংগঠনের লোকাল কমিটির সদস্য হন। ২০২২ সালে জেলা কমিটির সদস্যপদ পান। ২০১৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে বর্ধমান ১ ব্লকের রায়ান ১ পঞ্চায়েতের প্রার্থী করেছিল দল। এরপর ২০১৮ ও ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। তবে জয়ের মুখ দেখেননি।

Advertisement
সব কাজ সামলে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছেন মামনি। নিজস্ব ছবি

নির্বাচনী আবহেও রুটিনে তেমন বদলে ঘটাননি মামনি। প্রতিদিন সকালে পরিবারের কাজ সামলে পার্লারে কাজ যান মামনি। বিকেলে বাড়ি ফিরে পরিবারের লোকের দেখাশোনা ও ছেলের পড়াশোনায় সাহায্য করেন। ২০০৮ সালে নাড়ি হাই স্কুল থেকে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হন তিনি। এরপর বর্ধমান রেলওয়ে বিদ্যাপীঠ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ হন। মামনি জানিয়েছেন, পরিবারের দায়িত্ব সামলে রোজগারের জন্য কাজ করতে হয়। তার সঙ্গে দলের জন্য সময় বের করতে হয়। তাঁর বক্তব্য,  সমাজের প্রান্তিক স্তরের মানুষের একজন প্রতিনিধি হয়ে তাঁদের দাবিদাওয়া আদায়ের জন্য লড়াই জারি রাখাই কর্তব্য বলে মনে করেন। এর আগে দল তাঁর উপর ভরসা রেখেছে। এবারেও দল বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী করেছেন। কাজেই, এবারের নির্বাচনে মানুষের আদায়ের লক্ষ্যে নির্বাচনে লড়াই করবেন।

সিপিএম জেলা কমিটির সদস্য অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় জানান, “সিপিএম দলের সমস্ত প্রার্থীই প্রান্তিক শ্রেণির মানুষ। মামনি গত পঞ্চায়েত নির্বাচন গুলিতে দলের হয়ে লড়াই করেছে। এবারেও দল তাঁকে প্রার্থী করেছে। দল চায় প্রান্তিক স্তরের মানুষের অধিকারের লড়াই একজন প্রান্তিক শ্রেণির মানুষই সবথেকে বেশি বোঝেন। তাই প্রান্তিক স্তর থেকেই প্রার্থী করেছে দল।”

প্রার্থী মামনি মণ্ডল রায়ের কথায়, “রাজ্যে বেকারত্ব বৃদ্ধি, কৃষকদের ফসলের দাম না মেলা, শিক্ষার মান কমে যাওয়া মতো বিষয় নিয়ে মানুষের কাছে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষের দাবি আদায়ের লক্ষ্যে একমাত্র বাম্পন্থীরাই বিকল্প হতে পারে। এই আবেদন জানিয়ে নির্বাচনে লড়াই করব।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.